আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বোরখাতেও আছেন, বিকিনিতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি জলাশয়েও আছেন, মলাশয়েও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি উটমূত্রেও আছেন, কামসূত্রেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি আরশেও আছেন, ঢেঁড়শেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি হাশরেও আছেন, বাসরেও আছেন

সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

কে সত্য ভগবান গনেশ না আল্লাহ?

ফটোমাস্তান- ইমানুল হক


মাঝে মধ্যে গাছে আল্লাহ লিখা বা মাংসের মধ্যে আল্লাহ লিখা দেখে ডিভাইন মনে হতো। এই তো আল্লাহর নাম গাছের মধ্যে। আমাদের ইসলাম ধর্মই সেরা। কিন্তু আজ যখন গনেশের প্রতিকৃতি গাছে দেখলাম, নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমিও আহসান হাবিব পেয়ার হুজুরের মতো মনে মনে বলে উঠলাম "এগুলা এডিট করা যায়।" আমি এখনও দ্বিধার মধ্যে আছি। কে সত্য? 

আপানাদের মূল্যবান মতামত জানাবেন আশা করি।

শনিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৭

শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৭

বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা- ১৭

লিখেছেন ইমানুল হক

আমার ফ্রতিবেশি বন্দু জইল্যা ফছন্দ করেসে তাবারক মোল্লার বড় মাইয়া আমেনা রে। বয়স ১১ বস্যর। জইল্যা গডনাডা আইজ জুম্মার নমাজের ফর আমাক কুলি বইল্য। 

মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৭

দ্বীনমজুরের সিন্তাবাবনা

লিখেছেন দ্বীনমজুর

১. সহাল সহাল গুম থিয়ে উডি মেচুয়াক কইত্তে কইত্তে গিরামের ফুহুরে গেচি গোচুল কইত্তে, হে আল্যা কি সব্বোনাশ দেহি ইন্দু ফারার পরান মন্ডোলের বউ ফুলমতি ও হের মাইয়া পরি গোচুল করি বিজা কাফুরে কলসি কাহে সিরি দি উডি আইসতেচে। 

শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৭

ভগবান বুদ্ধের লিঙ্গটা খুজে পাচ্ছিনা...!!

ভগবান বুদ্ধ ! একটু কাত হোন ! 
লিঙ্গটা খু‌জে পা‌চ্ছিনা !

কার্টেসি: সজিব মাহমুদ আবদুল্লাহ 
[বড় করে দেখতে ছবিতে ক্লিক করতে হবে]

বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৭

রাদারফোর্ড এর পরমাণু মডেল ইসলাম থেকেই...!!!

লিখেছেন- সজিব হোসেন

১৯১০। নোবেল জয়ী বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড ভোররাতে একটা স্বপ্ন দেখলেন। দেখলেন তিনি মরুভূমির বুকে হেঁটে চলেছেন আর সামনে অনতিদূরে এক আলোক উজ্জ্বল শহর।
শহর নিয়ন বাতির আলোয় ঝলমল করছে। আর ওপরে বিলবোর্ডে এলইডি লাইটে লিখা "শান্তির শহর"!

রাদারফোর্ড সারাদিন অন্যমনস্ক হয়ে কাটালেন শেষে নীল বোরের কাছে সব খুলে বললেন।


নীল বোর সব শুনে বলল, "হুম।তুমি এক কাজ করো,পাশের মসজীদের ঈমামের সাথে গিয়ে একবার দেখা করো"।
রাদারফোর্ড ছুটলেন ঈমামের কাছে।
খুলে বললেন স্বপ্নের কথা।
ঈমাম বললেন, "এটা খুব শুভ লক্ষন। 

আল্লাহ আপনাকে হজ্বে ডাকছেন।"

কিন্তু এই ইহুদী নাসারা জালিম সমাজ কি রাদারফোর্ড এর হজ্বে যাওয়া মেনে নেবে?


তাই তিনি ছদ্মবেশ ধারণ করলেন আর পাড়ি দিলেন মক্কা।
মক্কা গিয়ে তিনি চমকে গেলেন!


কাবাকে ঘিরে মানুষের এমন ঘুরে যাওয়া দেখে তিনি আল্লাহর ঈশারা বুঝলেন আর ফিরে এসে তিনি এক জগত বিখ্যাত কাজ করলেন।


যেই কাজকে আজ আমরা রাদারফোর্ড এর পরমানু মডেল হিসেবে চিনি
হ্যাঁ ভন্ডুরা রাদারফোর্ড,যিনি বলেছিলেন পরমানুর কেন্দ্র নিউক্লিয়াস যার আয়তন ক্ষুদ্র কিন্তু পরমানুর প্রায় সকল ভর এই নিউক্লিয়াসে থাকে।


মানে তিনি দেখেছিলেন পৃথিবীর তুলনায় কাবা খুব ছোট কিন্তু তার ক্ষমতা (রুপক অর্থে ভর) সবচেয়ে বেশী।
আর নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ইলেকট্রনসমূহ প্রদক্ষিণ করে।মানে মানুষকে দেখেছিলেন কাবাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে।
হ্যাঁ ভন্ডুরা রাদারফোর্ড এই বিজ্ঞান আবিষ্কার করার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন ইসলাম থেকেই।


বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৭

পাঠকের পাঠশালা-০৬ (মুসলমানের পক্ষে ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব নয়...!)

রাষ্ট্রপতি কুরআন-সুন্না বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। কোন মুসলমানের পক্ষে ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব নয়। ধর্মীয় রাষ্ট্রের দাবী ছাড়াও সম্ভব নয়। বলেছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত আল্লামা শাহ আতাউল্লাহ হাফেজ্জী। বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম ও কুখ্যাত রাজাকার হাফেজ্জী হুজুরের এই ছোট ছেলে নিজেও বিশিষ্ট আলেম। কিন্তু যত আলেমই হোন নিজে থেকে মতামত দিলে সেটা ইসলাম বলে গোণ্য হবে না। ইসলাম মূলত দলিল ভিত্তিক ধর্ম। তাহলে দেখা যাক আসলেই ইসলাম গণতন্ত্র ধর্মনিরপেক্ষতা ইত্যাদি বিশ্বাস করে কিনা। কুরআনে ইসলামী শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে বলা আছে, أفحكم الجاهلية يبغون ومن أحسن من الله حكما لقوم يوقنون

সোমবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৭

আল-কাদিদে আল-মুলায়িহ গোত্রে ডাকাতি! পর্ব-১৭৫: ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ –একশত উনপঞ্চাশ

লিখেছেন গোলাপ


(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে) (ইন্টারন্যাল লিংকে যাতায়াতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে: সমাধানের চেষ্টা চলছে; আপাতত প্রক্সি ব্যবহারে লিংকে গমন সহজ হবে)
 
"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।" 

মদিনায় স্বেচ্ছা নির্বাসনের পর স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হিজরি ৭ সালের জিলকদ মাসে তাঁর প্রথম ও শেষ সফল 'ওমরাহ' পালন কীভাবে সম্পন্ন করেছিলেন; এই ওমরা পালন কালে তিনি কোন মহিলাটি-কে বিবাহ করেছিলেন; ওমরাহ' পালন শেষে মদিনায় প্রত্যাবর্তন কালে তিনি হুদাইবিয়া সন্ধি চুক্তির কোন শর্ত ভঙ্গ করেছিলেন; জিলহজ মাসে মদিনায় প্রত্যাবর্তনের পর ঐ মাসেই তিনি কোন গোত্রের বিরুদ্ধে তার আগ্রাসী হামলার আদেশ জারী করেছিলেন - ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে। অতঃপর হিজরি ৮ সাল। আল-ওয়াকিদি <ইয়াহিয়া বিন আবদুল্লাহ বিন আবি কাতাদা (মুহাম্মদের অনুসারী আবু কাতাদার নাতি) < আবদুল্লাহ বিন আবি বকরের বর্ণনার উদ্ধৃতি দিয়ে আল-তাবারী বর্ণনা করেছেন যে, এই বছরটি-তে মুহাম্মদের কন্যা যয়নাব মৃত্যু বরণ করেন।

শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৭

বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৭

শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭

মাদ্রাসা হইতে সাবধান....!!!

পাঠিয়েছেন ক্যাটম্যান



আপনার ছেলে-মেয়েকে স্কুলে পাঠান’ এমন আহ্বান সংবলিত বাক্য বিভিন্ন ট্রাক, বাস ও কাভার্ড ভ্যানের পেছনে প্রায়শ লক্ষ্য করা যায়। ইদানিং উপর্যুক্ত আহ্বান সংবলিত বাক্যটির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে ‘আপনার ছেলে-মেয়েকে মাদ্রাসায় পাঠান’ বাক্যটি বিভিন্ন যানবাহনের পেছনে প্রায়শ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যা সামাজিক রুচির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নির্দেশ করে। তবে ছেলে-মেয়েকে স্কুলের পরিবর্তে মাদ্রাসায় পাঠিয়ে কেমন সুফল মিলবে তার একটি ছোট্ট উদাহরণ হতে পারে সংশ্লিষ্ট ছবিটি। ছবিটিতে লক্ষণীয় যে, একটি কাভার্ড ভ্যানের পেছনের ঊর্ধ্বাংশে লেখা রয়েছে ‘আপনার ছেলে মেয়েকে মাদ্রাসায় পাঠান’। আর উক্ত ভ্যানের দরজার মাঝামাঝি অংশে অর্ধবৃত্তাকারে লেখা রয়েছে ‘নিজেস্ব পরিবহন’; এখানে ‘নিজেস্ব’ ও ‘পরিবহন’ পদ দুটি ভুল বানান নির্দেশ করছে। এক্ষেত্রে সঠিক বানানে ‘নিজস্ব পরিবহণ’ লেখাই সমীচীন হতো। কিন্তু তা লেখা হয় নি। বোধ করি,  উক্ত কাভার্ড ভ্যানের পেছনের লেখাসমূহ যিনি লিখেছেন বা লিখিয়েছেন, হয়ত তিনি মাদ্রাসায় পড়ালেখা শিখেছেন। যার উত্তম দৃষ্টান্ত ‘নিজেস্ব’ ও ‘পরিবহন’ পদ দুটির বানানে স্পষ্ট। তাই ছেলেমেয়েকে মাদ্রাসায় পাঠিয়ে কেমন সুফল মিলবে, তা বুঝতে বেশি বেগ পেতে হবে না আশা করি। বিধায় বিভিন্ন যানবাহনের পশ্চাদ্ভাগে লিখিত ‘আপনার ছেলে-মেয়েকে মাদ্রাসায় পাঠান’, এমন আহ্বান সংবলিত বাক্যে প্রভাবিত না হয়ে ছেলে-মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর আহ্বানে উদ্বুদ্ধ হওয়াই সচেতন অভিভাবকদের জন্য যথাযথ হতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা- ১৬

পাঠিয়েছেন ইমানুল হক

১৮.
মগরিবের নমাজ ফইরবার উদ্দেস্যে বাইর অইচি একডু আগে। আসা চিল তাবারক মোল্লার সুন্দরি বিবিক এক নজর দেইক্ক্যা যামু। মসজিদ যাওয়ার কিচু দূর আগেই ফরে তাবারক মোল্লার বাড়ি। বাড়ির সামনে যাই উকি মাইল্যাম দিকি বউডাক কুতাও দিকা যায় না, বুকের বিতরডা দেহার লাই হু হু কইরে উইটলো। ইট্টু সুময় অপেক্কা করার ফর হুনি বাড়ির বিতর তেকে চিল্লা চিল্লির আওয়াজ আইসতেচে। চিল্লা চিল্লি শুনে সুযুগে আমি বাড়ির বিতর ডুকে ফইল্যাম। বাড়ির বিতর ডুকে দেক্তে ফাইলাম তাবারক মোল্লা তার দস বসরের সেলেকে বকা জকা কইত্তেসে, আমি এদিক সেদিক মোল্লার বিবিডাক কুইজতে লাইগলাম, দেহি দরজার এক কুনায় তার বিবি কারাই রইচে। 

বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭

পাঠকের পাঠশালা-০৫ (ইসলাম আরব প্যাগন এবং ইহুদী-খ্রিস্টান ধর্মের মিশেলের একটি ককটেল…!)

লিখেছেন সুষুপ্ত পাঠক

কাবাঘরের বড় ধরণের সংস্কার ঘটে ইসলামের নবী! মুহাম্মদের ৩৫ বছর বয়স কালে। তখনো তিনি নবী হননি। নবী হবার কোন দুরাশাও সম্ভবত চিন্তাতে আনেননি। সেসময় কোন রকম গাঁধুনি ছাড়াই পাথরের উপর পাথর রেখে কাবার দেয়াল গড়া হতো। এতে করে দেয়াল ধসে পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকত। এই সময় রোমান বাণিজ্য জাহাজের ভাঙ্গা কাঠের তক্তা কুরাইশরা সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। ঘটনাচক্রে একজন মিশরীয় মিস্ত্রি সে সময় কুরাইশদের মধ্যে থাকায় তাকে দিয়ে কাবাঘরটা নতুন করে সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়া হয়। মূলত কাবাঘরের একটি ছাদ বানানোর জন্যই বিশেষ করে এই সংস্কার। কাবাঘরে ছাদ না থাকায় রাতের আঁধারে চোররা কাবার দেয়াল টপকে চুরি করে নিয়ে যেতো ধনসম্পদ। (সীরাতে ইবনে হিশাম, অনুবাদ: আকরাম ফারুক, পৃষ্ঠা-৪৮)।

সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৭

রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৭

শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

বুল করাসেন আল্লায় সুদরাইব মুল্লায়...!!!

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

আজিয়া যুহরের নমাজ ফডি কুসি মনে মুসকি হাসি হাসি গেরামের সলিমুল্লা বাইর বাইত্তে জিয়াফত কাইতে যাইতেসিলাম ।আহ অনেকদিন ফর আজিয়া একডু বালামন্দ গরুর গুস্ত কামু!! বাইবতেই জিবে ফানি সলি আইসতে সিল।  এমুন সুময় গেরামের নতন ইংলিস সিক্কিত যুবক সালেহিন সালাম দি ফত আগলাই দারাইল।  তা হুজুর এত মুসকি হাসি হাসি কুতায় যাসসেন? এই ত সলিমুল্লা বাই সেলেডার আজিয়া সুন্নত কাম করানু হবি,  আমার জিয়াফত আচে। ওহ!! এমুন সুময় হারামজাদায় বলি উডল " বুল করাসেন আল্লায় সুদরাইব মুল্লায়" । কি বইল্লা এত বড় সাহস তমার!! নতন সিক্কিত হয়াস না? আল্লায় আবার বুল করে কেবা করি?? হেতি কয় হুজুর আল্লায় এত সন্দর করি মানস সিসটি কইল্লেন, সাতে তার সেং বা নুনুর আগাডা ও কুব সন্দর করি সামরা দি ডাকি দিলেন।  এরফর ফিতিবিত ফাডাই দিলেন, ফিতিবিত ফাডানুর ফর আল্লার মুনে অইল যে নুনুর আগার সামড়া ডা অফ্রয়জনিয়! ! তাই তিনি নতুন করি নিরদেস দিলেন নুনুর আগার সামরা কাডি ফেলাও । 

আমি বইল্লাম এই সামরার কুনু দরকার নাই, তাই আল্লা কাডি ফেইলতে বইলসেন।  হেতি কয় হুজুর এই সামড়ার যে কুনু দরকার নাই মানুস বানানির সুময় কি আল্লার মুনে সিল না?? একন আল্লার বুল আফনারা সামরা কাডি সুদরাইতেসেন।  আমি বইল্লাম দেক আল্লা ফ্রয়জুন সারা কুনু কিসু সিসটি করেন না, সিসুর সুটুকালে  নুনুর সামরার কুনু ফ্রয়জন উফকার সিল বল হয়ত আল্লা তা বানাইসেন।  আল্লা ফ্রয়জন সারা কিসু বানান না?? আমি বইল্লাম না।  হেতি কয় হুজুর তাহলি আল্লায় ফুরুস মাইন্সের নিপল দিসেন কেন? নিপল কি? হেতি কয় হুজুর সেলেদের ইস্তনের বুটা।  অহ তা হুজুর সেলেদের ইস্তনের বুটা সেলেদের কি কামে লাগে?? হারাজিবনেও ত কুনু কামে লাগে না। তাহলি আল্লা এই অফ্রয়জনিয় বুটা সেলেদের দিলেন কেনু? আর এই অফ্রয়জনিয় জিনিস নুনুর সামরা মত কাডি ফেইলতে বইল্লেন না কেন?? এই সেলের কতা সুনি মেজাজটাই কারাফ হইগেল। কি উত্তর দিব বেবে ফাচ্চিলাম না, তাক বইল্লাম আমার একন সুময় নাই কাইলকে মজ্জিদে আইস উত্তর দিব নে।  

এই বলি সলি গেলাম। কিনত সলিমুল্লা বাইর বাইত্তে জিয়াফত এর গুসত সাবাইতে সাবাইতে আবার মনেফডি গেল আসলেই ত আল্লা সেলেদের নুনুর আগার সামড়া আর ইস্তনের বুটা কেনই বা সইল্লে দি দিলেন?? আর দেওয়ার ফরে একডা কাডি ফেইলতে বইল্লেন আরেকডার কতা কিসুই বইল্লেন না?? সিন্তা কইত্তেসি আর সিন্তা কইত্তেসি......। অই আমার মাতা গুরান্টি দিতেসে.....কেউ একডু ফানি দে .....

শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৭

নবি মোহাম্মদ কি মুর্তি পুজারী ছিলেন?

তিরমিজি , হাদিস -৮৭৭: ইবনে আব্বাস বর্নিত, নবী বলেছেন , কাল পাথর যখন বেহেস্ত থেকে পতিত হয় তখন তা দুধের চাইতেও সাদা ছিল। মানুষের পাপ মোচনের ফলে সে কাল হয়ে গেছে।
তিরমিজি, হাদিস -৯৫৯: ওমর বর্নিত , আমি নবীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন , কাল পাথর ও রুক ইয়ামানী উভয়কে স্পর্শ করলে মানুষের পাপ মোচন হয়।

উক্ত বিধান মেনে মুহাম্মদ কাবা ঘরে যেতেন , সেটাকে কেন্দ্র করে সাত পাক ঘুরতেন , অতি ভক্তি সহকারে কাল পাথরকে চুম্বন করতেন। কারন অন্য সবার মত তিনিও ছিলেন পাপী। আর সেই পাপ মোচনের জন্যেই কাল পাথরকে চুম্বন করতে হতো। মুহাম্মদ যে পাপী ছিলেন , তা জানা যায় কোরানেই -
সুরা আল মুমিন- ৪০: ৫৫: অতএব, আপনি সবর করুন নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আপনি আপনার গোনাহের জন্যে ক্ষমা প্রর্থনা করুন এবং সকাল-সন্ধ্যায় আপনার পালনকর্তার প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করুন।
সুরা আল ফাতহ- ৪৮: ২: যাতে আল্লাহ আপনার অতীত ও ভবিষ্যত পাপসমূহ মার্জনা করে দেন এবং আপনার প্রতি তাঁর নেয়ামত পূর্ণ করেন ও আপনাকে সরল পথে পরিচালিত করেন।

বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৭

পাঠকের পাঠশালা-০৪ (কুরআন অনুযায়ী দাসী সেক্স বৈধ!)

লিখেছেন সুষুপ্ত পাঠক

এক জিনিস নিয়ে বার বার  লেখার মত বিড়ম্বণা আর কিছুতে নেই। তবু এই অসীম ধৈয্যের কাজটি আমাকে করে যেতে হচ্ছে। অগুণতি মানুষের জিজ্ঞাসা মেটাতে এবং কিছু অন্ধ গোঁয়ার মানুষ যখন প্রলাপ বকার মত ‘এসব ইসলামে নেই’ বলে দাবী করে তখন নিজেকে নিবৃত করে রাখা খুব কঠিন। সম্প্রতি সৌদি আরবে ১৫০০ বাংলাদেশী নারী শ্রমিক তাদের সৌদি মালিকের লালসার স্বীকার হয়ে দেশে ফেরে। জানা যায় অকথ্য যৌন নির্যাতনের কথা। এমনটা যে সৌদি পুরুষরা কুরআনের সুরা নিসার ২৪ নম্বর আয়াত দ্বারা করে থাকে সেটা না জানলে ইসলামের জন্মভূমি হয়ে কেমন করে সৌদিয়ানরা এতখানি লম্পট হয় বলে হিসাব মেলাতে পারবেন না…। আজ তাই ফের সুরা নিসা এবং তার প্রসিদ্ধ তাফসির (ব্যাখ্যা এবং আয়াত নাযিলের কারণ) আপনাদের কাছে হাজির করছি। এই বিষয় নিয়ে আর লেখার ইচ্ছা আপাতত নেই। তাই লেখাটা সম্ভব হলে শেয়ার করার চেষ্টা করবেন।

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭

সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৭

কুদরতিক্রিয়া- ২১

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

৫১.
আজিয়া জুহরের নামাচের অয়াক্তে অযু ফরার জইন্ন মাদেসার ফুকুর গাটে গেসি।  গিয়া দিকি মাদেসার ফুকুরের ফানি ফুলাপাইন লাফাই লাফাই গুচল করি গুলা করি ফেইলসে।  এই দিকে সিতকালে গাটের ফানি আবার সুকাই যায়, অযু করার জইন্ন আতের নাগালে ফাওয়া যায় না।  তাই সিন্তা কইল্লাম একন তেকে কিসুদিন আর মাদেসার ফুকুরে অযু কইরব না।  আমাগের মজ্জিদের অল্ফ কাসের ইন্দু বারিতে বরো এক্কান দিগি আচে, অইকানেই অযু কইরব।  তো সইল্লাম ইন্দু বারির দিগিতে অযু ফইত্তে।  দিগিতে ফুউসানুর কিসু আগেই সুইনতে ফাইলাম ইন্দু মেয়েসেলেদের হালকা সিতকার হইহুল্লুর। মনেকয় গুচল কইত্তে যাই জলকেলি কইত্তেসে।  বাইবলাম অইদিকে চুক দিব না।  

শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা- ১৫

পাঠিয়েছেন ইমানুল হক


আল্লার আদেসে বিষ্টিত বিজি, দুই তিন দিন দরে জ্বরে বুইগতেচি। বিচানা চারি উটতে ফাইচ্চি না। সহালে ফাডাইচিলাম গেদ্দু মিয়ারে আমাগের বদরু মলানার (মোহাম্মদ মাওলানা বদরুদ্দীন) কাচে ফরা ফানি আইন্তে। কিন্তু ফানি ফরা কাই, জ্বর কমনের কুনো বাবই দেইক্তেসিনা। আল্লা তুমি আমাক কেন এত কডিন পরিক্কা নিচ্চ আল্লা! ও মাবুত আমি যে আর সইয্য কইত্তে ফাইত্তেসি না। আমি কম্বলের তলে বইসে জ্বরে কুকাইচ্চি। আর সুদু মলানার দেওয়া ফরা ফানি কাইচ্চি। ফাসে বসে হালিমা ফানি ডাইলচে আর ডাইলচে মজ্জিনা আর জরিনা বইস্যা কান্নাকাডি কইত্তেসে। আমি বাইবতেচি এই কয় দিন জরে ফরি বিবিদের আদর সোহাগ কইত্তে ফাচ্চি না। এর মদ্দি গরে ডুকল রইচ মুন্সি আর সাত দিকি আবার মেম্বারের ফুলাক নি আইসচে। উনাদের দেকি বিবিরা আড়ালে চলি গেল। রইচ মুন্সি আমার ফাসে এসে বইসলেন আর মেম্বারে ফুলা এসে আমার মাতায় আত দিলো। মেম্বরের ফুলা আমারে কয়, "চাচা, আপনের সরিলের অবস্তা দেহি বালা না। জ্বর ত সারা সরিলে চইল্যা গেসে, মুনকয় ১০৪ ডিগ্রির কম না। রইচ চাচা উনাক তাত্তারি দরেন। গঞ্জের ডাক্তারের দুকানে নি যাই।" আমি বইল্যাম, "না বাবা আমি কুতাও যামু না। আল্লা আমাক পরিক্কা নিচ্চে বাবা। আদীসে আচে, আবু জামরাহ জুবাই অইতে বন্যিত, তিনি বলেন, আমি মক্কায় ইবনে আব্বাস এর নিকট বইসতাম। একদিন আমি জ্বরে আক্রান্ত অইলাম, তকন ইবনে আব্বাস বলিলেন, তুমার সরীলের জ্বর যমযমের পানি দ্বারা শীতল কর। কেননা হুযুর বলিয়াচেন, জ্বর দোজখের তেজ অইতেই অইয়া থাহে। তাই তা পানি দ্বারা কিংবা বলিয়াচেন যমযমের পানি দ্বারা শীতল কর। সহি বুখারী হাদিস, বই-৫৪, হাদিস-৪৮৩। আয়শা অইতে বন্যিত,জ্বরের তাপ দোজখের তাপ অইতেই আসে, তাই তা পানি দ্বারা ঠান্ডা করতে অয়। সহি বুখারি হাদিস, বই-৫৪, হাদিস-৪৮৫। ইবনে ওমর অইতে বন্যিত, হুযুর বলিয়াচেন, জ্বরের তাপ আসে দোজখের তাপ অইতে। তাই তা পানি দিয়ে প্রশমন কর। সহি বুখারী হাদিস , বই-৫৪, হাদিস-৪৮৬।"

শুক্রবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৭

হাস্যকোরান ৩: আল্লাহপাক সাংঘাতিক, আল্লাহকে ভয় করো!


পর্ব এক, দুই


আমাদের পাড়ায় বেয়াদপ টাইপের ব্যাপক পড়ুয়া এক বড় ভাই ছিলেন, নাম জামাল। আমাকে বেশ আদর করতেন। হুজুরদের সাথে যখন তর্ক করতেন তখন মনে হত তিনি কোরান, হাদিস আর তফসিরে পণ্ডিত। তবে তাঁর একটা সমস্যা ছিল। কখনো নামাজ পড়তেন না, রোজা রাখতেন না।

একদিন বড় হুজুরকে সঙ্গে করে সবাই দল বেঁধে উনাকে বোঝাতে গেল।
হুজুর বললেন, তুমি কি একদিনও আর নামাজে আসবে না, এমনকি জুম্মার নামাজ আর ইদের নামাজেও না?

তিনি নির্বিকারভাবে জবাব দিলেন, না!
হুজুর অত্যন্ত কর্কশ গলায় জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি আল্লাকে ভয় করো না?
জালাল ভাই বললেন, আল্লা কি বাঘ-ভল্লুক যে তারে ভয় পেতে হবে?

নবী মুহাম্মদের 'ওমরাহ' ও কুরাইশদের সহিষ্ণুতা! কুরানে বিগ্যান (পর্ব-১৭৪): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ –একশত আটচল্লিশ

লিখেছেন গোলাপ

(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে) (ইন্টারন্যাল লিংকে যাতায়াতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে: সমাধানের চেষ্টা চলছে; আপাতত প্রক্সি ব্যবহারে লিংকে গমন সহজ হবে)
 
"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।"


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর মদিনা অবস্থানকালীন সময়ে দামেস্কের শাসনকর্তা আল মুনধির বিন আল-হারিথ বিন আবি শিমর আল-ঘাসানি, পারস্যের সম্রাট খসরু পারভেজ দ্বিতীয়, বাইজেনটাইন সম্রাট হিরাক্লিয়াস ও আবিসিনিয়ার শাসনকর্তা আল-নাজ্জাসীর কাছে যে চিঠিগুলো লিখেছিলেন তার বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা গত তেরটি পর্বে (পর্ব: ১৬১-১৭৩) করা হয়েছে। মুহাম্মদের আদর্শে উদ্বুদ্ধ নবী পত্নী উম্মে হাবিবা (রামলাহ) বিনতে আবু সুফিয়ান কী কারণে তার জন্মদাতা পিতা-কে '‘অপবিত্র" আখ্যা দিয়ে তাঁর প্রতি চরম অবমাননা ও অসম্মান প্রদর্শন করেছিলেন, তার বিস্তারিত আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।



মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা খায়বারের অমানুষিক নৃশংসতা (পর্ব: ১৩০-১৫২), ফাদাক আগ্রাসন (পর্ব: ১৫৩-১৫৮) ও ওয়াদি আল-কুরা আগ্রাসন শেষে মদিনায় প্রত্যাবর্তন করেন হিজরি ৭ সালের সফর মাসে। অতঃপর রবিউল আওয়াল মাস থেকে শওয়াল মাস (৯ই জুলাই ৬২৮ সাল থেকে ১লা মার্চ ৬২৯ সাল) পর্যন্ত পরবর্তী আট-টি মাস মুহাম্মদ আর কোন হামলায় নিজে অংশগ্রহণ না করে মদিনায় অবস্থান করেন। আর কোন হামলায় নিজে অংশগ্রহণ না করলেও অবিশ্বাসী জনপদের ওপর তাঁর আগ্রাসী হামলা তিনি কখনোই বন্ধ করেন নাই। আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় আমরা জানতে পারি, এই সময়টিতে তিনি তাঁর অনুসারীদের মাধ্যমে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অবিশ্বাসী জনপদের ওপর কমপক্ষে আরও ছয়টি আগ্রাসী হামলা পরিচালনা করেন, যার দু'টির আলোচনা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে (পর্ব-১৬০)। এই হামলাগুলো ছাড়াও আবু বসির নামের তাঁর এক অনুসারীর নেতৃত্বে কুরাইশ বাণিজ্য-বহরের ওপর হামলা, খুন-জখম ও মালামাল-লুণ্ঠন ছিল পুরো-দমে অব্যাহত।

মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

হাস্যকোরান ২: আল্লাহ ইচ্ছা করলে আকাশ ভেঙ্গে দিতেন

লিখেছেন: বেহুলার ভেলা


মানুষ কল্পনাপ্রবণ প্রাণী। একদম আদিম কাল থেকে তার আশেপাশের দৃশ্যমান সবকিছু নিয়ে মানুষের জল্পনা-কল্পনার শেষ নাই। মাথার উপরে বিশাল নীল আকাশ। এ আকাশ কী? এত বিশাল আকাশ কে ধরে রেখেছে, কে একে তারকা দিয়ে সাজিয়েছে? এই বিশাল আকাশের উপরেই বা কী আছে?

কেউ কল্পনা করল এই আকাশকে দেবতারা ধরে রেখেছে। কেউ কল্পনা করল এর হয়ত কোনো পিলার আছে, কেউ মনে করল তার আল্লাহ এত শক্তিশালী যে পিলার ছাড়াই আকাশকে ধরে রেখেছেন। কেউ ধরে নিল এই আকাশের উপর আরো আকাশ আছে, মোট সাতটি আকাশ। কেউ মনে করল এই আকাশের উপরে ঈশ্বর তাঁর দেবদূত বা ফেরেশতাদের নিয়ে বাস করেন।

আমরা বর্তমানে জানি আকাশ বলতে আসলে কঠিন কোনো পদার্থ, চাদর বা আবরণ নেই। এটা নীল দেখা যায় কারণ নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বিধায় আকাশে নীল রঙের আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়।যদি বায়ুমণ্ডল না থাকত তবে আকাশকে কালো দেখা যেত।

শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ছিলেন সেদিন রছুল আমার উম্মে হানির ঘরে

এই বেচারা দেখি হাটেই হাড়ি ভেঙ্গে দিচ্ছেন!

নিচের ভিডিও দেখেন

ছিলেন সেদিন রছুল আমার উম্মে হানির ঘরে 

ভিডিও এর 6:10 এ এসে একটু বিব্রত হয়ে পড়লাম। উনি বলছে -

উম্মে হানির ঘরে এল, বিছানা গরম পেল!


যারা ঘটনা জানেন না তাদের জন্য হালকা বলছি। মুহাম্মদের সাথে তার চাচাতো বোন  উম্মে হানির পরকীয়া ছিল বলে জানা যায়। একসময় মুহাম্মদ তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন কিন্তু উম্মে হানির বাবা আবু তালিব রাজি না হওয়ায় সেটা সম্ভব হয়নি। একদিন রাতে মুহাম্মদ উম্মে হানির ঘরে অভিসারে গিয়ে আর ফিরে আসেন নি। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রশ্নের মুখে পড়লে তিনি মেরাজের গাঁজাখুরি ঘটনার বিবরণ দেন। বিস্তারিত জানুন এখান থেকে

রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঈদে মিলাদুন্নবি ও অসময়ে আমার কোরবানিকথন



ঈদে মিলাদুন্নবিতে সুলেমান কাকা গরু শিরনির আয়োজন করিলেন। সে এক এলাহি কারবার। ভোর হইতে মানুষ গমগম করিতেছে। সারারাত হুজুরদের গলা ফাটাইয়া দরুদ পাঠ আর ওয়াজের ঠেলায় একটুও ঘুমাইতে পারি নাই, এদিকে সকাল হইতে না হইতেই এই কাণ্ড। শান্তিতে যে একটু বসিব, তাহারও জো নাই। এদিকে সুলেমান কাকার আশেপাশে না থাকিলে তিনি বড় রকমের শাস্তির ব্যবস্থাও করিতে পারেন ভাবিয়া মনটা থামিয়া থামিয়া কান্দিয়া উঠিতে থাকিল। 

ঘটনা হইল, তাঁহার পিত্তথলিতে পাথর হইয়াছিল। বহু পানি-পড়া, তাবিজ-কবচ করিয়া যখন ব্যর্থ হইলেন তখন সৈয়দপুরের বড় হুজুর বলিলেন, বড়সড় দেখিয়া একটা গরু মান্নত করিতে। তিনি আল্যা-রচুলের নাম লইয়া তাহাই করিলেন। কিন্তু রোগ তো আর সারে না। শেষ পর্যন্ত ইহুদি-খ্রিস্টানদের শিক্ষায় শিক্ষিত বে-ঈমান ডাক্তারদের শরণাপন্ন হইলে তাঁহাকে অপারেশন করানোর জন্য বলা হইল। তিনি প্রথমে রাজি না হইলেও আমাদের সবার অনুরোধে ঢেঁকি গিলিলেন। তাঁহার অপারেশন হইল এবং রীতিমত তিনি সুস্থ হইয়া উঠিলেন। তাঁহার স্মরণ হইল, মান্নতের কথা। তিনি বলিয়া বেড়াইতে লাগিলেন, ডাক্তাররা তাঁহার পিত্ত কাটিয়া ফেলিয়াছে আর বড় হুজুরের দোয়ায় ও গরু-শিরনির বদৌলতে তিনি আরোগ্য লাভ করিয়াছেন। গরু শিরনির মান্নতের কারণে আল্যা খুশি হইয়া তাঁহার রোগ দূর করিয়া দিয়াছে। শুভ দিন দেখিয়া আজ ঈদে-মিলাদুন্নবিতে তাই তাঁহার এ আয়োজন। 

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৭

পাঠকের পাঠশালা-০৩ (পালিত কন্যা ও শাশুড়িকে বিয়ে করা জায়েজ সুরা আহযাব অনুসারে?)

লিখেছেন সুষুপ্ত পাঠক

ইসলাম মতে কোন ব্যক্তি বিয়ে করে সঙ্গমের পূর্বেই যদি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয় তবে সেই স্ত্রীর আগের ঘরের কন্যাকে সে বিয়ে করতে পারবে। একইভাবে পুরুষটির জন্য তার শাশুড়িও হারাম নয় যতক্ষণ পর্যন্ত সে বিয়ে করা স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গম করেনি। শুধুমাত্র বিবাহ বন্ধন দ্বারা শাশুড়ি হারাম হয় না! শেরে খোদা হযরত আলী (রা:) মত দেন, কোন ব্যক্তি যদি কোন মেয়েকে বিয়ে করে সঙ্গম করার আগেই তালাক দিয়ে দেয় তবে তার জন্য সেই মেয়ের মা হালাল। হযরত আলী স্ত্রীর অপর পক্ষের কন্যাকে বিয়ে করা যাবে এই শর্তে মত দিয়েছেন যদি সেই কন্যা নিজগৃহ পালিত না হয়। হযরত আবু বকর ইনবে কিনানা (রা:) তার নিজের জীবনের ঘটনার কথা উল্লেখ করে এ বিষয়ে বলেছেন, তার পিতা তাকে যে মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দেন তার সঙ্গে বাসরঘর হবার আগেই শ্বশুড় মারা গেলে তার শাশুড়ি বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে যান। তখন তার বাবা তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তার মাকে অর্থ্যাৎ শাশুড়িকে বিয়ে করতে তাকে আদেশ দেন। তখন তিনি হযরত ইবনে আব্বাস (রা:)-কে এই বিষয়ে আল্লাহর নির্দেশ কি জানতে চাইলে তিনি মত দেন শাশুড়িকে বিয়ে করা যাবে। কিন্তু যখন হযরত ইবনে ওমর (রা:)-কে একই বিষয়ে তিনি জিজ্ঞেস করে মত চান তখন ওমর বলেন, তুমি তাকে বিয়ে করতে পারো না। দুজন ইসলামি শাস্ত্রবিশারদের এরকম ভিন্ন দুটি মতামত তখন তিনি তার পিতাকে জানন। তার পিতা তখন সেই মত দুটি লিখে খলিফা মুয়াবিয়ার ফতোয়া জানতে পাঠিয়ে দেন। মুয়াবিয়া এই বিষয়ে মত দিতে তার অপারগতা জানিয়ে চিঠি দেন। শেষ পর্যন্ত এই বিয়ে থেকে বিরত থাকাই সিদ্ধান্ত হয় একই বিষয়ে বিতর্কিত মতামত থাকায়। (ইবনে কাথিরের তাফসির, সুরা নিসা, ৪, ৫, ৬, ৭ খন্ড একত্রে, পৃষ্ঠা-৩৩৪)।

কিন্তু বিতর্কের শেষ হয় না। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা:) বলেন, সঙ্গম না হলে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর মাতা ও কন্যাকে বিয়ে করা জায়েজ। হযরত ওমরকে দাসী ও দাসীর কন্যাকে সঙ্গম করা যাবে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি মত দেন, একই বিষয়ে কুরআনে হালাল ও হারাম দুরকম মতই দেয়া আছে। তাই আমি এটা কখনোই করব না। (ইবনে কাথিরের তাফসির, সুরা নিসা, ৪, ৫, ৬, ৭ খন্ড একত্রে, পৃষ্ঠা-৩৩৭)। সম্প্রতি ইরানী শরীয়া আইনে পালিতা কন্যাকে বিয়ে করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এই অনুমতি দেয়ার অন্যতম কারণ হযরত আলীকৃত মাসায়ালাগুলোর মত এই রূপই। কিন্তু আমাদের আলোচনা আসলে এটা প্রমাণের চেষ্টা নয় যে ইসলাম একজন মুমিনকে তার শাশুড়ি ও পালিত কন্যাকে বিয়ে করতে অনুমোদন দেয়। আমি বরং সব ইসলামী সোর্স ঘেঁটে এই মতটাই মেনে নিয়েছি যে, ইসলাম শাশুড়ি ও পালিতা কন্যা বা স্ত্রীর আগের ঘরের সন্তানকে বিয়ে করতে নিষেধ করেছে। যদিও কুরআন এই নিষেধকে শর্ত আরোপ করেছে। যেমন: যদি স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গম না হয় তাহলে স্ত্রীর মাতা ও অপর পক্ষের কন্যাকে বিয়ে করা হারাম নয়। বিষয়টি রুচি ও নৈতিকতার দিক দিয়ে যে কুৎসিত তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবু এটা কুরআনের মন্দের ভালই বলতে হবে।

আল্লাহ বলেন, তোমাদের প্রতিপালিত কন্যারা তোমাদের জন্য হারাম যারা তোমাদের গৃহে পালিত হয়েছে যদি তাদের মাতাদের সঙ্গে তোমাদের সঙ্গম হয়ে থাকে। সহি বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফে রয়েছে উম্মে হাবিবা (রা:) বলেন, হে আল্লার রসূল আপনি আমার বোনের কন্যা ইযযাহকে বিয়ে করুন। জবাবে রসূল্লাহ বলেন, না, সে আমার জন্য হারাম। এরপর উম্মে হাবিবা বলেন, আমি তো শুনেছি আপনি আবু সালমার মেয়েকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন? রসূল্লাহ উত্তর দেন, উম্মে সালমার কন্যা আমার উপর হারাম কারণ তার কন্যা আমার প্রতিপালিতা। আমার ঘরেই সে লালিত পালিত হয়েছে।

শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৭

শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৭

ছাগলে কিনা খায়.?

ক্রিয়েশন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

ছাগলে শুধু আয়াতই খায় না, প্রসাদও খায়। অতএব তুমরা ছাগলের আর কুন কুন অবদানকে অস্বীকার করিপে?


      আপনি ছাগল না হলে দেখা মাত্র শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা-১৪

পাঠিয়েছেন ইমানুল হক

১৬.
গিরামে ইন্দুগের লাই বাস করাই কষ্ট অই যাইচ্চে। আইজ মগরিবের লমাজের কালে দাড়াইচি জায়লমাজে। সূরা ফইত্তে ফইত্তেই হডাৎ কানের মদ্দি বাজি উটলো ডং ডং করি শব্দ। ওরে মাবুত, সূরাডাই গেলাম বুলে। কুন চুদিরফুতে যানি গন্টা বাজাইচ্চে। বুইজলাম যে ইডা আমাগের ফাশের ফুর্বমুরার ইন্দু বাড়ির তেকেই আইস্তেচে। মেজাজডা গেল চড়ি। লমাজ বাদ দি থুই তাত্তারি উডলাম, "হালার মালোয়ানের ফুতেরে আইজ কাইছি। হালার ফু হালা। ইচলামিক কানটিতে তাকস, আবার ফূজা-মূজা কিরে? অয় মুচলমান অবি নয় জিজিয়া কর দি তাইকবি।" (তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। সূরা: আত তাওবাহ: ২৯) বাসাততে বের অইতেই দেহা অইলো তারিকুল হুজুরের সাত। বইল্যাম "হুজুর চলেন মালুগের আজ দইরমু। হালারফুতেগো জ্বালায় নমাজ ফইত্তে পারি না। আল্লা-কুদার সূরা ফত্তে গি বূল অই যায়। বিদর্মিগের অত্যাচার আর কদ্দিন সইজ্জ্য করমু? হালারফুতেগের ফূজা আইজ ছুটামু চলেন।" হুজুর কইলেন, "যুদি বাঞ্চুতগের তারাইবার ফারি তালি কিন্তু গনিমতের মালের বাগ আমাক বেশি দিতে অবি।" (আল্লাহ তোমাদেরকে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধলব্ধ সম্পদের ওয়াদা দিয়েছেন, যা তোমরা লাভ করবে। তিনি তা তোমাদের জন্যে ত্বরান্বিত করবেন। তিনি তোমাদের থেকে শত্রুদের স্তব্দ করে দিয়েছেন-যাতে এটা মুমিনদের জন্যে এক নিদর্শন হয় এবং তোমাদেরকে সরল পথে পরিচালিত করেন। সূরা: আল ফাতহ: ২০)। 

বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

ইসলাম শিক্ষা-৩ ( চিকিৎসা শাস্ত্র )

পাঠিয়েছেন নিরানব্বই

 
সহিহ বুখারী :: খন্ড ৮ :: অধ্যায় ৮২ :: হাদিস ৭৯৪:
আলী ইব্ন আবদুল্লাহ্ (র) ... আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উকল গোত্রের একদল লোক নবী (সা) এর নিকট উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করল। কিন্তু মদীনার আবহাওয়া তাদের অনুকূল হলনা। তাই তিনি তাদেরকে সাদাকার উটপালের কাছে গিয়ে সেগুলোর পেশাব ও দুগ্ধ পান করার আদেশ করলেন। তারা তা-ই করল। ফলে সুস্থ হয়ে গেল।

মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭

মুহাম্মদের চিঠি-১২: উম্মে হাবিবার দুর্ব্যবহার ও নবীর আদর্শ! কুরানে বিগ্যান (পর্ব- ১৭৩): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – একশত সাতচল্লিশ

লিখেছেন গোলাপ

(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে) (ইন্টারন্যাল লিংকে যাতায়াতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে: সমাধানের চেষ্টা চলছে; আপাতত প্রক্সি ব্যবহারে লিংকে গমন সহজ হবে)

"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।"

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) আবিসিনিয়ার শাসনকর্তা আল-নাজ্জাসীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন ৬২৭ সালের শেষার্ধে (পর্ব-১৭০), আর তিনি তাঁর অনুসারীদের আবিসিনিয়ার হিজরত করার আদেশ জারী করেছিলেন ৬১৫-৬১৬ খ্রিস্টাব্দে। মুহাম্মদের ধর্মে দীক্ষিত না হওয়া সত্বেও আবিসিনিয়ার শাসনকর্তা নাজ্জাসী তার রাজ্যে আগত এই নব্য ইসলাম অনুসারীদের শুধু যে আশ্রয় প্রদান করেছিলেন তাইই নয়, তিনি তাদের প্রতি কীরূপ হৃদ্যতা প্রদর্শন, সহানুভূতিশীল ও সহনশীল আচরণ করেছিলেন; মুহাম্মদের এই চিঠি-টি পাওয়ার পর নাজ্জাসী কী ভাবে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন; তিনি তার পুত্রের সঙ্গে যে সত্তর জন আদি ইথিওপিয়াবাসীদের (আল তাবারী: '৬০জন ইথিওপিয়ানদের একটি দল’ [1]) মুহাম্মদের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন, পথিমধ্যে তাদের কী পরিণতি হয়েছিল; ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

আল-তাবারীর (৮৩৯-৯২৩ খ্রিস্টাব্দ) বর্ণনার পুনরারম্ভ: [1]
‘মুহাম্মদ বিন উমর (আল-ওয়াকিদি) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: 'আল্লাহর নবী নিগাসের কাছে এই মর্মে খবর পাঠান যে তিনি যেন আবু সুফিয়ানের কন্যা উম্মে হাবিবার সঙ্গে তাঁর [নবীর] বিবাহের ব্যবস্থা করেন, অতঃপর তিনি যেন তার ওখানে যে মুসলমানরা আছে তাদের সঙ্গে তাকে তাঁর কাছে পাঠিয়ে দেন। বিবাহের এই প্রস্তাব-টি উম্মে হাবিবা-কে জানানোর জন্য নিগাস তার এক ক্রীতদাসীকে তার কাছে প্রেরণ করেন, যার নাম ছিল আবরাহা (Abrahah)। এই খবরটি শোনার পর উম্মে হাবিবা আনন্দে এতই আত্মহারা হয়ে ওঠেন যে তিনি আবরাহা-কে তার কিছু রুপার অলংকার ও একটি আংটি প্রদান করেন।

নিগাস উম্মে হাবিবা-কে আদেশ করেন যে তিনি যেন তার পক্ষে কোন এক লোককে তার প্রতিনিধিরূপে নিযুক্ত করেন, যে তাকে বিবাহ দেবে। তাই তিনি [উম্মে হাবিবা] খালেদ বিন সাইদ বিন আল-আস (Khalid b. Said b. al-As) কে তার পক্ষে নিযুক্ত করেন। সে তাকে বিবাহ দেয়: আল্লাহর নবীর পক্ষে কথা বলে নিগাস ও (উম্মে হাবিবার পক্ষে) কথা বলে খালিদ, সে উম্মে হাবিবা-কে বিবাহ দেয়। নিগাস নববধূ-কে ৪০০ দিনার উপহার স্বরূপ দেবার ঘোষণা করেন ও তিনি তা খালিদ বিন সাইদের কাছে হস্তান্তর করেন। যখন এই অর্থ উম্মে হাবিবার হাতে পৌঁছে, আবরাহা ছিল সেই মহিলা যে এটি তার কাছে নিয়ে এসেছিল, উম্মে হাবিবা তাকে ৫০ মিথকাল (mithqal) প্রদান করেন ও বলেন, "যখন আমার কাছে কিছুই ছিল না তখন আমি তোমাকে ওগুলো (ওপরে উদ্ধৃত 'রুপার অলংকার ও একটি আংটি') প্রদান করেছিলাম, কিন্তু পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহ এখন এগুলো আমার জন্য এনেছে!" [2]

আবরাহা বলে, "রাজার আদেশ এই যে আমি যেন আপনার কাছ থেকে কোন কিছু না নেই ও যে জিনিসগুলো আমি নিয়েছি, তা যেন আপনাকে ফেরত দিই" - অতঃপর সে তাকে তা ফেরত দেয়। [বলে] "রাজার দেয়া অলঙ্কার ও পোশাকই আমার জন্য যথেষ্ট। আমি বিশ্বাস করি যে মুহাম্মদ আল্লাহর প্রেরিত রসুল ও তাঁর প্রতি আমার আস্থা। আপনার প্রতি আমার একমাত্র অনুরোধ এই যে, আপনি তাঁকে আমার সালাম জানাবেন।" উম্মে হাবিবা বলেন যে তিনি তা করবেন। (আবরাহা বলে) "রাজা তার স্ত্রীদের এই আদেশ করেছেন যে তাদের কাছে যে ঘৃতকুমারী কাঠ ও অম্বরের সুগন্ধি আছে, তারা যেন তা আপনার কাছে পাঠিয়ে দেয়।" আল্লাহর নবী উপলব্ধি করেন যে এগুলো তিনি [উম্মে হাবিবা] ব্যবহার করেন ও তার বাসস্থানে মজুদ রাখেন; কিন্তু তিনি তা অপছন্দ (disapprove) করেন নাই।'

সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০১৭

সৌদি আরব কি ইসলামী সন্ত্রাসীদের পক্ষে না বিপক্ষে? শেষ পর্ব- (সৌদি আরবে অ মুসলিমদের কী অবস্থা?)

মূল: খালেদ ওলীদ
অনুবাদ: আবুল কাশেম
 
[ভূমিকা: ডিসেম্বর, ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিল মাসে খালেদ ওলিদের লেখা ইসলাম পরিত্যাগের জবানবন্দি, সৌদি নারীদের অবস্থা, এবং ইসলামী সন্ত্রাসির অনুবাদ করেছিলাম। তখন লিখেছিলাম খালেদ আমাকে অনেক ই-মেইলে সৌদি আরবের ইসলাম সম্পর্কে লিখেছিল। এখানে আমি তার আর একটি লেখা অনুবাদ করে দিলাম। উল্লেখযোগ্য যে, খালেদের কয়েকটি লেখা একটা বইতে প্রকাশ হয়েছে। বইটার টাইটেল হলো: Why We Left Islam.

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, খালেদের ই-মেইলের এটাই আমার শেষ অনুবাদ। খালেদ ইসলাম ও সৌদি আরব সম্পর্কে আমাকে আরো অনেক ই-মেইল দিয়েছিল, কিন্তু সময়ের অভাবে আপাতত সেগুলোর অনুবাদ আমি করছি না। ভুলভ্রান্তি থাকলে জানিয়ে দেবেন।

আবুল কাশেম]



এই রচনায় আমি দেখাব, আমরা, অর্থাৎ সৌদিরা, অ‑মুসলমানদের প্রতি কীরূপ আচরণ করি।



প্রথমেই বলতে হচ্ছে, আমরা বিধর্মীদের প্রতি সর্বদাই নির্মমভাবে অপব্যবহার করি। এদেরকে আমরা শুকর ও বানরের নাতি‑নাতনি আখ্যায়িত করি, একেবারেই খোলাখুলিভাবে, বিশেষত মসজিদের ভেতরে।



সৌদি আরবে ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মের প্রতি বিন্দুমাত্র সম্মান দেখান হয় না। সৌদি সরকারী নীতি হচ্ছে: ইসলাম ব্যতীত অন্য সব ধর্মই মিথ্যা; শুধুমাত্র ইসলামই সত্যিকার ধর্ম। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য গোঁড়ামিপূর্ণ সৌদি সরকারের নীতি হচ্ছে, যে কোনো প্রকারেই হোক যতবেশি সম্ভব, এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিধর্মীদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করতে হবে। সেজন্য অ‑মুসলিমদের ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে সরকারের এবং ধর্ম দপ্তরের একটি প্রধান সক্রিয় ক্রিয়াকলাপ। যে সব বিধর্মী ইসলাম গ্রহণ করে, তাদেরকে আমাদের সরকার ঢালাওভাবে পুরস্কৃত করে থাকে। এই প্রক্রিয়াকে উৎকোচ দ্বারা অ‑মুসলিমদের ইসলামে প্রবেশের রাস্তা প্রদানই বলা চলে। অনেক ক্ষেত্রে বিধর্মীদের ওপর এমন জোরজবরদস্তিও চালান হয়—যাতে কোনো কোনো বিধর্মীর ইসলামে প্রবেশ ছাড়া গত্যন্তর থাকে না। যেহেতু সৌদি আরবে অ‑মুসলিমদের জঘন্য প্রাণী হিসেবে গণ্য করা হয়, তাই যে সব ইসলামী ধর্ম প্রচারক এবং খাদেম ওইসব ঘৃণীত পশুসম বিধর্মীদের ইসলামে দীক্ষিত করে, তাদেরকে সরকারীভাবে প্রচুর উপঢৌকন দেওয়া হয়।



সৌদি আরবে অ‑মুসলিমদের প্রতি অবাধ বৈষম্য ও বিরাগ একেবারে সোজাসুজিভাবে প্রকাশ করা হয়। এই বৈষম্যের সূত্রপাত হয় আকামা অথবা পরিচিতি পত্রের দ্বারা: যেমন লাল পরিচিতি পত্র (লাল কার্ড) হচ্ছে অ‑মুসলিমদের জন্যে এবং সবুজ পরিচিতি পত্র (সবুজ কার্ড) হচ্ছে মুসলমানদের জন্যে। মুসলিম এবং অ‑মুসলিমদের কর-প্রথাও ভিন্ন রকম। সভ্য জগতে এ প্রক্রিয়াকে দেখা হবে খোলাখুলি, পরিষ্কার এবং অতি সতর্কভাবে প্রণীত সরকারী জাতিবিদ্বেষী নীতিমালা হিসেবে। আমার মনে হয়, সৌদি আরবের এই নীতিমালা অতি সহজেই অধুনালুপ্ত দক্ষিণ আফ্রিকার জাতিবিদ্বেষী নীতিকে হার মানায়।



সৌদি আরবে বিধর্মীদের উপস্থিতি কোনোরকমে শুধুমাত্র বরদাস্ত করা হয়। এখানে অ‑মুসলিমদের ধর্মের আচার অনুষ্ঠান অথবা উপাসনালয় তৈরির কোনো অধিকারই নেই। একজন সৌদির উপস্থিতিতে কোনো বিধর্মীর তার ধর্মের রীতি, প্রথা অথবা আচার প্রকাশ করা নিষেধ। এমনকি কোনো সৌদির উপস্থিতিতে অ‑মুসলমানরা একে অপরকে সাদর সম্ভাষণ জানাতে পারে না। কোনো বিধর্মীর যদির বুকের পাটা থাকে যে, সে এই সব নিয়মকানুন বরখেলাফ করবে, তবে তাকে অবিলম্বে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হয়। সৌদি আরবে কোনো অ‑মুসলিম কোনোক্রমেই একজন মুসলিম নারীকে বিবাহ করতে পারে নাএটা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। বে‑সৌদিকে, তা জন্মসূত্রেই হোক অথবা স্বাভাবিকীকরণে (নেচারালাইজ্‌ড) হোক, সৌদি নাগরিকত্ব দেওয়া হয় না। আজকাল অবশ্য এই কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করা হয়েছে, কিন্তু এক অ‑মুসলিম কোনোক্রমেই সৌদি নাগরিকতা পাবে না।

শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

পাঠকের পাঠশালা-০২ (নবীর জীবনীতে ক্ষুব্ধ হয় কেন মুসলমানরা?)

লিখেছেন সুষুপ্ত পাঠক

বইমেলাতে ইসলামী ফাউন্ডেশনের স্টল আছে। এটা ছাড়াও বেশ কিছু ইসলামী প্রকাশনীর স্টল দেখা যায়। এসব স্টলে ইমাম বুখারী, মুসলিম, তিরমিজি’র হাদিস, ইবনে হিশাম ও ইসহাকের নবী জীবনী সুলভে মিলে। পুলিশ প্রসাশন থেকে এবার বলে দেয়া হয়েছে, ধর্মীয় অনুভূতি বা গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব সৃষ্টিতে উসকানি দেয় এমন বই প্রকাশের ওপর নজরদারি করবে পুলিশ। উপরে যে বইগুলোর কথা বললাম সেগুলোতে ইহুদীদের প্রতি চরম ঘৃণা, অভিশাপ, উশকানি, হত্যার বৈধতা পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে। মূর্তিপুজারীদের একইভাবে আক্রমন করা হয়েছে। এই বইগুলো পড়লে যে কোন অমুসলিম ধর্ম বিশ্বাসীর মনে আঘাত লাগার কথা। সবচেয়ে বড় কথা মুসলমানরা প্রগাঢ় বিশ্বাস থেকে এই বইগুলি পড়লে একজন ইহুদী-খ্রিস্টানকে, একজন হিন্দু-বৌদ্ধকে চরম ঘৃণার চোখে দেখবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং ইতিহাসবিদ মুনতাসির মামুন বিসিসি’র কাছে বলেছেন, যে কোন ধর্মকে কটাক্ষ করে কিংবা অবমাননা করে কোন লেখা সমর্থনযোগ্য হতে পারেনা। মামুন স্যার ইবনে হিশাম পড়েছেন নিশ্চয়? একজন ইতিহাসবিদ হিসেবে উনার কাছে বনু কুরাইজা ঘটনাকে গণহত্যা নাকি ম্যাসাকার মনে হয়েছে? উনি কি ইসলামী ফাউন্ডেশনের স্টলে বিক্রিত বইগুলোকে সমর্থনযোগ্য মনে করেন?


ইবনে হিশামের ‘সীরাতুন নবী’ যদি অবাধে বিক্রি হতে পারে তাহলে আলী দাস্তিরের ‘নবী মুহাম্মদের ২৩ বছর’ কেন নিষিদ্ধ হবে? ইবনে হিশাম, ইসহাক, ইমাম বুখারীতে ইহুদী কন্যা সাফিয়া ও তার বোনকে টেনে হেঁছড়ে নবীর কাছে আনার দৃশ্য’র বর্ণনা আছে। সাফিয়ার কাজিন যখন চিৎকার করে কাঁদছিল তখন নবী হংকার দিয়ে বলেছিল, এই ডাইনিটাকে আমার সামনে থেকে দূর করে নিয়ে যাও! বনু কুরাইজার ৭০০ বালক আর পুরুষকে হত্যা করে গর্তে মাটি চাপা দেয়ার বর্ণনা ইবনে হিশামে আছে। ইহুদী নারীদের ক্রীতদাসী বানানো, তাদের গণহারে রেপ করার রগরগে বর্ণনা সীরাতের মত নবী জীবনীগুলো থেকেই জানা যায়। খুব সহজেই এসব বই ইসলামী ফাউন্ডেশনের স্টল থেকে যে কেউ কিনতে পারবে। এমনকি কোলকাতার বইমেলাতে বাংলাদেশ সরকার এইসব বই বিক্রি করার জন্য ইসলামী ফাউন্ডেশনকে সেখানে পাঠিয়েছে। কি করে অমুসলিমদের দাসে পরিণত করে তাদের নারীদের গণিমতের মাল করে মুসলমানরা ভোগ করবে তার জন্য বুখারী শরীফে আলাদা চ্যাপ্টার আছে। মূর্তি ভাঙ্গার জন্য আমি পৃথিবীতে এসেছি- এমন প্রতিক্রিয়াশীল উক্তি এসব বইতে থাকার পরও এগুলো ‘ধর্মীয় অনুভূতি বা গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব সৃষ্টিতে উসকানি’ দেবে না?

বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

“সংক্ষিপ্ত কুরআন”-০১ (ইবুকের ভূমিকা ও শুরুর চার কারণ)

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ
ভূমিকা

“শোনো এভাবে তুমি সত্যটা বুঝতে পারবে না!
সত্যিকারের ইসলামকে জানতে হলে কোরআন বুঝে পড়তে হবে!”

এমনটাই বলেন মডারেট মুমিন ও মুক্তচিন্তার মানুষেরা! কিন্তু কোরআন কি ধারাবাহিকভাবে পড়লেই বোঝা সম্ভব? এমনকি আট/দশ'টি তাফসীর (ব্যাখ্যা) গ্রন্থ বগলে নিয়ে ‘সূরা ফাতেহা’ থেকে ‘সূরা নাস’ পর্যন্ত পড়লেই কোরআন তার সকল রহস্য উন্মোচিত করে সহজবোধ্য হয়ে যাবে! এমনটা যারা ভাবেন, তারা নিজেরা কখনই বিষয়টি চেষ্টা করে দেখেননি! তাই এই লাইনটি শুনে কারও মেজাজের বিচি যদি সপ্তমে উঠে যায়, তবে কী করার থাকতে পারে!

২০০৮ সাল থেকে কোরআনের সহজবোধ্যতা নিয়ে মাথা ঘামানো শুরু করি, প্রথমেই চেষ্টা করতে শুরু করি কোরআনকে অবতীর্ণ হবার ধারাবাহিকতা অনুসারে সাজাতে; মোটামুটি ২০১৬-এর শুরুতে কাজটি শেষের দিকে আনতে পারি! ‘ধর্মকারী’-তে ১৮ জুন, ২০১৬ থেকে ‘কোরআন যেভাবে অবতীর্ণ’ শিরনামে সিরিজ আকারে প্রকাশ শুরু হয় তার। সিরিজের ২০ তম পর্বে এসে উপলব্ধি হয়, কোরআন অবতীর্ণ হবার ক্রমাণুসারে পড়াটাও বিরক্তিকর এবং একঘেয়ে; একান্ত কোরআন গবেষক ছাড়া এভাবে কোরআন পড়া ও বোঝা, মুখে শুকনো আটা চিবানোর মত ক্লান্তিদায়ক!

প্রবল ভাবনা চেপে ধরে মাথার ভেতর; কিভাবে পুরো কোরআন’কে একটি উপন্যাস পাঠের আনন্দে বোঝা ও পাঠ করে শেষ করা সম্ভব, তার হদিস খুঁজতে শুরু করি; সংগ্রহে থাকা প্রায় ২ টেরাবাইট ইসলামী ইবুক, গবেষণাপত্র, ভিডিও ডকুমেন্টারি এবং ব্যাক্তিগত বইপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে এক চমৎকার আইডিয়া খেলে যায় মস্তিস্কে! মাত্র ৪৮ ঘন্টায় ৩৫০০ পৃষ্ঠা ‍প্রিন্ট করি প্রিন্টারে; লিখতে শুরু করি কোরআন নিয়ে এক সহজবোধ্য উপন্যাস “সহজ কুরআন”

“সহজ কুরআন” ২০০ পৃষ্ঠা লেখার পর পূণরায় উপলব্ধি হয় (উপলব্ধির পর উপলব্ধি! উপলব্ধির জাহাজ!) পুরো কোরআন উপন্যাস আকারে শেষ করতে প্রায় ৭০০ পৃষ্ঠার মত লিখতে হবে! যা লম্বা সময় না নিয়ে শেষ করা আমার জন্য কিছুটা কঠিন (পেশা জনিত কারণে প্রতিদিন ১২ ঘন্টা ব্যস্ত থাকে নাপিত!); তাই সেটিকে ২০১৮ সালের প্রকাশ তালিকায় পাঠিয়ে দিয়ে নতুন করে শুরু করলাম “সংক্ষিপ্ত কুরআন’’ এটিকে পুরো কোরআনের একটি মিনিপ্যাক সংস্করণ বলা চলে, আপনি ইবুকটি পাঠ শেষ করার পর কোরআনের আলোকে মুহাম্মদের মনোজগতের একটি রূপরেখা পেয়ে যাবেন; কোরআনের মূল বিন্যাস, বক্তব্য ও অবিন্যস্ততা অনেকটাই সহজবোধ্য হয়ে যাবে এবং আপনি যদি কোরআন নিয়ে বেশী সচেতন/জটিল/গবেষক পাঠক হয়ে থাকেন, তবে পুরো কোরআনের উপন্যাস “সহজ কুরআন” পাঠের আশায় অপেক্ষা করতে থাকবেন!

শুভেচ্ছা;
নরসুন্দর মানুষ

শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০১৭

ইসলাম শিক্ষা -২

পাঠিয়েছেন নিরানব্বই

হুজুরঃকি শিখলি আজকে?বল দেখি......।
কুদ্দুসঃইন্না আ তুয়াইনা কাল কাওসার............।। (১মিনিটে )
হুজুরঃবলার সময় একটু সময় নিয়ে সূর করে বলতে হয়...।
কুদ্দসঃআচ্ছা্‌,কাল থেকে বলব।
            .....পর দিন
কুদ্দসঃহুজুর আপনার ছেলে পানিতে পরিয়া মরিয়া যাচ্ছে......(৫মিনিট সময় নিয়ে)
হুজুরঃঅরে মগা,বাংলা ও সূর করে বলতে বলছি,