আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বোরখাতেও আছেন, বিকিনিতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি জলাশয়েও আছেন, মলাশয়েও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি উটমূত্রেও আছেন, কামসূত্রেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি আরশেও আছেন, ঢেঁড়শেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি হাশরেও আছেন, বাসরেও আছেন

বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১০

কোরানের বাণী / কেন এতো ফানি – ০৬

লিখেছেন ব্লগার রাইয়ান

আস্তিক মোচল্মানদের অনেককেই বলতে শুনেছি, কোরানের মত অসাধারণ রচনাশৈলীসম্পন্ন কাব্যগ্রন্থ পৃথিবীর ইতিহাসে আর নেই, আর কোনোদিন আসবেও না। দু'একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ইলিয়াড বা অডিসির নাম শুনেছেন? মেঘদূত বা গীতাঞ্জলী পড়েছেন? অত্যাশ্চর্য হলেও সত্য, তাঁদের অনেকেই ইলিয়াড বা অডিসির নাম পর্যন্ত শোনেন নি। দু'একজন বলেছেন, তাঁরা মেঘদূতের নাম শুনেছেন, কিন্তু লেখকের নাম জানেন না। আর গীতাঞ্জলীতে রবীন্দ্রনাথ ব্রিটিশ সরকারের গুণকীর্তন করেছেন বলে নোবেল পেয়েছেন। একজনকে বললাম, গীতাঞ্জলীতে তো ৪টি ভূতের গল্প (!!!!!!) আছে। সে জ্ঞানী-জ্ঞানী ভাব করে বলল, একটি পড়েছে, কিন্তু ভাল লাগেনি বলে বাকিগুলো পড়েনি। বুঝেন তাদের কাব্যজ্ঞানের গভীরতা।

অথচ এই নরাধম কোরান পড়তে গিয়ে, অর্থাৎ বুঝে পড়তে গিয়ে, কী পরিমাণ যে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়েছি, তা বলাই বাহুল্য! এক টানে দুই পৃষ্ঠা পড়লে মেজাজ ঠাণ্ডা করতে দুই ঘন্টা সময় লাগে। ভাগ্যিস কোরান পি.ডি.এফ. ফরম্যাটে পড়ছিলাম। নইলে মেজাজ খারাপের কারণে সেটাকে ছিঁড়ে কয় টুকরো করতাম, তা আল্লাহও জানে না। কথা না বাড়িয়ে জ্ঞানের পথে অগ্রসর হই। নিচের আয়াতগুলা দেখেন।


১) সূরা বাকারা, আয়াত ১৯৪: আল্লাহ তাঁর শান্তিপ্রিয় বান্দাদের হুকুম করছেন, কেউ যদি তাদের উপর জবরদস্তি করে থাকে, তাহলে তার উপরেও একইরকম জবরদস্তি করতে। বাহ! কী চমৎকার! অতি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষমা করার প্রবণতা থাকে, কিন্তু দয়ার সাগর, মহত্বের মহাসাগর আল্লাহর মধ্যে এই মানবিক গুণটির অনুপস্থিতি লক্ষ্য করার মত। তিনি তো বলতে পারতেন, তাকে ক্ষমা করে দাও, কারণ ক্ষমা মহত্বের লক্ষণ। কিন্তু তিনি তা বললেন না।

২) সূরা বাকারা, আয়াত ২১৬: এইখানে আল্লাহর সাম্রাজ্যবাদী কূটনৈতিক চরিত্র খুবই স্থূলভাবে ফুটে উঠেছে। আল্লাহ এক আয়াতে বলেছে "দাঙ্গা-ফ্যাসাদ করা হত্যার চেয়ে বড় অপরাধ (সূরা বাকারা, আয়াত ১৯১)"। আবার এই আয়াতে যুদ্ধ-বিগ্রহকে সরাসরি উৎসাহিত করেছে। মানে নিজের সুবিধামত যে কোনো আয়াতকে কজে লাগানো যাবে। সংখ্যালঘু হিসেবে মুসলমানরা মাইর খাইলে, সেখানে দাঙ্গা-ফ্যাসাদ করাটা অপরাধ। আর সংখ্যাগুরু হিসেবে অন্য সম্প্রদায়ের সম্পদ লুটের সময় যুদ্ধ করা ফরয এবং জায়েজ।

৩) সূরা বাকারা-আয়াত ২২৩: এইবারে আসলো আসল জিনিস। মুহাম্মদের চরিত্রকুসুম এইখান থেকে বিকশিত হইতে শুরু করেছে। এখানে স্ত্রীদেরকে যেভাবে খুশী ব্যবহার করার অধিকারপ্রাপ্তির সুসংবাদ ঈমানদারদেরকে জানানো হচ্ছে। সবাই একসাথে গলা ফাটিয়ে বলেন, চিৎকার করে বলেন "সুবহানাল্লাহ"!!

৪) সূরা বাকারা-আয়াত ২২৮: এখানে আল্লাহ তালাকপ্রাপ্তা নারীকে সম্মান প্রদর্শন করে তিন হায়েয (রজ:স্রাব) পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে বলেছেন। কিন্তু তালাক দানকারী পুরুষ নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে না। সে তার অন্য স্ত্রী বা দাসীদের প্রতি তার দায়িত্ব (!) পালন করবে মাত্র। আবার তালাক দানকারী পুরুষ প্রয়োজন বোধে তার কামনা মিটাবার জন্য ঐ মহিলাকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার সংরক্ষণ করে, কিন্তু ঐ নারী সেই পুরুষকে ফিরিয়ে দেবার অধিকার সংরক্ষণ করে না, কারণ নারীদের উপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।
এই আয়াত পাঠানোর সময় আল্লাহরে পাইলে একবার জিগাইতাম, "দাদা, টেনে এসেছেন, না গিয়ে টানবেন?"

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন