রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৭

কুদরতিক্রিয়া - ১৯

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

৪৭.
আজিয়া শকাল আমার জইন্য বড়ই আন্দনের শকাল। শকালে ফজরের নামাচ ফড়ে বসি আছি, কি কাবো কি কাবো বাবচি, এমুন সুময় গেরামের মতলিব মেম্বারের বারি তেকে গুস্ত রুটি সলি আচে।

গুস্ত রুটি দেকি আমার জিব্বা লক লক কইত্তেসে এমুন সুময় সুনি, এইডা দুম্বার গুস্ত। আমাদের নবির দেস সুদি আরুব তেকে লিল্লা এসেচে। আমার রিদয় আনন্দে আরো উতলা হই যাই। আমার বিসসাশ ই হইতেসে না আমি আল্লা নবির ফবিত্র দেসের গুস্ত কাচ্চি। আনন্দের টেলায় ডাবল ডাবল গুস্তের টুকরা সাবাত কইত্তে সিলাম।

এমুন সুময় এক হাড্ডি তে কামর ফরি আমার দাত মুবারক সহিদ হই যাই। সহিদ বইলতেসি, কারন আল্লা র রাস্তায় আল্লার নামে জবাই করা গুস্ত কেয়ে আমার দাত ফরি গেসে। দাত সহিদ হয়েসে, তাতে মুনে একটু অ দুক্কু নাই। আল্লা নবির দেসের গুস্ত কাচ্চি, এইডা ই ত বর ফাওয়া।

কানা সেস করি বাংগা দাত কানা হাতে লই আয়নার দিকে সাইয়া একটা হাসি দিলাম, নিজের সেহারা দেকি নিজের ই হাসি ফাইল। তার ফরে দুক্কে দুক্কে মুনে ফরি গেলো আমারে নবিজির দাত মুবারক সহিদ এর গডনা।

কাফের রা যুদ্দের ময়দানে ফাতর মারি নবিজির দাত মুবারক সহিদ করি দিসিল। আবস্য নাস্তেক রা বলে বিন্ন কতা। তারা কয়, নবিজিকে নাকি কাফের রা এমুন মাইর দিসিল যে, ফরে সাহাবিরা নবিজি কে অজ্জান অবস্তায় মিরিত বাবি উদ্দার করে। আহারে কত কস্ট ই না হয়ে সিল নবিজির!

বাবচি বিকালে ডেনটাল ডাকতরের গেসে গি দাত কানা ফুনঃনিরমান কইরব। কিন্তু ইসসা হইচ্চে না। কারণ নবিজি ও ত দাত ফুনঃনিরমান করেন নি। নবিজির আমলে ত এমুন ডাকতর সিলো না, , তাইকলে লিসচই নবিজি দাত ডা ফুনঃনিরমান কইত্তেন।

কিন্তু আমি একন কি কইরব? নবিজির মত কি দাত ফুনঃনিরমান চারা তাকি যাইব শারা জিবন?

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৯৭

৩২৮.
- আত্মঘাতী বোমারুর সবচেয়ে বড়ো ভীতি কোনটি?
- একাকী মৃত্যু।

৩২৯.
- ২০০০ বছর আগে ডিএনএ টেষ্টের ব্যবস্থা থাকলে কী হতো?
- খ্রিষ্টধর্মের প্রচলনই হতো না।

৩৩০.
আল্যার পরিকল্পনা:
১. বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করা
২. শিশুদেরকে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত করা
৩. গাছ, পাতা, বেগুন মাছ, মাংসসহ নানান বিটকেলে স্থানে আরবি অক্ষরে নিজের নাম খোদাই করা

৩৩১.
- ধর্মগুলো ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ে অনুমোদন করে কেন?
- যাতে ধর্ষক আবার ধর্ষণ করতে পারে মেয়েটিকে।

৩৩২.
- সন্ত্রাসের সঙ্গে ইছলামের নাকি কোনও সম্পর্ক নেই?
- হ্যাঁ, যেমন নেই জাতপ্রথার সঙ্গে হিন্দুধর্মের সম্পর্ক।

শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৭

কোন কোরআন?

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ

মাওলানা সৈয়দ আবুল আলা মওদুদী ১৯৪২ সাল থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিরিশ বছরের একটানা চেষ্টায় তাঁর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ কাজটি শেষ করেন - "তাফহীমুল কোরআন" নামে তিনি প্রায় ৫ হাজার পৃষ্ঠার কোরআনের ব্যাখ্যা (তাফসীর) গ্রন্থ রচনা করেন। ১২ টির বেশি ভাষায় তাঁর এই তাফসীর গ্রন্থটি অনূদিত হয়েছে এবং কোরআন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী রচনা হিসাবে বিবেচিত হয় মুসলিম সমাজে! গ্রন্থের 'প্রসঙ্গ কথায়' মারাত্মক কিছু কথা বলেছেন তিনি: "কুরআন মজিদের সূরাগুলো আসলে ছিল এক একটি ভাষণ। ইসলামী দাওয়াতের বিশেষ একটি পর্যায়ে একটি বিশেষ সময়ে প্রতিটি সূরা নাযিল হয়েছিলো। কোরআন একটি রচনার আকারে নয়, বরং ভাষণ আকারে বর্ণিত হয়েছে।”

বর্তমানের ধর্ম বনাম ভবিষ্যতের ভার্চুয়াল রিয়ালিটি গেইম

লিখেছেন নরমপন্থী

শিষ্য: বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের কারণে যেভাবে সবকিছু যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে, ভবিষ্যতে মানুষ অলস কিংবা বেকার হয়ে পড়বে। কারণ যন্ত্রই সবকিছু করে দেবে। মানুষ তখন কী করবে ? কীভাবে জীবনের অর্থ খুঁজে পাবে। জীবন কি অর্থহীন মনে হবে না? 

গুরু: কোনো কোনো বিষেশজ্ঞদের মতে, খেয়েদেয়ে কোনো কাজ থাকবে না, তাই মানুষ হয়তো ভার্চুয়াল রিয়ালিটি গেইমগুলোর মধ্যে মজে থাকবে।



শিষ্য: তার মানে মানুষের জীবন এবং মানসিকতা পাল্টে যাবে?

গুরু: না, মানুষ আদিম কাল থেকে একই রকম গল্পে মজে আছে, এটা তো নতুন কিছু নয়। মানুষ এতদিন যাবৎ ধর্ম নামক ভার্চুয়াল রিয়ালিটি গেইমের মাধ্যমে জীবনের অর্থ খুঁজে আসছে। যেমন আমি এক ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলাম কিংবা কয়েকটা রোজা রাখলাম, কয়েক নেকি পুরস্কার হিসেবে পেলাম। কম্পিউটার গেইমের বা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি গেইমের মধ্যেও কোনো একটি কাজে সফল হলে যেমন পয়েন্ট পাওয়া যায় - তেমনি পয়েন্ট যুক্ত হতে থাকবে। তবে অতীত কালে কিংবা বর্তমানে ধর্মের নামে যুগ যুগ ধরে "পয়েন্ট" পাবার কাজ করে আসছে কল্পনার ভিত্তিতে - ভবিষ্যতে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি গেইমের মধ্যে তা হয়তো করবে যন্ত্রের ভিত্তিতে।

(Yuval Noah Harari-র ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত)

সৌদি আরব কি ইসলামী সন্ত্রাসীদের পক্ষে না বিপক্ষে? - ৩

মূল: খালেদ ওলীদ
অনুবাদ: আবুল কাশেম

[ভূমিকা: ডিসেম্বর ও ফেব্রুয়ারি মাসে খালেদ ওলিদের ইসলাম পরিত্যাগের জবানবন্দির ও সৌদি নারীদের অবস্থা অনুবাদ করেছিলাম। তখন লিখেছিলাম, খালেদ আমাকে অনেক ই-মেইলে সৌদি আরাবের ইসলাম সম্পর্কে লিখেছিল। এখানে আমি তার আর একটি লেখা অনুবাদ করে দিলাম। উল্লেখযোগ্য যে, খালেদের এই লেখাটি একটা বইতে প্রকাশ হয়েছে। বইটার টাইটেল হলো: Why We Left Islam. - আবুল কাশেম, এপ্রিল ৪, ২০১০]

শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা - ৭

লিখেছেন ইমানুল হক

৯.
কী যে দুশ্চিন্তায় আচি, বলে বোজাইতে ফাইরব না। গত কাইল তনে আমি তানায় আচি জামিনের অফেক্কায়। কী যে অইল আল্ল্যার দুনিয়াডায়, বুইজবার ফারতিছিনা। এহন আল্ল্যার বিচার কেউ মাইন্তে চায় না, নবি-রাচুলের কতা কেউ শুইন্তে চায় না।

যাই অক, মূল গডনায় আহি। কাইল বিয়ান রাইতে টিক ফজরের আগে আমার বারিতে চোর আইছিল, চোরডায় চুরি করার সুময় আমি চোরডাক দরি ফেইল্লাম। চোর দরার ফেচনেও আর একডা কাহিনি আচে। মাজ রাইতে আমি ছুডু বউরে গুম পারাইয়া তার গর থেইক্যা বাইর অইয়া নুতুন একডা লুঙ্গি ফরি গেলাম বড় বিবির গরে। ঢুকি তার সাত সোয়ার ব্যবস্তা কইল্লাম। বড় বিবির লগে সউয়ার কিচুক্কন ফর চোরডা গরের বেতর ঢুইকল, ঢুকে চোরডা সব কিচু গুচিয়ে গাট্টা বানাল, কিন্তু জাওনের সুময় চোরডা আমার নুতুন লুঙ্গীর দিকে নজর ফইরল। জেই না চোরডা আমার লুঙ্গি ধরে দিল টান অমনি আমার লুঙির কাচা গেল খুলি, আমার দীরগ ফরিস্রমের গুম ডা গেল নস্ট অইয়া। আমি গুমের গরেই চিল্লাই উঠি কইলাম, "কেডা রে সুদির পুত আমার লুঙ্গি দরে টান দেয়!"এই কতা শুনে চোরডা যেইনা গাট্টা লয়ে দৌর দিতে চাইল অমনি আমি খপ করি দইরলাম, দরেই মারলাম একডা কেচকি তারফর দিলাম কয়ডা লাতি আর উস্টা। গর থেইক্যা বাইরে আইন্যা বানলাম উডানের হিজল গাচে।

নিমো হুজুরের খুতবা - ৪৩

লিখেছেন নীল নিমো

১.
শবে মেরাজের দিন রাস্তায় আমার ক্রাশের সাথে দেখা। বলিলাম:
- হানি, রাতে ফ্রি আছো? চলো, দুইজনে মিলে আজকে রাতে মিরাজে যাই।

হানি আমারে পাল্টা প্রশ্ন করিল:
- মিরাজ কী জিনিস?

বলিলাম:
- আরবি শব্দ মিরাজ-এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে - উপরে ওঠা। আমাদের নবীজি রাতের বেলা উম্মে হানিকে নিচে রেখে উপরে উঠতেন। এইটাকে মিরাজ বলা হয়। চলো, দুইজনে মিলে, যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে পবিত্র মিরাজ পালন করে বহুত নেকি হাসিল করি।

হানি ক্ষেপে গিয়ে চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকাতেই আমি দৌড় দিয়ে পালিয়ে গেলাম। আফসুস, নাস্তিকরা ভ্যালেন্টাইন ডে'র তাৎপর্য বুঝলো, কিন্তু মিরাজের তাৎপর্য বুঝলো না।

২.
আজকে একটি কুকুর খরিদ করিলাম। খরিদ করার পর কুকুরটির নাম কী রাখা যায়, তা নিয়ে পেরেশান হয়ে গেলাম।

এক মুমিন মুরিদ আমাকে পরামর্শ দিয়ে বলিল:
- হুজুর, কুকুরের নাম রাখা অতি সহজ। কুকুরের সেকেন্ড নেম বা ফ্যামিলি (second / surname / family name) নাম রাখা লাগে না। টম, ম্যাক্স এমন একটা সিংগেল নাম রেখে দিলেই হবে।

পাশে এক বেয়াদপ, জাহান্নামি পাতি নাস্তিক ছিল, সে বলিল:
- হুজুর, ঠিক একইরকম ভাবে আমাদের নবীজির কোনো সেকেন্ড নেম নাই। আরবদের কালচার অনুসারে বাবার নাম ইউজ করা হয় সেকেন্ড নেম হিসাবে। কিন্তু নবীজির পিতা আবদুল্লাহ ছিলেন জাহান্নামী মূর্তিপুজারী পেগান। তাই নবীজি লজ্জায় তার নামের শেষে তার পিতার ব্যবহার করিতেন না। নামের আগে পিছে হজরত, আল্লাহর নবী, রাসুল, মহানবী, সঃ, দীনের নবী... ইত্যাদি যতই গুণবাচক বিশেষণ যুক্ত করুন না কেন, সেকেন্ড নেমের হক আদায় হবে না। নামটা কুকুরের নামের মত হয়ে থাকবে। তাই আমাদের উচিত নামাজসহ দরুদ শরিফ সব জায়গাতেই নবীজির পুরো নাম 'মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ' উচ্চারণ করা। আচ্ছা, হুজুর, নামাজের মধ্যে নবীজির নামের পর জাহান্নামি আবদুল্লাহর নাম উচ্চারণ করা কি ঠিক হবে?

নাস্তিকের কথা শুনে আমি জ্ঞান হারালাম। এরপর কিছুই মনে নাই।

গরুপূজারি গাধাগুলো - ১৮৮

বাজারে এসেছে নতুন পণ্য। বাকি শুধু বিপণন।


বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৭

হাদীসের প্রথম পাঠ - ০৬

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ


জিজিয়া ও যিম্মী

ইসলামী ভূখণ্ডে ইহুদী-খ্রিষ্টানকে অবশ্যই তাদের সকল আয়ের ৫০ ভাগ ইসলামী সরকারকে কর বা জিজিয়া হিসেবে দিতে হবে; মুহাম্মদ নিজে এ প্রথা প্রচলন করেছিলেন! জিজিয়া দেবার পরেও আপনার পরিচয় হবে যিম্মী (dhimmi - "protected person") হিসেবেই!
বুখারী-৪-৫৩-৩৮৮: জুরায়রিয়া ইবনে কুদামা তামীমী, উমর ইবনে খাত্তাব-কে বললেন: 'হে আমিরুল মুমিনীন! আমাদের কিছু অসীয়্যাত করুন।' তিনি বললেন, 'আমি তোমাদের আল্লাহর অঙ্গীকার রক্ষার অসীয়্যাত করছি। কারণ এ হল তোমাদের নবীর অঙ্গীকার এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনের জীবিকা।'
বুখারী-৪-৫৩-৩৮০: উমর ইবনে খাত্তাব, ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদেরকে হিজায ভূখণ্ড থেকে নির্বাসিত করেন। আর মুহাম্মদ যখন খায়বার জয় করেন, তখন তিনিও ইয়াহুদীদের সেখান থেকে বের করে দিতে চেয়েছিলেন। আর সে জমীন বিজিত হওয়ার পর তা আল্লাহ, মুহাম্মদ ও মুসলিমগণের অধিকারে এসে গিয়েছিল। তখন ইয়াহুদীরা মুহাম্মদ-এর নিকট আবেদন করল, যেন তিনি তাদের এ শর্তে থাকার অনুমতি দেন যে, তারা কৃষি কাজ করবে এবং তাদের জন্য অর্ধেক ফসল থাকবে। তখন মুহাম্মদ বলেছিলেন, যতদিন আমরা চাই তোমাদের এ শর্তে থাকার অনুমতি দিচ্ছি। তারা এভাবে রয়ে গেল। অবশেষে উমর  ইবনে খাত্তাব তাঁর শাসনামলে তাদের তায়মা আরীহা নামক স্থানের দিকে নির্বাসিত করেন।
দাস-দাসী-ক্রীতদাস-বাঁদী

কৃষ্ণকলি feat. তেঁতুল শফি

রবি ঠাকুর লিখেছিলেন:

কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি,
কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক।
মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠে
কালো মেঘের কালো হরিণ-চোখ।

ঘোমটা মাথায় ছিল না তার মোটে,
মুক্তবেণী পিঠের 'পরে লোটে।
কালো? তা সে যতই কালো হোক,
দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ।


তাঁর অনুকরণে জুপিটার জয়প্রকাশ লিখলেন:

তেঁতুল শফি আমি তারেই বলি,
হুজুর যাকে বলে দেশের লোক।
দেখেছিলেম শাপলাতলার মাঠে
বুড়ো বীরের জিহাদ করার শখ।

হাতে-পায়ে জোর ছিল না মোটে,
ক্ষমতা নেই নিজের পায়ে হাঁটে।
বুড়ো? তা সে যতই বুড়ো হোক,
দেখেছি তার কল্লা কাটার শখ।

নিত্য নবীরে স্মরি – ২৮৩



ইছলামের ক্রসড্রেসার নবীর নারী-পোশাক পরার বাতিক সম্পর্কে আরও তথ্য এখানে

বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৭

চিঠি-হুমকি - ৬: সংকটে হিরাক্লিয়াস - ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব-১৬৭): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – একশত একচল্লিশ

লিখেছেন গোলাপ

(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে)

"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।"

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর যে চিঠিটি রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াসের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য দিহায়া বিন খালিফা আল-কালবি নামের তাঁর এক অনুসারীকে বসরার শাসনকর্তা ঘাসানিদ গোত্র প্রধান শামির (Shamir) এর কাছে পাঠিয়েছিলেন, সেই চিঠিটি বসরার শাসনকর্তার এক পত্রবাহক মারফত সম্রাট হিরাক্লিয়াসের কাছে পৌঁছার সময়টিতে সম্রাট হিরাক্লিয়াস কী উদ্দেশ্যে তখন বাণিজ্য-কর্মে সিরিয়ায় অবস্থিত কুরাইশ দলপতি আবু সুফিয়ান ইবনে হারব ও তাঁর সঙ্গীদের তার দরবারে ধরে নিয়ে এসেছিলেন; সেই দরবারে উপস্থিত সকল প্রবীণ সভাসদদের উপস্থিতিতে হিরাক্লিয়াস আবু সুফিয়ান-কে কী কী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছিলেন, অতঃপর তিনি সেখানে কী অভিমত ব্যক্ত করেছিলেন; অতঃপর তিনি যখন মুহাম্মদের চিঠিটি তার দরবারে উপস্থিত প্রবীণ বিশিষ্টজনদের পাঠ করে শুনিয়েছিলেন, তখন সেখানে কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো; সেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে আবু সুফিয়ান ফিরে আসার প্রাক্কালে কী উক্তিটি করেছিলেন; হিরাক্লিয়াসের দরবারে প্রদত্ত আবু-সুফিয়ানের বেশ কিছু জবাব সত্য হলে তা কীভাবে নিশ্চিতরূপেই মুহাম্মদকে মিথ্যাবাদী প্রমাণ করে - ইত্যাদি বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।

আল-তাবারীর (৮৩৮-৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ) অব্যাহত বিস্তারিত বর্ণনা: [1] [2] 

মুহাম্মদী মূত্র মোবারক-মত্ত মমিনেরা: প্রকৃত মূত্রমনারা - ০৭

অবাস্তব, ভিত্তিহীন ও যুক্তিরহিত কথা বলায় মমিনদের জুড়ি নেই। এই যেমন 'মুক্তমনা' শব্দটিকে তারা ব্যঙ্গ করে 'মূত্রমনা' বলে থাকে, যদিও বিন্দুমাত্র কারণ নেই এর পেছনে। মুক্তমনাদের মূত্রপ্রীতির কথা কখনও শোনা যায় না। তাই বলে মূত্রমনা বলে কেউ নেই, তা কিন্তু নয়।

বর্তমান সিরিজে হাতে-কলমে প্রমাণ করা হচ্ছে, প্রকৃত মূত্রমনা কারা। ইছলামের নবী উটের প্রস্রাব মমিনদের জন্য হালাল করে দিয়ে তা পান করার নির্দেশনাও দিয়েছে। ইছলামী স্কলাররাও স্বীকার করে এ কথা। তাইলে কী খাড়াইল? কারা আসলে মূত্রমনা?

আরও দেখুন:

ইছলামী ইতরামি

➤ একটুর জন্যে নিশ্চিত জান্নাতবাস মিস করলো এক ফাকিস্তানী মোমিনা, মেডিক্যালের ছাত্রী। যার কিনা মানুষের জান বাঁচানোই লক্ষ্য হবারে কথা, সে খ্রিষ্টানদের ইস্টার উৎসবে আত্মঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল।

➤ ইছলাম নারীকে আর কতো সম্মান দেবে! ১৯ বছরের মেয়েকে তার পরিবারের সদস্যরা হত্যা করেছে সে কুমারী ছিলো না বলে, ১৮ বছরের মেয়ে ও তার মাকে হত্যা করা হয়েছে মেয়েটি অ্যাবোরশন করিয়েছে সন্দেহে, ১৭ বছরের মেয়েকে হত্যা করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে সে জোর-করে-দেয়া বিয়ে থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল বলে। মাত্র তিন সপ্তাহে এ ঘটনাগুলো ঘটেছে আফগানিস্তানের একটি প্রদেশে।

মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৭

কুদরতিক্রিয়া - ১৮

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

৪৬.
কুরান সরিফ এর ফেমে ফরি গেসি। কিতাব কানা যতই ফরি, ততই মুগ্ধ হই।

বিগগান কেলা করে কুরানের ফাতায় ফাতায়।

সংসকিতি তার বাজে বাজে।

ইতিহাস তার সিপায় সিপায়।

রাজনিতি, আইননিতি তার রন্দে রন্দে।

যুদ্দনিতি তার ফরিচ্চেদে ফরিচ্চেদে।

বিগবেংক, মহাকর্স, অবিকর্স, সক্তির নিত্ততা সুতর, রকেট উড়ানুর সুতর, বলের সুতর, কাজের সুতর, আকাসের সুতর, বাতাসের সুতর সবই তার ইসারায় ইসারায়।

জিবন বিদান তার অক্করে অক্করে।

গনিমত, তরিকত, সহিকত, বিবাহকত সবই তার ফাতার মদ্দে মদ্দে।

জিব বিগগান, চিকিতসা বিগগান কুরানে আচে সমান সমান।

করতে সাও দাসি ভুগ, কুরান তবে করো সম্বুগ।

বেস্তের বর্ননা যারা সোন নাই, কোরান তারা কুনুদিন কুলো নাই! !

ফুত্রবদু ভুগ, কচি ভুগ এত কুরান মহামানবকে করাইচে সম্ভুগ।

আরো আচে মুতানিতি। এর ফরো তুমরা আর কি সাও বলো দিকি?

জানতে সাও মহাকাস, কুরানের ফাতায় চুক বুলাও টাস টাস।

গরুর গারি ঘুরার গারি, এত কুরান ইসারায় দিয়াসে করি তইরি।

দেকো নাই যারা সমুদরো, কুরানের ফাতায় তারা ডুব দেও তরাতর ।

যদি যাইতে সাও আকাসে, কুরানরে বাসাও মনের হরসে।

কাইতে সাও সারাবান তহুরা? কুরানের মদ্দেই দেকো আচে সুরা।

জাইনতে সাও ভুগুল? কুরান উল্টাই দেকো ফাবে না তার গিয়ানের কুল।

হতে চাও বিগগানি? কুরানে কুজো, ফাবে তাতে খনি।

সোমবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৭

মুহাম্মদ-হানির মধুর রাতে (তিনটি প্যারোডি কবিতা)

জীবনানন্দ দাশ-এর বনলতা সেন কবিতার প্যারোডি লিখেছেন নাস্তিকথন

হাজার বছর ধরে আমি ডাকাতি করিতেছি হেজাজের পথে,
উত্তপ্ত মদিনা থেকে নিশীথের অন্ধকারে উহুদ বদরে
অনেক লুটেছি আমি; কোরায়জা মোস্তালিকের ধূসর জগতে
মক্কায় ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি অতৃপ্ত প্রাণ এক, ঘরেতে ৬৫ পার খাদিজা ছিলেন,
আমারে ঈমানদণ্ড-শান্তি দিয়েছিল মেরাজের হানিলতা সেন।

চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার বেহেস্তের কারুকার্য; অতিদূর মরুভূমির ’পর
উট হারিয়ে যে-বেদুইন হারায়েছে দিশা
ধূসর বালির দেশ যখন সে চোখে দেখে বালিচিনি-দ্বীপের ভিতর,
তেমনি চেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‌‌‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’
খেজুর বিচির মতো চোখ তুলে মেরাজের হানিলতা সেন। 

সমস্ত মেরাজ শেষে জিকিরের শব্দের মতন
সকাল আসে; জিহ্বায় হানির গন্ধ চোখদুটো নীল;
হিজরের সব সাহাবা জেগে গেলে খোঁজাখুঁজির করে আয়োজন
তখন ফাঁদি কল্পগল্প - আসমান ভ্রমণের রঙে ঝিলমিল;
বুড়ি বউয়ের ঘরে ফিরি - আমি নবী - ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন;
থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার হানিলতা সেন।


আমি হব মেরাজ রাতের পাখি

কাজী নজরুল ইসলামের 'আমি হব' কবিতার প্যারোডি লিখেছেন নাস্তিকথন

নিজেরে যখনই আবাল মনে হবে - ১৪


নবী-হানির মধুময় রাতে আরও কিছু পাঠ্য:

১. উম হানি ও মুহাম্মদ: ইসলামের মহানবীর প্রথম ভালবাসা - আস্ত এক ইবুক। নবীর এই প্রেমকাহিনী নিয়ে যাদের কৌতূহল আছে, তাদের জন্য ইছলামের ইতিহাসের বিস্তর দলিল-দস্তাবেজ ঘেঁটে আবুল কাশেম লিখেছেন অসাধারণ এক রচনা। 

২. লাইলাতুল মেরাজ – বিজ্ঞান, নাকি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গাঁজাখুরি গল্প?: মেরাজ নামের গুলবাজির চমৎকার ব্যাখ্যা করেছেন হযরত ঠাকুর

৩. সচিত্র শবে মেরাজনবীর আল্লার সাথে সাক্ষাৎ এবং জাহান্নাম পরিদর্শন নিয়ে মুসলমান চিত্রশিল্পীদের আঁকা কিছু ছবিসহ একটি দারুণ বিশ্লেষণী রচনা লিখেছেন দাঁড়িপাল্লা। লেখাটিতে এভাবে অনুসিদ্ধান্ত টানা হয়েছে: "মেরাজের কাহিনী যে সম্পূর্ণ ভূয়া, সেটা বুঝতে আর অসুবিধা থাকার কথা নয়, যদি না আপনি আজীবন বকরি হয়ে থাকেন।"

কী হয়েছিল সেই রাতে অথবা শবে মেরাজের ইতিহাস

লিখেছেন শান্তনু আদিব

গত রাত ছিলো পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা মেরাজের রজনী, যা সচরাচর শবে মেরাজ নামেই আমরা জানি। প্রায় ১৪০০ বছর আগে এই রাতে ইসলামের নবী যুদ্ধ ছেড়ে হয়ে উঠেছিলেন প্রেমের নবী, যদিও তা শুধু এক রাতের জন্যই। বর্বর আরবেরা সেই প্রেমের মর্ম বোঝেনি, বোঝেনি, প্রেম সে তো প্রেমই, হোক সে আপনকীয়া অথবা পরকীয়া। বোঝে না নাস্তেকরাও, তাই তারা প্রেমের নবীর প্রেমময় রাতের নামে মন্দ কথা বলে।
#
নবী তখন সদ্য বিপত্নীক। নবীর ফুপু এবং বউ বুড়ি খাদিজা মরেছে, নবীরও হাড় জুড়িয়েছে। বিগত দুই যুগের পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত নবীর আকাশে-বাতাসে তখন শুধুই স্বাধীনতার গন্ধ। বিগতযৌবনা পয়সাওয়ালা দজ্জাল বউ-এর সাথে যে না থেকেছে, সে ভিন্ন অন্য কেউ এই ব্যথা বুঝবে না।

রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৭

রঙ্গিলা রসুল: একটি ধর্মকারী কুফরী কিতাব

সম্পূর্ণ ছহীহ ও ইছলামী দৃষ্টিকোণ থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ও দলিল থেকে নবীর জীবন, তার কর্মকাণ্ড বা ইছলামের ইতিহাস সম্পর্কিত উদ্ধৃতি দিলেও ঈমান্দার মুছলিম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে - এই প্রবণতাটি কিন্তু সাম্প্রতিক নয়। বস্তুত এটাই ইছলামী ঐতিহ্য। শুধু তা-ই নয়, শুধু শোনা কথার ওপর ভিত্তি করে (সত্যতা যাচাইয়ের স্বভাব বিশ্বাসীদের নেই) উন্মত্ত সহিংসতায় ঝাাঁপিয়ে পড়াটাও তাদের ঈমানী বৈশিষ্ট্য।

তেলাপোকা পেলো পাখির মর্যাদা

লিখেছেন আক্কাস আলী

- স্যার, আসবো?
- Yes... Come in...
- আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
[মাথা নেড়ে সালামের জবাব দিলেন, অতঃপর বসতে ইশারা করলেন]
- Introduce yourself...
- I am Akkas Ali Mohammad Bin Abdul Kuddus. I live in Chittagong. I am a sunni muslim. I read in Al-Jamiatul Ahlia Darul Ulum Muinul Islam. It also has another name, it is Hathazari Madrassa. My favorite teacher's name is Allama Shah Ahmad Shafi...
- Okay, Okay, বুঝলাম। তো আক্কাস সাহেব, আপনি এখানে পাঞ্জাবি-টুপি পরে কেন এসেছেন? ড্রেস কোড ফলো করেননি। এর কারণটা কী?

ধর্মাতুল কৌতুকিম – ৯৬

৩২৩.
মুছলিম:
- আপনি কি জানেন যে, পৃথিবীর ১৬০ কোটি মুছলিমের মধ্যে শতকরা ৯৩ জনই মডারেট বা শান্তিপ্রিয়? মাত্র ৭ শতাংশ মুছলিম জঙ্গি। এটা এক জরিপের ফলাফল।
নাস্তিক:
- তা বটে! মাত্র ১১ কোটি ২ লক্ষ মুছলিম জঙ্গি। জেনে আশ্বস্ত হলাম।

৩২৪.
- আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারটা লম্বা, ব্র্যাড পিট-এরটা ছোট্ট, ম্যাডোনা'র সেটা নেই এবং পোপ-এর সেটা থাকলেও ব্যবহার করে না। কী সেটা?
- পদবী।

৩২৫.
ধরা যাক, বেহেশতে গিয়ে আপনি ৭২ হুরির একজনের প্রেমে পড়ে গেলেন।
আপনাকে কি তবু বাধ্য করা হবে বাকি ৭১ জনের সঙ্গে সেক্স করতে?
যদি বাধ্য করা না হয়, তাহলে বাকি ৭১ হুরি কী করবে অনন্তকালব্যাপী?
ওহ্, আপনি বলছেন, তাদেরকে অন্য বেহেশতবাসীদের ভেতরে বিলি করে দেয়া হবে।
তাহলে তো প্রমাণিত হয়ে যাচ্ছে, বেহেশতী ৭২ হুরির আইডিয়াটাই ত্রুটিযুক্ত।

আবার দেখুন, অনন্ত কালের কিছুটা সময় ধরে সেই একই হুরির সঙ্গে সঙ্গম করতে করতে ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়লেন আপনি, তখন?
অতএব এর একমাত্র সমাধান হচ্ছে - ৭২ জন হুরির কারুর সঙ্গেই প্রেমে না পড়া।
যার অর্থ - অনন্তকালব্যাপী প্রেমহীন সেক্স। হ্যাঁ, প্রেমহীন সেক্স। দারুণ না?
অবশ্য এই জাতীয় জটিল বিষয় নিয়ে ধর্মবিশ্বাসীরা চিন্তিত নয়।

নীতিকথা: যে ব্যক্তি মাথা খাটায় না, সে-ই ধর্মবিশ্বাসী।

৩২৬.
১০ বছরের বালিকাকে হেঁটে যেতে দেখে এক চৌদি মুছলিম আরেক চৌদিকে বললো:
- আমি নিশ্চিত, মেয়েটা ছোটোবেলায় খুব আকর্ষণীয় ছিলো।

৩২৭.
- মাইক্রোওয়েভ ও ইছলামী টেররিস্টের মধ্যে পার্থক্য কী?
- টাইমারের শেষ বিন্দুতে পৌঁছালেও মাইক্রোওয়েভ বিস্ফোরিত হয় না।

শনিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৭

নিমো হুজুরের খুতবা - ৪২

লিখেছেন নীল নিমো

আমার একজন ঈমানদার মুসলমান মুরিদ এক মহিলাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করছে। মহিলাটি আমার কাছে এসে নালিস করল:
- হুজুর, আপনার ঈমানদার মুসলমান মুরিদ আমাকে পিটাইছে। আপনি এর বিচার করেন।

আমি প্রশ্ন করিলাম:
- আমার ঈমানদার মুরিদটি যে মুসলমান, সেটা কীভাবে শিওর হলেন?

সৌদি আরব কি ইসলামী সন্ত্রাসীদের পক্ষে না বিপক্ষে? - ২

মূল: খালেদ ওলীদ
অনুবাদ: আবুল কাশেম

[ভূমিকা: ডিসেম্বর ও ফেব্রুয়ারি মাসে খালেদ ওলিদের ইসলাম পরিত্যাগের জবানবন্দির ও সৌদি নারীদের অবস্থা অনুবাদ করেছিলাম। তখন লিখেছিলাম, খালেদ আমাকে অনেক ই-মেইলে সৌদি আরাবের ইসলাম সম্পর্কে লিখেছিল। এখানে আমি তার আর একটি লেখা অনুবাদ করে দিলাম। উল্লেখযোগ্য যে, খালেদের এই লেখাটি একটা বইতে প্রকাশ হয়েছে। বইটার টাইটেল হলো: Why We Left Islam. - আবুল কাশেম, এপ্রিল ৪, ২০১০]

শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা - ৬

লিখেছেন ইমানুল হক

৮.
আমার বিষন ভয় লাইগতাছে। আল্লা, আমি কি করুম, তুমিই কও। এই কতাও হুনতে অয়? কি কলিযুগ আইলো!
ইক্টু আগে দেহা হইছিল মেম্বরের ফুলার লগে। আমি জিগাইলাম:
- বাজান, ক্যামন আছো?

মেম্বরের ফুলার জবাব:

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৭

পিছলামি

লিখেছেন সাঈদুর রহমান

আচ্ছা, ধার্মিকরা সব সময় পিছলায় কেন?

বলবেন, "নবী ছিল লুইচ্চা, ডাকাত, পেডোফাইল..."
বলবে, "না, নবী ইসলাম প্রচারের জন্য সব করেছে।"

বলবেন, "জাকির নায়েক ভণ্ড, অল্পশিক্ষিত, ভুল বলে, টাকা দিয়া বাড়ি গাড়ি করছে..."
বলবে, "না, যা করেছে, ইসলাম প্রচারের জন্য করছে।"

বলবেন, "কুরানে বিজ্ঞান তো দূরের কথা, বিজ্ঞানের ব-ও নেই।"
বলবে, "না, কুরান সকল জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎস।"

বলবেন, "নবী সম্বন্ধে পড়েছেন? তার হাদিসের বইগুলো কোনোদিন উল্টেপাল্টে দেখেছেন?
বলবে, "না, হাদিস মানুষে লিখেছে। ভুল থাকতে পারে।"

বলবেন, "কুরান কোনোদিন নিজ ভাষায় পড়েছেন?"
বলবে, "না, কুরান পড়া হয় নি। বর্তমান কুরানের অনুবাদ ভুল আছে।"

বলবেন, "জাকির যা বলে, যাচাই-বাছাই করে দেখেছেন?"
বলবে, "না, তবে জাকির যা বলে, সব সঠিক।"

বলবেন, "কুরানে যে বিজ্ঞান আছে, সেটা কী করে জানলেন? আপনি কি বিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন?"
বলবে, "না, বিজ্ঞানে বিশ্বাস নেই, সবসময় পাল্টায়। তবে কুরানে বিজ্ঞান আছে, সেটা সত্য।"

বেদ্বীনবাণী - ৮৮


ধর্ম বিষয়ে তাঁর আরও ক্ষুরধার বক্তব্য:

ভিডিও লিংক: https://youtu.be/mhZq9PslWYA

আজানে মাইকের প্রয়োজনীয়তা


পোঁদধ্বনি: দূষিত বায়ু ত্যাগের শব্দ (সৌজন্য: দুষ্টু শব্দ)

বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৭

চিঠি-হুমকি - ৫: শঙ্কিত হিরাক্লিয়াস!: কুরানে বিগ্যান (পর্ব-১৬৬): ত্রাস, হত্যা ও হামলার আদেশ – একশত চল্লিশ

লিখেছেন গোলাপ

(আগের পর্বগুলোর সূচী এখানে)

"যে মুহাম্মদ (সাঃ) কে জানে সে ইসলাম জানে, যে তাঁকে জানে না সে ইসলাম জানে না।"

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর মদিনায় স্বেচ্ছানির্বাসন-পরবর্তী ছয়টি বছরে (৬২২-৬২৮ সাল) "ধর্মের নামে আগ্রাসী আরব শক্তির উত্থান" ঘটিয়েছিলেন, তা কী উপায়ে রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াস জানতে পেরেছিলেন বলে আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকরা তাঁদের নিজ নিজ সিরাত ও হাদিস গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তার বিস্তারিত আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে।

আল-তাবারীর (৮৩৮-৯২৩ খ্রিস্টাব্দ) অব্যাহত বিস্তারিত বর্ণনা: [1] [2] 

ইছলামী ভুয়া দাবিগুলোর ব্যবচ্ছেদ - ৩

লিখেছেন সিরাজুল হক

অনলাইনে ও অফলাইনে ইছলামী অপপ্রচার চলে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। মিথ্যা, ভুয়া ও অবাস্তব ইছলামী দাবিও নিঃশর্তে মেনে নিয়ে "আলহামদুলিল্লাহ"-র ঢেঁকুর তোলে তথ্য যাচাইয়ে অনীহ মুছলিমরা। অবশ্য কুয়ার ব্যাঙ কুয়ার বাইরের খবর রাখবে, তেমন আশা করাটাও নির্বুদ্ধিতা। 

কোরানে নাকি এমন সব বৈজ্ঞানিক তথ্য দেয়া আছে, যেগুলো নাকি সেই যুগে অর্থাৎ প্রায় দেড় হাজার বছর আগে অজানা তো ছিলোই, এমনকি কোরানে উল্লেখিত সেই তথ্যগুলো নাকি সাম্প্রতিক বিজ্ঞান সবে আবিষ্কার করছে!

আমি সেই অপপ্রচারগুলোর তথ্যনিষ্ঠ জবাব দেবো এক এক করে।

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৭

হাদীসের প্রথম পাঠ - ০৫

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ


জিহাদ-যুদ্ধ-ধর্মযুদ্ধ

মক্কায় অবস্থানের সময় (নবী হিসেবে ১৩ বছর) মুহাম্মদ আপাতদৃষ্টিতে শান্তিপ্রিয় বাণীপ্রচারক ছিলেন, যদিও এ মত একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়! দুর্বল মানুষ যেভাবে রাগ-ক্ষোভ বুকের ভেতর পুষে রাখে, মুহাম্মদ ছিলেন ‍ঠিক তেমন জাতের মানুষ। মদিনায় এসে ক্রমশ মুহাম্মদের আসল মরুদস্যু-রূপ প্রকাশ পেতে থাকে, আর তাতে ঘি ঢালতে থাকে মক্কার ১৩ বছরের জমে থাকা রাগ আর ক্ষোভ! চলুন, হাদীসে সন্ধান করি মুহাম্মদের মরুদস্যু-রূপ।

কুদরতিক্রিয়া - ১৭

লিখেছেন গরিব অল্ফ সিক্কিত মাদেসার হুজুর কুদরত আলি

৪৩.
বুলি নাই... বুলি নাই...
৫ ই মের শাফলা সত্তরে সেক হাসিনার ফুলিস বাহিনির হাতে ফুটকির মইদ্দে লাডির ফিডা গুলা আজো বুলি নাই...

সফি হুজুর, আমার ফুটকি তেকে লাডির বারির দাগ একনো যায় নি। অতস আজিয়া আফনি সেই হাসিনার সাতে আতাত কইল্লেন! মুনে রাকবেন, আমার ফুটকির দাগের সাতে বেইমানি কইল্লেন সফি হুজুর। আফনি আর আফনার সেলে মিলে ত কুটি কুটি টেকা কামাই কইল্লেন। অতস আমার ফুটকির জইন্ন ফাচ টেকার মলম কিনিও দিলেন না, হুজুর। কুনু দিন একটু কুজ নিয়ে দেইকলেনও না কেমুন আচে আমার ফুটকির সেই দাগগুলু।

ফ্রতি বসর ৫ ই মে আইসলে মুনে ফড়ি যাই ফুলিসের লাডির আগাতে কত-বিক্কত আমার সেই ফুটকি নিয়ে রাইতের আদারে কান দরি ফলায়নের কতা। দির্গ একমাস কি যে যন্ত্রনা বুগ করাসি, তা আমার মুনে তাইকবে, হুজুর। বুকের বেথা বুকে সাফা দিয়ে তবুও আফনাক সুন্মান করে যাবো, হুজুর। কিনতুক মুনে রাইকবেন, হাজার আলিমের কত-বিক্কত ফুটকির মাজে দারিয়ে আফনি সেক হাসিনার সাতে কানা কাইলেন।

৪৪.
মুরতি হডাও...
সারা দেসে কাডল গাস লাগাও...

৪৫.
আমাগের মাদেসায় বইশাকি সেসনে মাসটর্স বরতির জইন্ন আবেদন ফকরিয়া সুরু হইতেসে। যারা যারা আমাগের মাদেসায় মাসটার্স বর্তি হতি সান, তারা সিগ্রই আবেদন ফত্র ফুরন করে মাদেসার কেরানি মুহাম্মদ ইচলাম (ছুট) এর কাসে জমা দিন। ইংরাজি মাইদ্যম তেকে যারা মাদেসায় মাসটর্স কইত্তে আইসবেন, তাদেরকে বিশেস যত্ন সহকারে ফড়ানু হবে।

এসাড়াও রয়েসে আবাসিক সুবিদা সহ উন্নত মানের সাত্রাবাস ও লজিং। গরিব কওমি সাত্রদের বিসেস বিত্তি ফ্রদান করা হবি। বিএচচি সাত্রদের কে মেদা তালিকায় উফরে রাকা হবে, তাদের জইন্ন তাইকবে বিসেস মেদা ফুরুস্কার। আজই আমাগের মাদেসায় মাসটর্স বর্তি হয়ে দুনিয়া ও আকিরাত এ বিসেস নেকি হাসিল করুন। বর্তি ফকরিয়া সইলবে আগামি ৩ মাস বেফি।

সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৭

নিমো হুজুরের খুতবা - ৪১

লিখেছেন নীল নিমো

জাহান্নামি নাস্তিকদের যন্ত্রণায় ঠিকমত কোরান তেলোয়াত করতে পারছি না। আজকে আমি সুরেলা কন্ঠে, মাখরাজ গুন্না সহকারে কলকলা হরফ সঠিকভাবে উচ্চারণ করে কোরান তেলোয়াত করছিলাম। যার বাংলা অর্থ নিম্নরূপ:

"হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ত করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পণ করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য - অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।" [কোরান ৩৩:৫০]

এক নাস্তিক আমাকে বাধা দিয়ে জিজ্ঞাস করল:
- হুজুর, "নবীজির অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে" বলতে আল্লাহ কী বুঝাচ্ছেন? নবীজির কী এমন অসুবিধা ছিল?

আমার মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। আমি তাকে তেতুল তত্ত্ব শুনিয়ে দিলাম:
- তেতুল দেখলে জিভে যেমন পানি আসে, ঠিক তেমনি মেয়ে মানুষ সামনে পড়লে ... এই পানি আসে। এইটা মুসলমান ঈমানদার পুরুষ মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা। যদি পানি না আসে তাহলে বুঝতে হবে আপনি পুরুষ না।

নাস্তিক বলল:
- হুজুর, কিছুই বুঝলাম না।

আমি উত্তর দিলাম:
- আপনি আন্ডারওয়ার পরেন কেন? নিশ্চয়ই বিব্রতকর অসুবিধাজনক পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে? নবিজী আন্ডারওয়ার পরিধান করতেন না। তাই নবীজির অসুবিধা দূর করতে আল্লাপাক উপরোক্ত আয়াত নাজিল করেছেন।

মুর্খ নাস্তিক বলিল:
- হুজুর, কিছুই বুঝলাম না।

আমি প্রচণ্ড রেগে গিয়ে বললাম:
- ওরে জাহান্নামি নাস্তিক, তুই awkward boner লিখে গুগলে সার্চ দে।

গুগলে সার্চ দিয়ে নাস্তিক এসে বলিল:
- ছি, ছি, ছি নবীজিরে অনেক ভাল মনে করছিলাম। নবিজির কি ২৪/৭ awkward boner হয়ে থাকত?

আমি বলিলাম:
- আস্তাগফিরুল্লাহ, কোরানের সব কিছু নিয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করা ঠিক না, ঈমানে ঝাকুনি লাগতে পারে।

নাস্তিকদের অবাধ ও বিকৃত যৌনাচার

লিখেছেন আক্কাস আলী

সব সময়ই তো মুমিনদের লুঙ্গি ধরে টানাটানি করি, মহামানবদের নামে কুৎসা রটাই। একজন নাস্তিক হিসেবে আজ নিজেদের সম্পর্কে কিছু বলতে চাই। নাস্তিকদের একদম তলের খবর বলতে পারেন। অধিকাংশ নাস্তিকই সেক্সের ব্যাপারে একদম লাগামছাড়া, অজাচারে অভ্যস্ত বিকৃত যৌনতার লোক। ফেসবুকে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং বাস্তব জীবনে ব্যক্তিগত পরিচয়ের সুবাদে অনেক নাস্তিক বন্ধুরই কিছু গোপন কথা আমি জানি, যা আজ জনসম্মুখে প্রকাশ করে দেবো, তাদের আপত্তি সত্ত্বেও। তো চলুন, কিছু রসময় কাহিনী শুনি।

➤ কেস স্টাডি ১:
মিনহাজুল ইসলাম পাটওয়ারী (ছদ্মনাম), মুক্তমনা এই বন্ধুটি সম্পর্কে না বললেই নয়। মিনহাজ ভাই বিড়ি সিগারেট একদমই পছন্দ করেন না, তবে ড্রিংস করেন রেগুলার। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই ২/৩ টা মেয়েবন্ধু সহ ফুওয়াং ক্লাবে গিয়ে ড্রিংস করেন, করেন নাচগান... ফস্টিনস্টি... একটা কথা না বললেই নয়, তিনি সবকিছুই দলীয়ভাবে করতে পছন্দ করেন, হোক সেটা বেড়াতে যাওয়া কিংবা সেক্স করা।

রবিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৭

আমাদের মায়েরা

লিখেছেন পুতুল হক

কিছুদিন ধরে দেখছি, পাড়ার মসজিদে এশার নামাজের পর আরবি বর্ণমালা, কোরআন, হাদিস শেখানো হচ্ছে ছেলে-বুড়ো সবাইকে। ঘরে ঘরে জিহাদি বুঝি এবার তৈরি হবেই হবে।

একটা পরিবারে কোনো সন্তানের মাথায় যখন জিহাদের ভূত চাপে, তখন সে পরিবারের সবার ওপর দিয়ে কী যে দুঃসহ ঝড় যায়, তা আমি কাছ থেকে দেখেছি। আমার একমাত্র চাচাতো ভাই মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে পড়তো। আমিও তখন ছোট। স্বাভাবিকভাবে ছোটবেলা থেকেই মোল্লা টাইপ কথা বলত। মুরুব্বিরা সেসব কথা হেসে উড়িয়ে দিতেন। সে যখন মাত্র ক্লাস ফোরে বা ফাইভে পড়ে, তখন থেকে সে তার মা, বোনদের পোশাক ও চলাফেরার ওপর খবরদারি আরম্ভ করে।

ইস্টার বিষয়ে বিস্তর বিভ্রান্তি

যে কোনও ধর্মগ্রন্থ মানেই পরস্পরবিরোধী বাণীর খনি। এই যেমন, বাইবেল (শব্দটিতে এ-কারের বদলে আ-কার বসাতে গিয়েও নিজেকে সামলে নিলাম) নামের ঐশী কিতাবে পরস্পরবিরোধিতার সংখ্যা কতো, কে জানে! তবে একটি সাইটে ১০০০ টি অসঙ্গতি উল্লেখ করা আছে। অবাক হবার কিছু নেই। আদিম কালের মরু-মেষচালকদের রচনা তো এমনই হবার কথা। 

ইস্টার: পোস্টার-কার্টুন-ছবি

বাইবেল নামের ফিকশনে উল্লেখিত কাল্পনিক চরিত্র যিশু ক্রুশবিদ্ধ হবার তিনদিন পর নাকি আবার জীবিত হয়ে ওঠে। তার সর্বক্ষমতাময় বাপ কেন যে তাকে মরতে দিয়েছিল, আবার পরে বাঁচিয়েই বা তুলেছিল কেন, কে জানে! খ্রিষ্টধর্ম মতে, সে মরেছিল তার অনুসারীদের পাপের ভার নিয়ে। তার অনুসারীদের সঙ্গে এই ছিলো তার চুক্তি। কিন্তু তা-ই যদি হবে, তাহলে আবার জীবন্ত হয়ে উঠে সে কি চুক্তি লংঘন করলো না?

সর্বমোট ন'খানা পোস্টার-কার্টুন-ছবি।


শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৭

এক ঈশ্বরের সাথে বাক্যালাপ

লিখেছেন সরকার আশেক মাহমুদ

আজ বিকালে হাঁটার সময় হঠাৎ এক পরিচিত ঈশ্বরের সাথে দেখা হয়ে গেল। তবে এই ঈশ্বর ভদ্রলোক এখন রিটায়ারমেন্টে আছেন। তাঁর গ্রীক নাম Mr. Poseidon, তবে রোমানরা তাঁকে ডাকে Neptune নামে।

একদা তিনি খুবই প্রতাবশালী পূজনীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। অথচ সমুদ্র-দেবতা হওয়া সত্ত্বেও ইদানীং তাঁকে কেউ পাত্তাই দেয় না। ভদ্রলোককে দেখলে খুব মায়া হয়। তাই আজ আবার বললাম, "কী খবর, কেমন আছেন?"

"তুই আবার এসেছিস, দূর হ এখান থেকে!" বয়সের ভারে অবসরকালীন বিরক্তিতে এবং সম্মান হারাবার দুঃখে বেচারা একটু বদমেজাজিই বটে।

আমি বললাম, "এত চ্যাতেন কেন, একদিন না একদিন সবাইকেই অবসরে যেতে হয়। একটু ভেবে দেখুন তো, আপনার সমসাময়িক কতজন তাঁদের পজিশন ধরে রেখেছেন এখনও পর্যন্ত?" এই বলে Wikipedia থেকে অন্যান্য সমুদ্রে দেব-দেবীগণের অতিকায় তালিকা থেকে নাম পাঠ করা শুরু করলাম।

কিন্তু তিনি আমাকে থামিয়ে দিলেন, বললেন:
- ঐ থাম থাম! আগে বল, আমাদের সবাইকে অবসরে পাঠায়ে লাভ কী হইছে?

আমি বললাম:
- মানে?

- দ্যাখ, আগেও তোরা একাধিক ঈশ্বর থাকলেও মারামারি কাটাকাটি করতি, এখনো এক ঈশ্বর বানিয়েও মারামারি চালাইয়া যাচ্ছিস। কোনো সমস্যার সমাধান হইছে? তোরা মরুভুমির ঈশ্বর মানলেই কী আর সমুদ্রের ঈশ্বর মানলেই কী! কামড়াকামড়ি থামবে না। মাঝখান থেকে আমার ইজ্জত গেল - দেশ-বিদেশের আদমেরা আইসা এখন আমার লগে সেলফি তোলে।

আমি তাঁর তীক্ষ্ণ ত্রিশূলের দিকে তাকিয়ে আর তাঁর উগ্র মেজাজ লক্ষ্য করে প্রস্থান করলাম। ঈশ্বরদের সাথে গঠনমূলক আলোচনা করার চেষ্টা করা আসলে অর্থহীন।

বিশ্বাসের দরজায় করাঘাত!: পর্ব ১৯ – (আল্লাহ ও ইসলাম অনুসারে - হাদীস মানা হারাম!)

লিখেছেন নরসুন্দর মানুষ


কিছুদিন ধরে ইন্টারনেটে অষ্ট্রেলীয় শিয়া ইমাম শেখ মোহাম্মদ তাওহিদী-র (Imam Shaikh Mohammad Tawhidi) কিছু ভিডিও চোখে পড়ছে! তিনি সরাসরি হাদীস সংকলন সহিহ্ বুখারী-কে নিষিদ্ধ করার কথা বলছেন! তার মত অনুসারে, এই আধুনিক যুগে ইসলামের সকল ভুল ব্যাখ্যা, অনাচার আর জঙ্গিবাদের মূলে আছে বুখারীর হাদীস সংকলন! এ নিয়ে ইতিমধ্যেই সুন্নী ইমামদের জ্বালাপোড়া শুরু হয়ে গেছে! আগ্রহীরা গুগল করে সত্যতা যাচাই করতে পারেন।

বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা - ৫

লিখেছেন ইমানুল হক

৭.
শুক্রবার গটেছে গটনাডা। জুম্মার নামাজে গেছি সহাল সহাল। নতুন বিবি (৩ নম্বর বিবি) মজ্জিনাই ফাঞ্জাবি-টাঞ্জাবি ফড়াই, খাওয়াই নামাজে পাডাইছে। অযু কইরা মজ্জিদে বইছি, হুজুরে দেহি খুতবা পাট কইত্তাছে। হুজুর কইতাছে:

- বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আল্লাতালার বড়ই মেহেরবানি যে, তিনি আমাগের উফর কুরআন অবতীর্ণ করেচেন। আমাগের মুচলিম ইসেবে ফেরন করেচেন। আমাগের ফ্রিয় নবি অযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর উম্মত ইসেবে দুনিয়াত পাঠিয়েচেন। চুব্যানআল্লাহ। আজ আমরা জানমু, আল্লাহ জান্নাতে মুমিনগো লাইগ্যা কি কি নিয়ামত রেখেচেন, তা নিয়ে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেচেন, "জান্নাতবাসীরা জান্নাতের মধ্যে পানাহার কইরবে; কিন্তু পেশাব-পায়খানা কইরবে না, তারা নাক ঝরাবে না।" বলুন চুবানাল্লা।

সবাই সমশ্বরে বইল্লাম, "চুবানাল্লা। হুজুর কতা চালাই গেলেন:
- এছাড়াও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আরো বলেন, "মহান আল্লাহ বলেচেন, 'আমি আমার ফুণ্যবান বান্দাদের জইন্য এমন জিনিস ফ্রস্তুত রেখেচি, যা কুন চক্ষু দর্শন করেনি, কুন কর্ন ছ্রবন করেনি এবং যার সম্পর্কে কুন মানুষের মনে ধারণাও জন্মেনি। (সূরা সাজদাহ ১৭) (সহীহুল বুখারী ৩২৪৪, ৪৭৭৯,৪৭৮০)। সিষ্টির সেরা মাক্লুকাতকে আল্লাহ এমন জিনিস বেস্তে দিবেন, যা কেউ দেকেনি, ছোঁয় ও নি। আলামদুলিল্লা। তাচাড়া বুখারী-মুসলিমের আর এক বর্ণনায় আচে যে, "জান্নাতে) তাগের পা হবে স্বর্ণের, তাগের গায়ের ঘাম হবে কস্তুরীর ন্যায় সুগন্ধময়। তাগের ফ্রত্যেকের জইন্য এমন দুইজন স্ত্রী তাইকবে, যাগের সৌন্দর্যের দরুন মাংস ভেদ কইরা ফায়ের নলার আড়ের মজ্জা দেহা যাইবে। তাগের মইধ্যে কোন মতভেদ তাইকবে না। ফারস্ফরিক বিদ্বেষ তাইকবে না। তাগের সহলের অন্তর একডা অন্তরের মত হবে। তারা সহাল-সন্ধ্যায় তাসবীহ পাঠে রত তাইকবে।" আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সুবাহানঅতায়ালা এই চকল নিয়ামত রেকেচেন শুধু উম্মতে মুহাম্মাদীর জইন্য। বলেন চুবানাল্লা।

আমি সবাইর সাত সাত কই উটলাম, "চুবানাল্লা"। হুজুর এইটা কইয়া, যে যে সুন্নত ফরে নাই, তাগের সুন্নত ফড়ার জন্য বইল্ল্যেন। নামায ফইত্তে দারাইলাম। আর মনে অই গেল হেই হুরির কতা, যেইডা মাত্রই হুগুুর বইন্যনা কইল্ল্যেন। তাগের ফায়ের মাংস নাকি বের হইয়া নলার মজ্জা দেহা যাইব। আরে কত চুন্দর!! যদি এই দুইন্যায় ফাইতাম, তালি দিন রাইত তারি লই আদর ছোহাক কইত্তাম।

এই কতা ভাইবতে ভাইবতে নিজেরে আটাকাইতে পাইরলাম না, চুরা পরার আগেই কাম অইয়া গেল। আমি নামাচ থুই বাড়ির দিকে জোরে আটা দিলাম, ওদিকে জইল্লার বাফে ফিছন থিকি ডাইক পাইত্তাছে... ও ইমানুইল্লা কই যাও, এদিকে আমি তার কতায় কান না দিয়া তারাতারি বারি ফিরি আমার ছোড বোউ মজ্জিনারে কুইজতে লাইগলাম। দেহি, আমার বউ পাশের বারির মাইয়াডার লগে ফুতুল খেইলতেছে। আমি যাই লাথি মাইরা ফুতুল কেলা ভেঙ্গে দিলাম আর তারে ফুতুল কেলা থেইক্যা উঠ্যাইয়া টাইন্তে টাইন্তে গরের সিকল লাগাইলাম। এরপর নিজেরে ঠান্ডা করি ফরজ গোসল কইত্তে চইল্লাম।