আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বোরখাতেও আছেন, বিকিনিতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি জলাশয়েও আছেন, মলাশয়েও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি উটমূত্রেও আছেন, কামসূত্রেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি আরশেও আছেন, ঢেঁড়শেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি হাশরেও আছেন, বাসরেও আছেন

শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

বুল করাসেন আল্লায় সুদরাইব মুল্লায়...!!!

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

আজিয়া যুহরের নমাজ ফডি কুসি মনে মুসকি হাসি হাসি গেরামের সলিমুল্লা বাইর বাইত্তে জিয়াফত কাইতে যাইতেসিলাম ।আহ অনেকদিন ফর আজিয়া একডু বালামন্দ গরুর গুস্ত কামু!! বাইবতেই জিবে ফানি সলি আইসতে সিল।  এমুন সুময় গেরামের নতন ইংলিস সিক্কিত যুবক সালেহিন সালাম দি ফত আগলাই দারাইল।  তা হুজুর এত মুসকি হাসি হাসি কুতায় যাসসেন? এই ত সলিমুল্লা বাই সেলেডার আজিয়া সুন্নত কাম করানু হবি,  আমার জিয়াফত আচে। ওহ!! এমুন সুময় হারামজাদায় বলি উডল " বুল করাসেন আল্লায় সুদরাইব মুল্লায়" । কি বইল্লা এত বড় সাহস তমার!! নতন সিক্কিত হয়াস না? আল্লায় আবার বুল করে কেবা করি?? হেতি কয় হুজুর আল্লায় এত সন্দর করি মানস সিসটি কইল্লেন, সাতে তার সেং বা নুনুর আগাডা ও কুব সন্দর করি সামরা দি ডাকি দিলেন।  এরফর ফিতিবিত ফাডাই দিলেন, ফিতিবিত ফাডানুর ফর আল্লার মুনে অইল যে নুনুর আগার সামড়া ডা অফ্রয়জনিয়! ! তাই তিনি নতুন করি নিরদেস দিলেন নুনুর আগার সামরা কাডি ফেলাও । 

আমি বইল্লাম এই সামরার কুনু দরকার নাই, তাই আল্লা কাডি ফেইলতে বইলসেন।  হেতি কয় হুজুর এই সামড়ার যে কুনু দরকার নাই মানুস বানানির সুময় কি আল্লার মুনে সিল না?? একন আল্লার বুল আফনারা সামরা কাডি সুদরাইতেসেন।  আমি বইল্লাম দেক আল্লা ফ্রয়জুন সারা কুনু কিসু সিসটি করেন না, সিসুর সুটুকালে  নুনুর সামরার কুনু ফ্রয়জন উফকার সিল বল হয়ত আল্লা তা বানাইসেন।  আল্লা ফ্রয়জন সারা কিসু বানান না?? আমি বইল্লাম না।  হেতি কয় হুজুর তাহলি আল্লায় ফুরুস মাইন্সের নিপল দিসেন কেন? নিপল কি? হেতি কয় হুজুর সেলেদের ইস্তনের বুটা।  অহ তা হুজুর সেলেদের ইস্তনের বুটা সেলেদের কি কামে লাগে?? হারাজিবনেও ত কুনু কামে লাগে না। তাহলি আল্লা এই অফ্রয়জনিয় বুটা সেলেদের দিলেন কেনু? আর এই অফ্রয়জনিয় জিনিস নুনুর সামরা মত কাডি ফেইলতে বইল্লেন না কেন?? এই সেলের কতা সুনি মেজাজটাই কারাফ হইগেল। কি উত্তর দিব বেবে ফাচ্চিলাম না, তাক বইল্লাম আমার একন সুময় নাই কাইলকে মজ্জিদে আইস উত্তর দিব নে।  

এই বলি সলি গেলাম। কিনত সলিমুল্লা বাইর বাইত্তে জিয়াফত এর গুসত সাবাইতে সাবাইতে আবার মনেফডি গেল আসলেই ত আল্লা সেলেদের নুনুর আগার সামড়া আর ইস্তনের বুটা কেনই বা সইল্লে দি দিলেন?? আর দেওয়ার ফরে একডা কাডি ফেইলতে বইল্লেন আরেকডার কতা কিসুই বইল্লেন না?? সিন্তা কইত্তেসি আর সিন্তা কইত্তেসি......। অই আমার মাতা গুরান্টি দিতেসে.....কেউ একডু ফানি দে .....

শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৭

নবি মোহাম্মদ কি মুর্তি পুজারী ছিলেন?

তিরমিজি , হাদিস -৮৭৭: ইবনে আব্বাস বর্নিত, নবী বলেছেন , কাল পাথর যখন বেহেস্ত থেকে পতিত হয় তখন তা দুধের চাইতেও সাদা ছিল। মানুষের পাপ মোচনের ফলে সে কাল হয়ে গেছে।
তিরমিজি, হাদিস -৯৫৯: ওমর বর্নিত , আমি নবীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন , কাল পাথর ও রুক ইয়ামানী উভয়কে স্পর্শ করলে মানুষের পাপ মোচন হয়।

উক্ত বিধান মেনে মুহাম্মদ কাবা ঘরে যেতেন , সেটাকে কেন্দ্র করে সাত পাক ঘুরতেন , অতি ভক্তি সহকারে কাল পাথরকে চুম্বন করতেন। কারন অন্য সবার মত তিনিও ছিলেন পাপী। আর সেই পাপ মোচনের জন্যেই কাল পাথরকে চুম্বন করতে হতো। মুহাম্মদ যে পাপী ছিলেন , তা জানা যায় কোরানেই -
সুরা আল মুমিন- ৪০: ৫৫: অতএব, আপনি সবর করুন নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আপনি আপনার গোনাহের জন্যে ক্ষমা প্রর্থনা করুন এবং সকাল-সন্ধ্যায় আপনার পালনকর্তার প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করুন।
সুরা আল ফাতহ- ৪৮: ২: যাতে আল্লাহ আপনার অতীত ও ভবিষ্যত পাপসমূহ মার্জনা করে দেন এবং আপনার প্রতি তাঁর নেয়ামত পূর্ণ করেন ও আপনাকে সরল পথে পরিচালিত করেন।

বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৭

পাঠকের পাঠশালা-০৪ (কুরআন অনুযায়ী দাসী সেক্স বৈধ!)

লিখেছেন সুষুপ্ত পাঠক

এক জিনিস নিয়ে বার বার  লেখার মত বিড়ম্বণা আর কিছুতে নেই। তবু এই অসীম ধৈয্যের কাজটি আমাকে করে যেতে হচ্ছে। অগুণতি মানুষের জিজ্ঞাসা মেটাতে এবং কিছু অন্ধ গোঁয়ার মানুষ যখন প্রলাপ বকার মত ‘এসব ইসলামে নেই’ বলে দাবী করে তখন নিজেকে নিবৃত করে রাখা খুব কঠিন। সম্প্রতি সৌদি আরবে ১৫০০ বাংলাদেশী নারী শ্রমিক তাদের সৌদি মালিকের লালসার স্বীকার হয়ে দেশে ফেরে। জানা যায় অকথ্য যৌন নির্যাতনের কথা। এমনটা যে সৌদি পুরুষরা কুরআনের সুরা নিসার ২৪ নম্বর আয়াত দ্বারা করে থাকে সেটা না জানলে ইসলামের জন্মভূমি হয়ে কেমন করে সৌদিয়ানরা এতখানি লম্পট হয় বলে হিসাব মেলাতে পারবেন না…। আজ তাই ফের সুরা নিসা এবং তার প্রসিদ্ধ তাফসির (ব্যাখ্যা এবং আয়াত নাযিলের কারণ) আপনাদের কাছে হাজির করছি। এই বিষয় নিয়ে আর লেখার ইচ্ছা আপাতত নেই। তাই লেখাটা সম্ভব হলে শেয়ার করার চেষ্টা করবেন।

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭

সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৭

কুদরতিক্রিয়া- ২১

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

৫১.
আজিয়া জুহরের নামাচের অয়াক্তে অযু ফরার জইন্ন মাদেসার ফুকুর গাটে গেসি।  গিয়া দিকি মাদেসার ফুকুরের ফানি ফুলাপাইন লাফাই লাফাই গুচল করি গুলা করি ফেইলসে।  এই দিকে সিতকালে গাটের ফানি আবার সুকাই যায়, অযু করার জইন্ন আতের নাগালে ফাওয়া যায় না।  তাই সিন্তা কইল্লাম একন তেকে কিসুদিন আর মাদেসার ফুকুরে অযু কইরব না।  আমাগের মজ্জিদের অল্ফ কাসের ইন্দু বারিতে বরো এক্কান দিগি আচে, অইকানেই অযু কইরব।  তো সইল্লাম ইন্দু বারির দিগিতে অযু ফইত্তে।  দিগিতে ফুউসানুর কিসু আগেই সুইনতে ফাইলাম ইন্দু মেয়েসেলেদের হালকা সিতকার হইহুল্লুর। মনেকয় গুচল কইত্তে যাই জলকেলি কইত্তেসে।  বাইবলাম অইদিকে চুক দিব না।  

শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা- ১৫

পাঠিয়েছেন ইমানুল হক


আল্লার আদেসে বিষ্টিত বিজি, দুই তিন দিন দরে জ্বরে বুইগতেচি। বিচানা চারি উটতে ফাইচ্চি না। সহালে ফাডাইচিলাম গেদ্দু মিয়ারে আমাগের বদরু মলানার (মোহাম্মদ মাওলানা বদরুদ্দীন) কাচে ফরা ফানি আইন্তে। কিন্তু ফানি ফরা কাই, জ্বর কমনের কুনো বাবই দেইক্তেসিনা। আল্লা তুমি আমাক কেন এত কডিন পরিক্কা নিচ্চ আল্লা! ও মাবুত আমি যে আর সইয্য কইত্তে ফাইত্তেসি না। আমি কম্বলের তলে বইসে জ্বরে কুকাইচ্চি। আর সুদু মলানার দেওয়া ফরা ফানি কাইচ্চি। ফাসে বসে হালিমা ফানি ডাইলচে আর ডাইলচে মজ্জিনা আর জরিনা বইস্যা কান্নাকাডি কইত্তেসে। আমি বাইবতেচি এই কয় দিন জরে ফরি বিবিদের আদর সোহাগ কইত্তে ফাচ্চি না। এর মদ্দি গরে ডুকল রইচ মুন্সি আর সাত দিকি আবার মেম্বারের ফুলাক নি আইসচে। উনাদের দেকি বিবিরা আড়ালে চলি গেল। রইচ মুন্সি আমার ফাসে এসে বইসলেন আর মেম্বারে ফুলা এসে আমার মাতায় আত দিলো। মেম্বরের ফুলা আমারে কয়, "চাচা, আপনের সরিলের অবস্তা দেহি বালা না। জ্বর ত সারা সরিলে চইল্যা গেসে, মুনকয় ১০৪ ডিগ্রির কম না। রইচ চাচা উনাক তাত্তারি দরেন। গঞ্জের ডাক্তারের দুকানে নি যাই।" আমি বইল্যাম, "না বাবা আমি কুতাও যামু না। আল্লা আমাক পরিক্কা নিচ্চে বাবা। আদীসে আচে, আবু জামরাহ জুবাই অইতে বন্যিত, তিনি বলেন, আমি মক্কায় ইবনে আব্বাস এর নিকট বইসতাম। একদিন আমি জ্বরে আক্রান্ত অইলাম, তকন ইবনে আব্বাস বলিলেন, তুমার সরীলের জ্বর যমযমের পানি দ্বারা শীতল কর। কেননা হুযুর বলিয়াচেন, জ্বর দোজখের তেজ অইতেই অইয়া থাহে। তাই তা পানি দ্বারা কিংবা বলিয়াচেন যমযমের পানি দ্বারা শীতল কর। সহি বুখারী হাদিস, বই-৫৪, হাদিস-৪৮৩। আয়শা অইতে বন্যিত,জ্বরের তাপ দোজখের তাপ অইতেই আসে, তাই তা পানি দ্বারা ঠান্ডা করতে অয়। সহি বুখারি হাদিস, বই-৫৪, হাদিস-৪৮৫। ইবনে ওমর অইতে বন্যিত, হুযুর বলিয়াচেন, জ্বরের তাপ আসে দোজখের তাপ অইতে। তাই তা পানি দিয়ে প্রশমন কর। সহি বুখারী হাদিস , বই-৫৪, হাদিস-৪৮৬।"

শুক্রবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৭

হাস্যকোরান ৩: আল্লাহপাক সাংঘাতিক, আল্লাহকে ভয় করো!


পর্ব এক, দুই


আমাদের পাড়ায় বেয়াদপ টাইপের ব্যাপক পড়ুয়া এক বড় ভাই ছিলেন, নাম জামাল। আমাকে বেশ আদর করতেন। হুজুরদের সাথে যখন তর্ক করতেন তখন মনে হত তিনি কোরান, হাদিস আর তফসিরে পণ্ডিত। তবে তাঁর একটা সমস্যা ছিল। কখনো নামাজ পড়তেন না, রোজা রাখতেন না।

একদিন বড় হুজুরকে সঙ্গে করে সবাই দল বেঁধে উনাকে বোঝাতে গেল।
হুজুর বললেন, তুমি কি একদিনও আর নামাজে আসবে না, এমনকি জুম্মার নামাজ আর ইদের নামাজেও না?

তিনি নির্বিকারভাবে জবাব দিলেন, না!
হুজুর অত্যন্ত কর্কশ গলায় জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি আল্লাকে ভয় করো না?
জালাল ভাই বললেন, আল্লা কি বাঘ-ভল্লুক যে তারে ভয় পেতে হবে?

নবী মুহাম্মদের 'ওমরাহ' ও কুরাইশদের সহিষ্ণুতা! কুরানে বিগ্যান (পর্ব-১৭৪): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ –একশত আটচল্লিশ

লিখেছেন গোলাপ

(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে) (ইন্টারন্যাল লিংকে যাতায়াতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে: সমাধানের চেষ্টা চলছে; আপাতত প্রক্সি ব্যবহারে লিংকে গমন সহজ হবে)
 
"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।"


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর মদিনা অবস্থানকালীন সময়ে দামেস্কের শাসনকর্তা আল মুনধির বিন আল-হারিথ বিন আবি শিমর আল-ঘাসানি, পারস্যের সম্রাট খসরু পারভেজ দ্বিতীয়, বাইজেনটাইন সম্রাট হিরাক্লিয়াস ও আবিসিনিয়ার শাসনকর্তা আল-নাজ্জাসীর কাছে যে চিঠিগুলো লিখেছিলেন তার বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা গত তেরটি পর্বে (পর্ব: ১৬১-১৭৩) করা হয়েছে। মুহাম্মদের আদর্শে উদ্বুদ্ধ নবী পত্নী উম্মে হাবিবা (রামলাহ) বিনতে আবু সুফিয়ান কী কারণে তার জন্মদাতা পিতা-কে '‘অপবিত্র" আখ্যা দিয়ে তাঁর প্রতি চরম অবমাননা ও অসম্মান প্রদর্শন করেছিলেন, তার বিস্তারিত আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।



মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা খায়বারের অমানুষিক নৃশংসতা (পর্ব: ১৩০-১৫২), ফাদাক আগ্রাসন (পর্ব: ১৫৩-১৫৮) ও ওয়াদি আল-কুরা আগ্রাসন শেষে মদিনায় প্রত্যাবর্তন করেন হিজরি ৭ সালের সফর মাসে। অতঃপর রবিউল আওয়াল মাস থেকে শওয়াল মাস (৯ই জুলাই ৬২৮ সাল থেকে ১লা মার্চ ৬২৯ সাল) পর্যন্ত পরবর্তী আট-টি মাস মুহাম্মদ আর কোন হামলায় নিজে অংশগ্রহণ না করে মদিনায় অবস্থান করেন। আর কোন হামলায় নিজে অংশগ্রহণ না করলেও অবিশ্বাসী জনপদের ওপর তাঁর আগ্রাসী হামলা তিনি কখনোই বন্ধ করেন নাই। আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনায় আমরা জানতে পারি, এই সময়টিতে তিনি তাঁর অনুসারীদের মাধ্যমে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অবিশ্বাসী জনপদের ওপর কমপক্ষে আরও ছয়টি আগ্রাসী হামলা পরিচালনা করেন, যার দু'টির আলোচনা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে (পর্ব-১৬০)। এই হামলাগুলো ছাড়াও আবু বসির নামের তাঁর এক অনুসারীর নেতৃত্বে কুরাইশ বাণিজ্য-বহরের ওপর হামলা, খুন-জখম ও মালামাল-লুণ্ঠন ছিল পুরো-দমে অব্যাহত।

মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

হাস্যকোরান ২: আল্লাহ ইচ্ছা করলে আকাশ ভেঙ্গে দিতেন

লিখেছেন: বেহুলার ভেলা


মানুষ কল্পনাপ্রবণ প্রাণী। একদম আদিম কাল থেকে তার আশেপাশের দৃশ্যমান সবকিছু নিয়ে মানুষের জল্পনা-কল্পনার শেষ নাই। মাথার উপরে বিশাল নীল আকাশ। এ আকাশ কী? এত বিশাল আকাশ কে ধরে রেখেছে, কে একে তারকা দিয়ে সাজিয়েছে? এই বিশাল আকাশের উপরেই বা কী আছে?

কেউ কল্পনা করল এই আকাশকে দেবতারা ধরে রেখেছে। কেউ কল্পনা করল এর হয়ত কোনো পিলার আছে, কেউ মনে করল তার আল্লাহ এত শক্তিশালী যে পিলার ছাড়াই আকাশকে ধরে রেখেছেন। কেউ ধরে নিল এই আকাশের উপর আরো আকাশ আছে, মোট সাতটি আকাশ। কেউ মনে করল এই আকাশের উপরে ঈশ্বর তাঁর দেবদূত বা ফেরেশতাদের নিয়ে বাস করেন।

আমরা বর্তমানে জানি আকাশ বলতে আসলে কঠিন কোনো পদার্থ, চাদর বা আবরণ নেই। এটা নীল দেখা যায় কারণ নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বিধায় আকাশে নীল রঙের আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়।যদি বায়ুমণ্ডল না থাকত তবে আকাশকে কালো দেখা যেত।

শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ছিলেন সেদিন রছুল আমার উম্মে হানির ঘরে

এই বেচারা দেখি হাটেই হাড়ি ভেঙ্গে দিচ্ছেন!

নিচের ভিডিও দেখেন

ছিলেন সেদিন রছুল আমার উম্মে হানির ঘরে 

ভিডিও এর 6:10 এ এসে একটু বিব্রত হয়ে পড়লাম। উনি বলছে -

উম্মে হানির ঘরে এল, বিছানা গরম পেল!


যারা ঘটনা জানেন না তাদের জন্য হালকা বলছি। মুহাম্মদের সাথে তার চাচাতো বোন  উম্মে হানির পরকীয়া ছিল বলে জানা যায়। একসময় মুহাম্মদ তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন কিন্তু উম্মে হানির বাবা আবু তালিব রাজি না হওয়ায় সেটা সম্ভব হয়নি। একদিন রাতে মুহাম্মদ উম্মে হানির ঘরে অভিসারে গিয়ে আর ফিরে আসেন নি। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রশ্নের মুখে পড়লে তিনি মেরাজের গাঁজাখুরি ঘটনার বিবরণ দেন। বিস্তারিত জানুন এখান থেকে

রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঈদে মিলাদুন্নবি ও অসময়ে আমার কোরবানিকথন



ঈদে মিলাদুন্নবিতে সুলেমান কাকা গরু শিরনির আয়োজন করিলেন। সে এক এলাহি কারবার। ভোর হইতে মানুষ গমগম করিতেছে। সারারাত হুজুরদের গলা ফাটাইয়া দরুদ পাঠ আর ওয়াজের ঠেলায় একটুও ঘুমাইতে পারি নাই, এদিকে সকাল হইতে না হইতেই এই কাণ্ড। শান্তিতে যে একটু বসিব, তাহারও জো নাই। এদিকে সুলেমান কাকার আশেপাশে না থাকিলে তিনি বড় রকমের শাস্তির ব্যবস্থাও করিতে পারেন ভাবিয়া মনটা থামিয়া থামিয়া কান্দিয়া উঠিতে থাকিল। 

ঘটনা হইল, তাঁহার পিত্তথলিতে পাথর হইয়াছিল। বহু পানি-পড়া, তাবিজ-কবচ করিয়া যখন ব্যর্থ হইলেন তখন সৈয়দপুরের বড় হুজুর বলিলেন, বড়সড় দেখিয়া একটা গরু মান্নত করিতে। তিনি আল্যা-রচুলের নাম লইয়া তাহাই করিলেন। কিন্তু রোগ তো আর সারে না। শেষ পর্যন্ত ইহুদি-খ্রিস্টানদের শিক্ষায় শিক্ষিত বে-ঈমান ডাক্তারদের শরণাপন্ন হইলে তাঁহাকে অপারেশন করানোর জন্য বলা হইল। তিনি প্রথমে রাজি না হইলেও আমাদের সবার অনুরোধে ঢেঁকি গিলিলেন। তাঁহার অপারেশন হইল এবং রীতিমত তিনি সুস্থ হইয়া উঠিলেন। তাঁহার স্মরণ হইল, মান্নতের কথা। তিনি বলিয়া বেড়াইতে লাগিলেন, ডাক্তাররা তাঁহার পিত্ত কাটিয়া ফেলিয়াছে আর বড় হুজুরের দোয়ায় ও গরু-শিরনির বদৌলতে তিনি আরোগ্য লাভ করিয়াছেন। গরু শিরনির মান্নতের কারণে আল্যা খুশি হইয়া তাঁহার রোগ দূর করিয়া দিয়াছে। শুভ দিন দেখিয়া আজ ঈদে-মিলাদুন্নবিতে তাই তাঁহার এ আয়োজন। 

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৭

পাঠকের পাঠশালা-০৩ (পালিত কন্যা ও শাশুড়িকে বিয়ে করা জায়েজ সুরা আহযাব অনুসারে?)

লিখেছেন সুষুপ্ত পাঠক

ইসলাম মতে কোন ব্যক্তি বিয়ে করে সঙ্গমের পূর্বেই যদি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয় তবে সেই স্ত্রীর আগের ঘরের কন্যাকে সে বিয়ে করতে পারবে। একইভাবে পুরুষটির জন্য তার শাশুড়িও হারাম নয় যতক্ষণ পর্যন্ত সে বিয়ে করা স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গম করেনি। শুধুমাত্র বিবাহ বন্ধন দ্বারা শাশুড়ি হারাম হয় না! শেরে খোদা হযরত আলী (রা:) মত দেন, কোন ব্যক্তি যদি কোন মেয়েকে বিয়ে করে সঙ্গম করার আগেই তালাক দিয়ে দেয় তবে তার জন্য সেই মেয়ের মা হালাল। হযরত আলী স্ত্রীর অপর পক্ষের কন্যাকে বিয়ে করা যাবে এই শর্তে মত দিয়েছেন যদি সেই কন্যা নিজগৃহ পালিত না হয়। হযরত আবু বকর ইনবে কিনানা (রা:) তার নিজের জীবনের ঘটনার কথা উল্লেখ করে এ বিষয়ে বলেছেন, তার পিতা তাকে যে মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দেন তার সঙ্গে বাসরঘর হবার আগেই শ্বশুড় মারা গেলে তার শাশুড়ি বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে যান। তখন তার বাবা তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তার মাকে অর্থ্যাৎ শাশুড়িকে বিয়ে করতে তাকে আদেশ দেন। তখন তিনি হযরত ইবনে আব্বাস (রা:)-কে এই বিষয়ে আল্লাহর নির্দেশ কি জানতে চাইলে তিনি মত দেন শাশুড়িকে বিয়ে করা যাবে। কিন্তু যখন হযরত ইবনে ওমর (রা:)-কে একই বিষয়ে তিনি জিজ্ঞেস করে মত চান তখন ওমর বলেন, তুমি তাকে বিয়ে করতে পারো না। দুজন ইসলামি শাস্ত্রবিশারদের এরকম ভিন্ন দুটি মতামত তখন তিনি তার পিতাকে জানন। তার পিতা তখন সেই মত দুটি লিখে খলিফা মুয়াবিয়ার ফতোয়া জানতে পাঠিয়ে দেন। মুয়াবিয়া এই বিষয়ে মত দিতে তার অপারগতা জানিয়ে চিঠি দেন। শেষ পর্যন্ত এই বিয়ে থেকে বিরত থাকাই সিদ্ধান্ত হয় একই বিষয়ে বিতর্কিত মতামত থাকায়। (ইবনে কাথিরের তাফসির, সুরা নিসা, ৪, ৫, ৬, ৭ খন্ড একত্রে, পৃষ্ঠা-৩৩৪)।

কিন্তু বিতর্কের শেষ হয় না। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা:) বলেন, সঙ্গম না হলে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর মাতা ও কন্যাকে বিয়ে করা জায়েজ। হযরত ওমরকে দাসী ও দাসীর কন্যাকে সঙ্গম করা যাবে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি মত দেন, একই বিষয়ে কুরআনে হালাল ও হারাম দুরকম মতই দেয়া আছে। তাই আমি এটা কখনোই করব না। (ইবনে কাথিরের তাফসির, সুরা নিসা, ৪, ৫, ৬, ৭ খন্ড একত্রে, পৃষ্ঠা-৩৩৭)। সম্প্রতি ইরানী শরীয়া আইনে পালিতা কন্যাকে বিয়ে করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এই অনুমতি দেয়ার অন্যতম কারণ হযরত আলীকৃত মাসায়ালাগুলোর মত এই রূপই। কিন্তু আমাদের আলোচনা আসলে এটা প্রমাণের চেষ্টা নয় যে ইসলাম একজন মুমিনকে তার শাশুড়ি ও পালিত কন্যাকে বিয়ে করতে অনুমোদন দেয়। আমি বরং সব ইসলামী সোর্স ঘেঁটে এই মতটাই মেনে নিয়েছি যে, ইসলাম শাশুড়ি ও পালিতা কন্যা বা স্ত্রীর আগের ঘরের সন্তানকে বিয়ে করতে নিষেধ করেছে। যদিও কুরআন এই নিষেধকে শর্ত আরোপ করেছে। যেমন: যদি স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গম না হয় তাহলে স্ত্রীর মাতা ও অপর পক্ষের কন্যাকে বিয়ে করা হারাম নয়। বিষয়টি রুচি ও নৈতিকতার দিক দিয়ে যে কুৎসিত তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবু এটা কুরআনের মন্দের ভালই বলতে হবে।

আল্লাহ বলেন, তোমাদের প্রতিপালিত কন্যারা তোমাদের জন্য হারাম যারা তোমাদের গৃহে পালিত হয়েছে যদি তাদের মাতাদের সঙ্গে তোমাদের সঙ্গম হয়ে থাকে। সহি বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফে রয়েছে উম্মে হাবিবা (রা:) বলেন, হে আল্লার রসূল আপনি আমার বোনের কন্যা ইযযাহকে বিয়ে করুন। জবাবে রসূল্লাহ বলেন, না, সে আমার জন্য হারাম। এরপর উম্মে হাবিবা বলেন, আমি তো শুনেছি আপনি আবু সালমার মেয়েকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন? রসূল্লাহ উত্তর দেন, উম্মে সালমার কন্যা আমার উপর হারাম কারণ তার কন্যা আমার প্রতিপালিতা। আমার ঘরেই সে লালিত পালিত হয়েছে।

শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৭

শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৭

ছাগলে কিনা খায়.?

ক্রিয়েশন দাঁড়িপাল্লা ধমাধম

ছাগলে শুধু আয়াতই খায় না, প্রসাদও খায়। অতএব তুমরা ছাগলের আর কুন কুন অবদানকে অস্বীকার করিপে?


      আপনি ছাগল না হলে দেখা মাত্র শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা-১৪

পাঠিয়েছেন ইমানুল হক

১৬.
গিরামে ইন্দুগের লাই বাস করাই কষ্ট অই যাইচ্চে। আইজ মগরিবের লমাজের কালে দাড়াইচি জায়লমাজে। সূরা ফইত্তে ফইত্তেই হডাৎ কানের মদ্দি বাজি উটলো ডং ডং করি শব্দ। ওরে মাবুত, সূরাডাই গেলাম বুলে। কুন চুদিরফুতে যানি গন্টা বাজাইচ্চে। বুইজলাম যে ইডা আমাগের ফাশের ফুর্বমুরার ইন্দু বাড়ির তেকেই আইস্তেচে। মেজাজডা গেল চড়ি। লমাজ বাদ দি থুই তাত্তারি উডলাম, "হালার মালোয়ানের ফুতেরে আইজ কাইছি। হালার ফু হালা। ইচলামিক কানটিতে তাকস, আবার ফূজা-মূজা কিরে? অয় মুচলমান অবি নয় জিজিয়া কর দি তাইকবি।" (তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। সূরা: আত তাওবাহ: ২৯) বাসাততে বের অইতেই দেহা অইলো তারিকুল হুজুরের সাত। বইল্যাম "হুজুর চলেন মালুগের আজ দইরমু। হালারফুতেগো জ্বালায় নমাজ ফইত্তে পারি না। আল্লা-কুদার সূরা ফত্তে গি বূল অই যায়। বিদর্মিগের অত্যাচার আর কদ্দিন সইজ্জ্য করমু? হালারফুতেগের ফূজা আইজ ছুটামু চলেন।" হুজুর কইলেন, "যুদি বাঞ্চুতগের তারাইবার ফারি তালি কিন্তু গনিমতের মালের বাগ আমাক বেশি দিতে অবি।" (আল্লাহ তোমাদেরকে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধলব্ধ সম্পদের ওয়াদা দিয়েছেন, যা তোমরা লাভ করবে। তিনি তা তোমাদের জন্যে ত্বরান্বিত করবেন। তিনি তোমাদের থেকে শত্রুদের স্তব্দ করে দিয়েছেন-যাতে এটা মুমিনদের জন্যে এক নিদর্শন হয় এবং তোমাদেরকে সরল পথে পরিচালিত করেন। সূরা: আল ফাতহ: ২০)। 

বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

ইসলাম শিক্ষা-৩ ( চিকিৎসা শাস্ত্র )

পাঠিয়েছেন নিরানব্বই

 
সহিহ বুখারী :: খন্ড ৮ :: অধ্যায় ৮২ :: হাদিস ৭৯৪:
আলী ইব্ন আবদুল্লাহ্ (র) ... আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উকল গোত্রের একদল লোক নবী (সা) এর নিকট উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করল। কিন্তু মদীনার আবহাওয়া তাদের অনুকূল হলনা। তাই তিনি তাদেরকে সাদাকার উটপালের কাছে গিয়ে সেগুলোর পেশাব ও দুগ্ধ পান করার আদেশ করলেন। তারা তা-ই করল। ফলে সুস্থ হয়ে গেল।