আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বোরখাতেও আছেন, বিকিনিতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি জলাশয়েও আছেন, মলাশয়েও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি উটমূত্রেও আছেন, কামসূত্রেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি আরশেও আছেন, ঢেঁড়শেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি হাশরেও আছেন, বাসরেও আছেন

বুধবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

ইমানুলের ধর্মকথা- ১৭

লিখেছেন ইমানুল হক

আমার ফ্রতিবেশি বন্দু জইল্যা ফছন্দ করেসে তাবারক মোল্লার বড় মাইয়া আমেনা রে। বয়স ১১ বস্যর। জইল্যা গডনাডা আইজ জুম্মার নমাজের ফর আমাক কুলি বইল্য। 

আমি বইল্লাম, "এইডা ত বালা কতা। তুমি ত বেড়া-ছাগল ফালন করি মাসে বালা ট্যেহা ইনকাম কর। তা সমুস্যা কি?" জইল্যা আমাক বইল্য, "বাই এই কতা হুনি তবারক মোল্লা ত আমার উফ্রে একেবারে ক্ষেপা। আমাক তার বারির চৌয়াদ্দিতে দেইক্লে গজারি নিয়া নিকি হোগার ছাল তুলি পেইলবে। আর বিয়ার আয়ুসও নিকি মিডাই দিবে। একন কি করি? আফনিই আকমাত্তর বরসা। আফনি ত আমার বড় বাই, আফনিই ফারেন আমাক উফকার কইত্তে।" আমি আসসোস্ত করি কইলাম, "আচ্চা, দেকি চলো, আমেনা মাইয়াডা বালাই ডাঙ্গর অইচে। মায়ের মতই সইল্যের গডন। দেইক্লেই মনডা বরি যায়। তুমার বিয়া ডা ফাকা কইত্তে ফাইল্যে আমারও উফকার অয়। মোল্লার বিবি সুপিয়াক বেশি বেশি দেইকতে ফাইরবো। বিয়ান ইসেবে বাড়িত গেলে কেউ রাগও কইত্তে ফাইরবে না।" যাওক, বাড়িত গিয়া দেকি মোল্লা বাত কাইচ্চে।
জইল্যারে বাড়ির বাইরে রাকি বিতরে ডুকে দেকি, আমেনা আর অর ছুডো বাই মুবারকও মাংস দি বাত খাইচ্চে। সুপিয়া বেগম পাংকা দি বাতাস কইত্তেসে। তবারক আমাক দেকি উৎপুল্লু চিৎে বইল্য, "কি বাই গরিবের গড়ে আইজ কার ফা পইল্য!" আমি তাক জিগাইলাম, "কেমুন আচো তবারক?" তবারক আসিমুকে বইল্য, "বালা আচি ইমানুল বাই। আপ্নে বালা আচেন ত?" আমি ফইত্তুত্তর দিলাম "আলামদুলিল্লা। আল্লার রয়মতে বালাই আচি।" তবারক বইল্য, "ইমানুল বাই বহেন, এই গরিবের লগে খানাতে শরিক অন।" আমি কুশি মনে সুপিয়া বেগমের আতের রান্না কাইতে বই ফইল্যাম। কাইতে কাইতে আমি মুল কতাকান শুরু কইল্যাম, "শুনো মিয়া, তুমার বন্দু আমেনাক নিকি কুব ফচন্দ কইচ্চে। এই ব্যাফারে তুমার চিন্তা-বাবনা কি?"  

আমার কতা হুনি তবারক মুকে একনলা বাত নি প্যাল-প্যাল করি আমার দিক তাকাই রইলো। অতফফর বইল্য, "আপ্নে ইডা কিতা কন? জইল্যা ত আমার লেংডা কালের বন্দু আপ্নে জানেন। তাচারা আমার ফুলা মাইয়া তাক চাচা বলি ডাকে। তাচারা ছুডো কালে আমার ফুলাপাইন অর কুলেও উটচে। আমি কিবাবে এই বিয়াত সম্মতি দি? আওফানার বিবেকে কি কয়?" আমি তাক রেগে মেগে কইলাম, দেহ মোল্লা, ইচলামে বিবেকের কুন জায়গা নাই। তুমি কি জানোনা, আমাগের ফ্রিয় নবি যকন তার বন্দু আবু বকর(রা:) কে বইল্যেন যে আমি আয়শাক বিয়া কইত্তে চাই। তকন আবু বকর(রা:) বিয়ার ব্যাফারে আফত্তি জানাইলে, নবিজি তাক কইলেন, তুমি আমার কাচে আল্লার দ্বীনের আর কিতাবের বাই কিন্তু আয়িশা(রা:) আমার জইন্ন্য হালাল। হেই ইসেবে জইল্যাও চাইলে আমেনাক বিয়া কইত্তে কুন সমুস্যা নাই। আদীসে পস্টবাবে আচে ‘উরওয়াহ (রাঃ) বন্যনা করেন যে, নাবী চল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াচাল্লাম আবূ বাকর (রাঃ)-এর কাচে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর বিয়ের পয়গাম দিলেন। আবূ বাকর (রাঃ) বইল্যেন, আমি আপ্নের বাই। নাবী চল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াচাল্লাম বইল্যেন, তুমি আমার আল্লার দ্বীনের আর কিতাবের বাই। কিন্তু হে (আয়িশা(রা:) আমার জইন্য হালাল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭১০) বইঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ), অধ্যায়ঃ ৬৭/ বিয়ে। হাদিস নম্বরঃ ৫০৮১। বুইচ্চনি? আমার কতা হুনি মোল্লার চোকদুইকান ছলছল করি উইটলো। অতফফর তবারক মাতা নিচু করি বাতের দিক চাই রইলো। আমি বুইজতো ফাইল্যাম, নিরবতা সম্মুতির লক্কন। এরফর আমি মোল্লার পিডে আত রাকি কুশিমনে বইল্যাম, "তবারক, দেহ আইজ ইমানের ফরিক্কায় তুমি ফাস কইল্যে। আইজ বিবেকের কাচে ফ্রকিত ইচলামের জয় অইলো। আল্লাহুয়াকবার।"

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন