আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বোরখাতেও আছেন, বিকিনিতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি জলাশয়েও আছেন, মলাশয়েও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি উটমূত্রেও আছেন, কামসূত্রেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি আরশেও আছেন, ঢেঁড়শেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি হাশরেও আছেন, বাসরেও আছেন

রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৪

নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ৯৬

লিখেছেন কবীর উদ্দীন

৪৭৬.
রোজাদারেরা মরার পরে হুরী ও মদ সম্ভোগের লোভে রোজার মাসে দিনের বেলায় মাত্র কয়েক ঘণ্টা না খেয়ে থাকার ঢং করে। তাই অনেক খৎনাকৃত মুছলিম দেশ আইন করেছে, কোনো স্বাভাবিক মানুষ উপোসের ভেক ধারণকারীদের সামনে খেতে পারবে না; খিদায়-তৃষ্ণায় কারুর প্রাণ গেলেও। সব রেস্তোঁরা দিনের বেলায় বন্ধ। কারণ সংযমকারী রোজাদারদের সামনে কেউ খেলে নাকি তাদের জিভ দিয়ে লালা পড়তে শুরু করে অঝোরে। কারুর খাওয়া দেখলেই তাদের সংযম টুটে মুটে যায়। 

মুছলিম দেশগুলিতে অনেক গৃহহীন খাদ্যহীন বস্ত্রহীন চাকরিহীন মানুষও রয়েছে। তাদের সামনে যদি অন্য কেউ গৃহে বাস করে, খাবার খায়, কাপড় পরে, চাকরি করে, তাদের কি খারাপ লাগে না? খৎনাকৃত দেশগুলি এই আইন কেন করে না যে, খাদ্যহীনের সামনে কেউ খেতে পারবে না, গৃহহীনের সামনে কেউ গৃহে বাস করতে পারবে না, গাড়িহীনের সামনে কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না, দাড়িহীনের সামনে কেউ দাড়ি রাখতে পারবে না ইত্যাদি। যাদের মৃতদেহও লোভমুক্ত নয়, যারা খাদ্যের অভাবে নয়, লোভে পড়ে না-খাওয়ার ভড়ং করে, ইছলামি দেশগুলির দরদের লালা শুধু তাদের জন্য ঝরে পড়ে। আর যারা খাদ্যের অভাবে চিরদিন অনাহারে থাকে, তাদের সামনে খাদ্যবান ও বিত্তবানদের না-খাওয়ার বা রেস্তোঁরা বন্ধ করে রাখার কোনো আইন কেন নেই?

৪৭৭.
মাটি দিয়ে আদমের মূর্তি বানিয়েছিল য়াল্যা। ইছলামে কিন্তু মূর্তি বানানো হারাম। য়াল্যা হারাম দিয়েই ইছলামের শুরু করেছিল।

৪৭৮.
আমার পরিচিত এক আলহাজ্জ ব্যক্তি আছে, যে রোজা রাখে না। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি ঈমানদার মানুষ, পবিত্র হজ্জব্রত পালন করে পবিত্র হয়ে এসেছেন। কিন্তু আল্যার নেয়ামত উপোস থাকা থেকে নিজেকে বিরত রাখছেন কেন? তিনি উত্তর দিলেন, হাই ডায়াবেটিস আছে। দিনে তিনবার ইনস্যুলিন নিতে হয়। নইলে অসুস্থ হয়ে যাই ভীষণভাবে। সেদিন রোজা রেখে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলাম। আমি তাজ্জব হয়ে বললাম, হায় য়াল্ল্যা, য়াল্যার রহমতের মাসে য়াল্যার বিশেষ রহমতের এবাদত করলে তো মানুষের সব রোগ মসিবত দূর হয়ে যাবার কথা। তা না হয়ে য়াল্যার খাস হজ্জ করা বান্দা য়াল্যার এবাদত করতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়! এই বুঝি য়াল্ল্যার রহমতের নমুনা ও তার এবাদত করার নগদ ফলাফল লাভ?

৪৭৯.
গাভী হিন্দুদের আম্মু। ষাড় তাদের আব্বু। এঁড়ে বাছুর তাদের ভাইয়া। বকনা বাছুর তাদের আপু।

৪৮০.
সর্বশক্তিমান আল্যাপাক পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ ভণ্ড পয়গম্বর পাঠিয়েও বিবেকবান মানুষদেরকে তার চাটুকার বানাতে পারলো না। দিনদিন অবিশ্বাসীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। হায় রে! সর্বশক্তিমানের লজ্জাজনক পরাজয় তার সৃষ্টির বিবেকের কাছে! তার অসহায়ত্ব দেখে আফসোস লাগে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন