আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বোরখাতেও আছেন, বিকিনিতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি জলাশয়েও আছেন, মলাশয়েও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি উটমূত্রেও আছেন, কামসূত্রেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি আরশেও আছেন, ঢেঁড়শেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি হাশরেও আছেন, বাসরেও আছেন

সোমবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১২

কুফরী কিতাব: সাতটি লিংক + একটি বিনোদন

একবারে বেশ কয়েকটি ডাউনলোড লিংক।

লিংকগুলোয় রাইট ক্লিক করে save link/target as বেছে নিন।

(১.৯৩ মেগাবাইট) 

(৯৮২ কিলোবাইট) 

(১.৭৩ মেগাবাইট) 

(২.২৪ মেগাবাইট) 

(১.৭২) 

(৪৫০ কিলোবাইট) 

(৭৯৪ কিলোবাইট) 

এবং 

Big D পাঠিয়েছেন একটি বাংলা বই। কুফরী কিতাব নয় সেটি, বরং ইছলামী বিনুদুন। বইয়ের নাম 'মুসলমানের হাসি।' সূচিপত্র থেকে উদ্ধৃতি: 
  • সাপের তৌবা
  • শিয়া সাহেবের চুমা-চাটা
  • জুতা সোজা করার বরকত
  • শিয়া-সুন্নী বাহাছ অনুষ্ঠানে জুতা চোর
  • ...
ডাউনলোড লিংক (এখানে লিংকে লেফট ক্লিক করুন। ৫.২ মেগাবাইট।)
(লিংকের পাতায় গিয়ে ওপরে বামদিকে নিম্নমুখী তীরচিহ্নে ক্লিক করে ফাইলটি ডাউনলোড করুন)

চৌদি আজবে নারীদেরকে গাড়ি চালানোর অধিকার দেয়া হলে


রাগী নাস্তিকের জবানবন্দি

আমরা কেন নাস্তিক? কেন আমরা ধর্মগুলোকে ঘৃণা করি? আমরা রাগী, উচ্চকণ্ঠ (উগ্র ধার্মিকদের মতো সহিংস নই কিন্তু!) কেন? এসবের উত্তর আবারও নতুন করে এবং অত্যন্ত অনবদ্য ভঙ্গিতে বুঝিয়ে বলছেন এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক। যারা কখনও কোনও আস্তিকের সঙ্গে বিতর্ক করেছেন, তাঁরা এই যুবকের সঙ্গে একমত না হয়ে পারবেন না।


দু'টি পোস্টার

সৌজন্য: সমালোচনা মানেই নিন্দা নয়
পাঠিয়েছেন: হযরত নালায়েক



ইসলামী ইতরামি: ত্রয়োদশ

১.
যাঁরা খবরটি এখন শোনেননি, তাঁদের জন্য: স্ত্রী মারা যাবার পরবর্তী ছয় ঘন্টা পর্যন্ত তার স্বামী তার সঙ্গে যৌনমিলন করতে পারবে। এমন একটি আইন গ্রহণের প্রস্তাব করেছে আরব-বসন্তোত্তর মিসরের সংসদ। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, মুসলিমদের সেক্স ছাড়া আর কিছু চিন্তা করার সামর্থ্য নেই... যেখানে পারছে সেক্স ঢোকাচ্ছে। বিয়ে মানে যে দায়িত্বশীলতা সেটা তাদের কে বোঝাবে? স্ত্রী মানে যে একজন মানুষ, বন্ধু, নির্ভরতার স্থান কে বোঝাবে তাদের... আল্লা মুমিনদের জন্য স্ত্রী পাঠিয়েছে শুধুমাত্র সেক্স করার জন্য... তাই মৃত স্ত্রীদেরও ছাড় দিতে রাজী না মুমিন মুসলমানরা!
(স-ভূমিকা লিংক: থাবা বাবা)

২. 
বারো বছর বয়সেই মেয়েরা বিয়ের উপযুক্ত হয়ে পড়ে - বলেছে চৌদি গ্র্যান্ড মুফতি। একটা ব্যাপার বুঝলাম না: তার মানে, সে কি স্বীকার করলো যে, নয় বছর বয়সী আয়েশাকে শয্যাসঙ্গিনী করা ইছলামের নবীর উচিত হয়নি? 

৩. 
বুজতার্লাম্না: জঙ্গি মনোবৃত্তির বলেই সে ইসলাম গ্রহণ করেছে? নাকি ইসলাম গ্রহণ করেছে বলে তার জঙ্গি মনোবৃত্তি জেগে উঠেছে?

৪.
বর্তমান বিশ্বে নব্বই শতাংশেরও বেশি অনার কিলিং সংঘটিত হয় মুসলিম পরিবারে। মানুষের জীবনের চেয়ে পরিবারের সম্মান বড়ো - মনে হয় এটা ইসলামী সমাজের সংস্কৃতি। নামাজ ও কোরান থেরাপির মাধ্যমে মেয়েকে সুপথে আনতে ব্যর্থ হয়ে মা ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করেছে তার কন্যাকে (মেয়েরাই বরাবর অনার কিলিং-এর শিকার হয়) এবং বলেছে, সে মোটেও অনুতপ্ত নয়।

৫. 
"শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা কেউ করলে মস্কো শহর রক্তে ডুবিয়ে দেয়া হবে" - ভাবছেন, কোনও ইসলামী জঙ্গির হুমকি? না, বলেছে এক মুসলিম-চেচেন, রাশিয়ার Assistant to the Chairman of the Federation Council Committee on Social Policy and Public Health. সংবাদের গুগল-অনুবাদ।

৬. 
ইসলামের শিক্ষাভীতি তো সর্বজনবিদিত। শিক্ষা অর্জনের জন্য সুদূর চীন দেশে যাওয়া বিষয়ক হাদিসের কথা মুসলিমরা বারবার বলে বটে, তবে তাদেরকে শুধু হাদিসটা দেখাতে বলবেন। দেখাতে তারা পারবে না। কারণ অমন কোনও হাদিস কখনও ছিলো না। এটা স্রেফ ছড়ানো কানকথা। আর নারীশিক্ষা তো ইসলামীদের কাছে আতঙ্কের মতো। ফাকিস্তান, আফগানিস্তানে মেয়েদেরকে অন্ধকারে রাখতে ইসলামী জঙ্গিরা বহু বছর ধরে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক একটি নমুনা: শতাধিক ছাত্রীকে বিষ খাইয়ে মারার চেষ্টা। 

৭. 

৮. 

৯. 
ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান ও সুরক্ষা। তাই চৌদি আজব অলিম্পিক দল হবে সম্পূর্ণভাবে নারীবিবর্জিত।

১০. 
ছহীহ মমিনীয় গালি মোবারক। দেখে-দেখে, শুনে-শুনে, পড়ে-পড়ে আশ না মেটে। ফেসবুকের একটা পেইজে কোনও সূত্র উল্লেখ ছাড়া ধর্মকারীর একটি পোস্ট প্রকাশিত (প্রকাশে ও প্রচারে কোনও আপত্তি নেই, তবে ধর্মকারীর নাম না দেখলে একটু খারাপ লাগে বৈকি!) হয়েছিল। লেখাটায় একটি হাদিস উল্লেখ করে একটি সরল প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেটির নিচে গালিকামিল মমিনদের গালিধারা একটি কথাই প্রমাণ করে, প্রশ্নটির উত্তর তারা দিতে অক্ষম।

১১.
নাহয় ৫১ বছর বয়সী ইরানী কুটনীতিবিদ ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী ব্রাজিলীয় বালক-বালিকাদের সঙ্গে ফষ্টিনষ্টি করেইছে! তাই বলে তাকে দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে? সে কি নবীজির দেখানো পথ অনুসরণ করার অধিকার রাখে না?
(লিংক: হযরত নালায়েক)

১২.
আচ্ছা, ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা (কোরান পড়ানোর হুজুর, আরবি-ইসলামিয়াতের টিচার, মাদ্রাসার শিক্ষকেরা) এতো প্রহারানুরাগী হয় কেন? এর পেছনে কোনও যুক্তি আছে? ফুল ছেঁড়ার অপরাধে চার ও পাঁচ বছর বয়সী দুই বালককে মাদ্রাসা শিক্ষক বেত দিয়ে পেটানোর পর তাদের বুক ও পায়ের ওপর তিনটি করে ইট দিয়ে রোদের ভেতরে শুইয়ে রেখেছিল। বালক দু'টি বলেছে, তারা ফুল তুলেছিল তাদের শিক্ষিকাকে দেয়ার জন্য।

১৩. 
ফুলের মতো পবিত্র চরিত্রের অধিকারী নবীজিকে নিয়ে কটুক্তি করায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। 

বিযুক্তির পক্ষে যুক্তি


রবিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১২

ইসলামে কাম ও কামকেলি - ০৫

মূল রচনা: আবুল কাশেম (সেক্স এন্ড সেক্সুয়ালিটি ইন ইসলাম)
অনুবাদ: খেলারাম পাঠক

(সতর্কতা: নরনারীর যৌনাচার নিয়ে এই প্রবন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই কামসম্পর্কিত নানাবিধ টার্ম ব্যবহার করতে হয়েছে প্রবন্ধে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভাষার মধ্যেও তাই অশালীনতার গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। কাম সম্পর্কে যাদের শুচিবাই আছে, এই প্রবন্ধ পাঠে আহত হতে পারেন তারা। এই শ্রেনীর পাঠকদের তাই প্রবন্ধটি পাঠ করা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। পূর্ব সতর্কতা সত্বেও যদি কেউ এটি পাঠ করে আহত বোধ করেন, সেজন্যে কোনভাবেই লেখককে দায়ী করা চলবে না।)

পর্ব ০১ > পর্ব ০২ > পর্ব ০৩ > পর্ব ০৪

এক রাত্রির খেল:

কথায় আছে - লাখ কথা খরচ করে একটি বিয়ে হয়। বিয়েতে শুধু যে লাখো কথা আর সুদীর্ঘ সময় লাগে, তা-ই নয়, দেনমোহরের বোঝাটাও কম ভারী নয়। এতসব ঝামেলা এড়াতে অনেককে তাই ‘কুইক সেক্সের’ শরণ নিতে দেখা যায়। পৃথিবীর প্রাচীনতম এই পেশাটিতে রমণীর অভাব কোনোকালে ছিল না। এক রাত্রির অতিথিদের আনন্দ দিতে তারা এক পায়ে খাড়া। আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় এই সেক্সের নাম “এক রাত্রির খেল"- ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড। বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, এই সহজ উপায়টির সমতূল্য বিধান পবিত্র ইসলামেও আছে! 

এক রাত্রির খেলার ইসলামি পারিভাষিক নাম ‘মু’তা’ - মু’তা ম্যারেজ। এই বিয়ের নিয়মানুযায়ী - একজন পুরুষ কোনো মেয়ের সাথে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে বিয়ের চুক্তি করে অনায়াসে তার সাথে সহবাস করতে পারে। যদিও সুন্নী সমাজে এই ধরনের বিয়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, শিয়াদের মাঝে এখনও তা চালু আছে। মু’তা বিয়ের মাধ্যমে সন্ধেবেলায় একটি মেয়েকে বিয়ে করে সকালবেলায় কিক আউট করা খুবই সম্ভব। তালাক-ফালাকের কোনো ঝামেলা নাই। মু’তা বিয়ে এক সাথে ঘুমানোর একটি চুক্তি মাত্র - এর বেশি কিছু নয়। উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, এক সাথে চার জনের বেশী বউ রাখা যদিও শরীয়তে নিষিদ্ধ, তবে মু’তা বা টেম্পোরারী বিয়ের ক্ষেত্রে এই বিধি প্রযোজ্য নয়। কোনো বিশেষ সময়ে একজন মুসলমান কতজন অস্থায়ী বউ রাখতে পারবে, তার নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নাই। মু’তা বিয়ের কোন টাইম লিমিট নাই। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ‘এক রাত্রির খেল’ প্রথাটি পুরোপুরি ইসলামসম্মত। মু’তা বিয়ের মাধ্যমে একজন মুসলমান ইচ্ছে করলে যে কোনো সংখ্যক নারীর সাথে দিনরাত সঙ্গমসুখ উপভোগ করতে পারে। কথিত আছে যে, নবীর (দঃ) দৌহিত্র হযরত হাসানের (রাঃ) বৈধ স্ত্রীদের অতিরিক্ত তিন শ’জন সেক্স পার্টনার ছিল (ইসলামী পরিভাষায় অস্থায়ী স্ত্রী)। এদিক বিবেচনা করলে হযরত হাসানকে সে যুগের 'ইসলামী প্লেবয়' আখ্যা দেয়া যেতে পারে। আমার বর্ণনায় আপনার সন্দেহ হচ্ছে? তাহলে নীচের সহি হাদিসটি লক্ষ্য করুন, দেখুন এক রাত্রির খেলের জন্যে সঙ্গিনী বা উপপত্নী যোগাড় করার ইসলামি নিয়ম কী?

সহি মুসলিম, বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩২৫৩: 
রাবি বিন ছাবরা হতে বর্ণিত হয়েছে যে মক্কা বিজয়ের সময় তার পিতা রাসুলুল্লাহর (দঃ) সাথে এক যুদ্ধে শরীক হয়। ‘আমরা সেখানে পনের দিন অবস্থান করি। আল্লাহর রসুল (দঃ) আমাদিগকে অস্থায়ী বিয়ের অনুমতি দেন। সুতরাং আমি আমার গোত্রেরই এক লোকের সাথে (মেয়ে খুজতে) বেরিয়ে পড়ি। আমার সঙ্গীর চেয়ে আমি দেখতে সুন্দর ছিলাম, পক্ষান্তরে সে দেখতে ছিল প্রায় কদাকার। আমাদের উভয়েরই পরনে ছিল একটি করে উত্তরীয়। আমার উত্তরীয়টি ছিল একেবারেই জীর্ণ, আমার সঙ্গীরটি ছিল আনকোরা নুতন।... শহরের একপ্রান্তে একটি মেয়ে দৃষ্টিগোচর হলো আমাদের। অল্পবয়েসী চমৎকার একটি মেয়ে, ঠিক যেন মরাল গ্রীবা চটপটে এক মাদী উট। আমরা বললাম, আমাদের মধ্যে একজন তোমার সাথে অস্থায়ী বিয়ের চুক্তিতে আবদ্ধ হতে চাই। তা কি সম্ভব? সে বলল, দেনমোহর বাবদ তোমরা আমাকে কী দিতে পার? আমরা উভয়েই তার সামনে আমাদের স্বস্ব উত্তরীয় মেলে ধরলাম। সে আমাদের উভয়ের উপর দৃষ্টি বুলিয়ে নিল। আমার সঙ্গীও মেয়েটির উপর দৃষ্টি বুলিয়ে নিল এবং বললো, ওর উত্তরীয় ছিড়ে গেছে, পক্ষান্তরে আমার উত্তরীয়টি একেবারে নুতন। মেয়েটি অবশ্য বললো, এই উত্তরীয়টি (পুরাতনটি) গ্রহণ করায় ক্ষতি নাই। কথাটি সে দু’তিনবার বললো। সুতরাং আমি তার সাথে অস্থায়ী বিয়ে সম্পন্ন করে ফেললাম এবং যে পর্যন্ত আল্লাহর রসুল প্রথাটি নিষিদ্ধ ঘোষণা না করেন, সে পর্যন্ত এই সম্পর্ক আমি ছিন্ন করিনি।
মু’তা’র শাব্দিক অর্থ উপভোগ (ডিকশনারী অব ইসলাম- টি.পি.হাফস, পৃঃ-৪২৪) প্রায়োগিক অর্থ - কিছু অর্থের বিনিময়ে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্যে অস্থায়ী বিবাহ। এই ধরণের বিয়ে ইরানে শিয়াদের মাঝে এখনও প্রচলিত আছে (ম্যালকম’স পারশিয়া, ভলিউম-২, পৃঃ-৫৯১), তবে সুন্নীরা এই ধরণের বিয়েকে অবৈধ বলে থাকে। আওতাস নামক স্থানে নবী এই ধরনের বিয়ে করতে অনুমতি দিয়েছিলেন, যা নাকি মুসলিম সম্প্রদায়ের নৈতিক মর্যাদার উপর নিঃসন্দেহে এক গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সুন্নীদের দাবী - পরবর্তীতে খায়বার নামক স্থানে প্রথাটি বাতিল করে দেন নবী। (মেশকাত, বুক নং ১২, চ্যাপ্টার ৪)।

(চলবে)

বৃথা এ প্রার্থনা


ক্যাবলামুখী ও কেবলামুখী

এতোদিন জানতাম, নামাজ পড়তে হয় কেবলামুখী হয়ে। কিন্তু একচল্লিশ সেকেন্ডের ভিডিওতে কিছু চৌদির নামাজ দেখে আমি বিভ্রান্ত। একেকজন একেক দিকে মুখ করে নামাজ পড়ছে! 


অনুগ্রহপ্রার্থী গ্রহবাসী


গাছে বেল পাকিলে... থুক্কু, কেউ নোবেল পাইলে তাতে মুসলিমের কী!

লিখেছেন ডেভলজ রিইঙ্কারনেশন

আপনারা কি জানেন যে, মুসলিমদের ১৫০ কোটি জনসংখ্যার ভেতরে আজ পর্যন্ত মাত্র ১০ জন নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন? জানি, ১০ শুনতেও অনেক বেশি লাগে, যেহেতু আমরা ভাবতাম, তিন কি চার হবে। এই ১০ জনের ভিতরে আবার ৬ জন নোবেল পেয়েছেন শান্তিতে (জ্বী, ইসলাম শান্তির ধর্ম, তাই), ২ জন সাহিত্যে আর মাত্র ২ জন বিজ্ঞানে। 

বিজ্ঞানে মাত্র যে দু'জন নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, তাঁদের একজন হচ্ছেন পাকিস্তানের আব্দুস সালাম। তিনি ছিলেন নোবেলপ্রাপ্ত প্রথম মুসলিম বিজ্ঞানী, যিনি আরও দু'জনের সাথে ১৯৭৯ সালে নোবেল প্রাইজ শেয়ার করেন। 

কিন্তু মুসলিমরা তাঁর সাথে কী রকম ব্যবহার করেছিল? তিনি কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের ছিলেন বলে সারাজীবন তাঁকে বিরক্ত করেছিল সুন্নি ও শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানরা। 


এমনকি এই ছবিতে দেখতে পারছেন যে, মৃত্যুর পরেও তারা আব্দুস সালামের পিছু ছাড়েনি। কাদিয়ানী হওয়ার 'অপরাধে' তাঁকে অমুসলিম দাবী করে তাঁর কবরের ফলকে "প্রথম মুসলিম নোবেল লরেট" থেকে 'মুসলিম' শব্দটি কেটে ফেলা হয়, যার ফলে সেখানে এখন "প্রথম নোবেল লরেট" নামে হাস্যকর একটি কথা লেখা আছে।

শ্রদ্ধেয় লুইচ্চা

বানিয়েছেন ফাওয়াদ আহমেদ


শনিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১২

মিতকথন

লিখেছেন দিগম্বর পয়গম্বর

যে মহানবীর অবমাননার কারণে আদালত ফেসবুকের পেজ/ওয়েব সাইট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে (বা অচিরেই দিবে), সেই মহানবী যদি আজ বেঁচে থাকতেন আর বাংলাদেশের নাগরিক হতেন, তাহলে সেই একই আদালত মহানবীর গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতেন। অপরাধসমূহ:
১. বহু বিবাহ
২. বাল্য বিবাহ
৩. দাস প্রথা
৪. সাম্প্রদায়িকতা
৫. নিজের কবিতা স্রষ্টার নাম দিয়ে চালানোর দায়ে ৪২০ ধারা ইত্যাদি। 

লিখেছেন ধর্মপ্রাণ প্লেবয় 

কোরান আল্লার বাণী। আল্লাহ মানুষের প্রতি যা বলেছেন, কোরানে তা-ই লিপিবদ্ধ আছে। কোরানের প্রথম সূরা ফাতিহা পড়ে দেখুন তো, এ কথা বিশ্বাস হয় কি না! এটি আল্লার কথা না মোহাম্মদের? সূরা ফাতিহা:
১. শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
২. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা' আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
৩. যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
৪. যিনি বিচার দিনের মালিক।
৫. আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
৬. আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
৭. সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

লিখেছেন শুভজিৎ ভৌমিক

হুমায়ূন আহমেদের বড় মেয়ে নোভা আহমেদ, নিজের বাবা কন্যার বয়সী শাওনকে বিয়ে করার "অপরাধে" নাকি তার সাথে কোনও যোগাযোগ রাখেন না, এমনকি কথাও বলেন না।

অনেকদিন আগে হুমায়ূন আহমেদের একটা লেখা এসেছিলো প্রথম আলোতে, নাম "তিন ডব্লিউ।" সেখানে পড়েছিলাম, এই নোভা আহমেদ আমেরিকা থেকে পিএইচডি করে বর্তমানে দেশে ফিরেছেন। পিএইচডি ডিগ্রির সঙ্গে তিনি হিজাবও নিয়ে এসেছেন।

একই পাপের জন্য দুইজন মানুষকে আচরণ প্রতিদানের কী অদ্ভুত পার্থক্য! কী করুণ পার্থক্য!

এই আহাম্মক মেয়েটি কি জানে না, যাঁর অনুসারী হিসেবে সে হিজাবের মত ঘিনঘিনে বস্তাটি পরিধান করেছে, তিনি কয়টি বিয়ে করেছিলেন? এই ধর্মছাগীটি কি জানে না, সে যার উম্মত, তার সর্বকনিষ্ঠ স্ত্রী-টির বয়স কত ছিলো?

যে-ধর্ম একই অপরাধে নিজের বাবাকে ছেড়ে এক না-দেখা "মহাপুরুষ"কে অনুসরণ করতে বাধ্য করে, যে-ধর্ম ফেসবুকে নিজের লেখক বাবাকে ছেড়ে এক অশিক্ষিত চোরের নাম "পিপল হু ইন্সপায়ার্স মি"তে অন্তর্ভুক্ত করতে উৎসাহিত করে, সেই ধর্ম অনতিবিলম্বে ধ্বংস হোক, ধ্বংস হোক, ধ্বংস হোক।

ঐশী পরিকল্পনার অংশ


জানের ওপরে ওঠা আজান

আমার এক স্কুলবন্ধু খুব চমৎকার সুরে আজান দিতে পারতো। যে কোনও ভাষায় রচিত চমৎকার সুরের সঙ্গীত আমি ভাষা না বুঝলেও খুব উপভোগ করতে পারি। কিন্তু আজান রাগে মুয়াজ্জিন হোসেন খানের শোনানো একই খেয়াল কতোবার শোনা যায় আর কতোবারই তা মুগ্ধ করতে পারে, বলুন তো? এমন কোনও গান কি পৃথিবীতে আছে, যা দিনে পাঁচবার করে শুনেও মুগ্ধতা কাটে না এবং বিরক্তিও জাগায় না? কেমন লাগার কথা, যদি সবচেয়ে প্রিয় গান দিয়েও পাঁচ বা ছয় সকালে ঘুম ভাঙানো হয় প্রতিদিন এবং যদি প্রত্যহ সন্ধ্যায় মাগরিবের সময় অল্প দূরত্বে অবস্থিত গোটা কয়েক মসজিদ থেকে ভেসে আসে কান ঝালাপালা করা সমবেত বেসুরো আজান?

খুব সম্ভব, কায়কোবাদ নামে এক মুসলিম কবির একটি কবিতা ছিলো 'আজান' নামে। সেটির প্রথম দু'লাইন ছিলো: 
কে ওই শোনালো মোরে আজানের ধ্বনি
আকুল হইলো প্রাণ, নাচিলো ধমনী।

আজানীয় অত্যাচারে আক্রান্ত ও অতিষ্ঠ আমি প্যারোডি বানিয়েছিলাম: 
কে ওই শোনালো মোরে আজানের ধ্বনি
জ্বলিল পিত্ত মম, আসিলো বমনী।

একটা ভিডিও পেলাম। তাতে আজান শুনে কুকুরের (স্মর্তব্য যে, ইসলামে কুকুর অপবিত্র প্রাণী) প্রতিক্রিয়া দেখানো হচ্ছে। আপলোডার, স্পষ্টতই ঈমান্দার মমিন, বর্ণনায় লিখেছে: Subhana'allah, dog responding to the athaan (muslim call of prayer) in jerusalem, Palestine. Every natural being on the planet praises allah and remebers him. This dog is just one example, And god is all knowing !

তবে একজন মন্তব্য করেছে: Even a poor animal cringes at this ideology of hate, destruction and murder. 


ধর্ম নানান দৃষ্টিতে


তালগাছের মালিকদের ছড়া

লিখেছেন থাবা বাবা

ঐ দেখা যায় তালগাছ
ঐ তো তাদের গাঁ,
ঐখানেতে বাস করে 
সব ছাগুদের ছা!

ঐ ছাগুরা খায় কী,
খুরমা-খেজুর চায় কি?

খুরমা তারা খায় না
কাঁঠালপাতা পায় না,
একটা যদি পায়
ঝাঁপায় পড়ে কুড়মুড়িয়ে খায়!

ফেসবুক মমিনদের জন্য জ্ঞাতব্য


শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১২

সকল ঋতুর নবী

ইসলাম সত্যিই নারীকে দিয়েছে প্রকৃত সম্মান! 

ঋতুচলাকালে নারীরা দুষিত ও অপবিত্র এবং তাদের সঙ্গ পরিত্যাজ্য - এ কথা লেখা আছে কোরানেই। নবীজি অবশ্য আরও আইন জারি করেছে। সে বলেছে, এই সময়ে নারীদের জন্য নামাজ বা প্রার্থনাও নিষিদ্ধ। 

তো নবীজি নিজে কোরানের আদেশ কতোটা মেনে চলতো, দেখা যাক শুধুমাত্র ইসলামী সূত্র ঘেঁটে উদ্ধার করা তথ্যাবলীর ভিত্তিতে নির্মিত স্লাইড শো থেকে। প্রয়োজনে পিডিএফ-ও ডাউনলোড (১৩.৪ মেগাবাইট) করে নেয়া যেতে পারে। 


দু'টি পোস্টার

অনুবাদ ও ফটোমাস্তানি: আরিফুর রহমান


পাঠিয়েছেন ডেভলজ রিইঙ্কারনেশন 


হিচ্চড় - ০২

মৃত্যুর পরে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে অনন্ত জীবন - একেবারেই অপ্রমাণিত ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এই দাবিই ধর্মব্যবসার মূলধন। 

মরণোত্তর জীবন বলে কি সত্যিই কিছু আছে? এই বিষয় নিয়ে গত বছরে অনুষ্ঠিত বিতর্কে অবিশ্বাসীদের পক্ষ থেকে অংশ নিয়েছিলেন স্যাম হ্যারিস ও তখন মৃত্যুপথযাত্রী ক্রিস্টোফার হিচেন্স। হিচেন্স সম্পর্কে হ্যারিসের স্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, হিচেন্স যা-ই করে, তা কখনওই বিরক্তকর হয় না। হিচেন্স আবারও সে কথার সত্যতা প্রমাণ করলেন। এই অনুষ্ঠানেই তিনি বলেছিলেন:
Let me just tell you something. For hundreds and thousands of years this kind of discussions would have been in most places impossible to have. Or Sam (Harris) and I would have been having it at the risk of our lives. Religion now comes to us in this smiley face, ingratiating way. Because it has had to give so much ground and because we know so much more. But you have no right to forget the way it behaved when it was strong and when it really did believe that it had god on its side.
দেড় ঘণ্টার বিতর্ক পুরোটা দেখতে উৎসাহীদের জন্য লিংক।

আর বাকিদের জন্য সেই বিতর্ক থেকে বেছে নেয়া সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশগুলোর একটি সংকলন চোদ্দ মিনিটের ভিডিওতে। দু'একটি অংশ অবশ্য আগেই ধর্মকারীতে প্রকাশ করা হয়েছিল। 


বিষ্ঠা ও বিধাতা


নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ০৯

লিখেছেন কবীর উদ্দীন

৪১. 
মন্দির, মসজিদ, গির্জা ইত্যাদি ধর্মশালার সংখ্যা দিনদিন আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে। স্রষ্টার উদ্দেশ্যে গৃহ নির্মাণের হেতু কী? তিনি কি গৃহহীন, উনার ক'টি গৃহের দরকার? অগণিত গৃহহীন মানুষ খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকে চিরকাল। স্রষ্টার চেয়ে ওদের ঘরের দরকার বেশি নয় কি? 

৪২.
একজন মহান শ্বশুর তার পুত্রবধূকে বিবাহ করে অভূতপূর্ব মহৎ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি অনেকের কাছেই মহা-অমানব হিসেবে কুপরিচিত। 

৪৩. 
আব্রাহামিক ধর্মগুলো মতে স্রষ্টার স্বৈরাচারিতার বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম বিদ্রোহ করেছিল শয়তান। যদিও এই কাহিনী ও চরিত্রগুলো বানোয়াট এবং ভুয়া, তবুও শয়তানের তীব্র আত্মসম্মানবোধ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অকপট সাহস আমার কাছে ভাল লাগে। 

৪৪. 
পয়গম্বর মানেই cheater. মহা পয়গম্বর মানে মহাcheater.

৪৫. 
আল্লা নিরাকার তবে উনার চোখ আছে কাফের-মুমিনের কর্মকাণ্ড দেখার জন্য। আল্লা নিরাকার তবে উনার মুখ আছে কাফেরদের অভিশাপ ও মুমিনদের আশির্বাদ করবার জন্য। আল্লা নিরাকার তবে তার কান আছে স্তুতিবাক্য ও ব্যঙ্গ শুনার জন্য। তিনি নিরাকার তবে উনি আরশে বসেন কী করে? 

শান্তিপূর্ণ মারণাস্ত্র

ফটোমাস্তান: দাঁড়িপাল্লা


বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১২

হ্রস্বরসবাক্যবাণ – ৩৯

১.
মুমিনের চার বিবির মধ্যে কোন বিবি জান্নাতে তার হুরীদের সর্দারনী হবে?
(থাবা বাবা)

২.
আল্লার আকার ঘোড়ার ডিমের মত।
(দাঁড়িপাল্লা)

৩.
শকুনের দোয়ায় গরু মরে না অর্থাৎ শকুনের অভিশাপে গরু মরে না অর্থাৎ দোয়া = অভিশাপ  

ধর্মজাত বিগ্যান


প্রমাণের ভারবাহী অক্ষম গাধারা

Extraordinary claims require extraordinary evidence. - কার্ল সেগান।

ধর্মগর্দভেরা দাবি করে, আল্যা আছে। কিন্তু প্রমাণ চাওয়া হলেই তারা কাবু। বেহুদা ফাল পাড়ায় তারা অপ্রতিদ্বন্দ্বী হলেও সামান্যতম প্রমাণও তারা অদ্যাবধি দাখিল করতে সমর্থ হয়নি। উপায়ান্তর না দেখে তারা তাই গবেটীয় আবদার করে বসে: "আল্যা নেই, সেটা প্রমাণ করতে পারবেন?" 

গাধামির একটা সীমা থাকা উচিত! দাবি যার, প্রমাণের সম্পূর্ণ ভার ও দায়িত্বও তার, সেটা তারা বোঝে না? না বুঝলে তারা স্পষ্টতই নির্ঘিলু, আর বুঝেও অমন আবদার করলে তারা নির্ঘাত জ্ঞানপাপী। আরও একটা কথা: আল্যা নেই, সেটা প্রমাণ করতে না পারলেই কি আল্যার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়? হয় না। এই সরল সত্যটাও তাদের ধর্মঘটে (ধর্মঘট = ধর্মপূর্ণ মস্তিষ্ক - পুরনো শব্দের নতুন ব্যবহার শুরু করলাম) সেঁধোয় না।

'প্রমাণের ভার' নামে অতীব অতীব অসাধারণ একটি অবশ্যদ্রষ্টব্য ভিডিও বানিয়েছেন খুব প্রিয় ইউটিউবার QualiaSoup. 



ধর্ম মানেই... - ০৩

পাঠিয়েছেন ডেভলজ রিইঙ্কারনেশন


ইসলামে কাম ও কামকেলি - ০৪

মূল রচনা: আবুল কাশেম (সেক্স এন্ড সেক্সুয়ালিটি ইন ইসলাম)
অনুবাদ: খেলারাম পাঠক

(সতর্কতা: নরনারীর যৌনাচার নিয়ে এই প্রবন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই কামসম্পর্কিত নানাবিধ টার্ম ব্যবহার করতে হয়েছে প্রবন্ধে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভাষার মধ্যেও তাই অশালীনতার গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। কাম সম্পর্কে যাদের শুচিবাই আছে, এই প্রবন্ধ পাঠে আহত হতে পারেন তারা। এই শ্রেনীর পাঠকদের তাই প্রবন্ধটি পাঠ করা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। পূর্ব সতর্কতা সত্বেও যদি কেউ এটি পাঠ করে আহত বোধ করেন, সেজন্যে কোনভাবেই লেখককে দায়ী করা চলবে না।)

পর্ব ০১ > পর্ব ০২ > পর্ব ০৩

পূর্বোক্ত হাদিস তিনটি ভালভাবে পাঠ করুন, পাঠক। কী মনে হয় আপনার? কেউ একজন দয়া পরবশ হয়ে বিধবা বিয়ে করলো, মোহম্মদের (দঃ) প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী তার অবস্থাটা কী দাড়ালো তা’হলে? তার বিধানকে অনুসরণ করে কেউ যদি অতি অল্পবয়েসী মেয়েকে বিয়ে করার জন্যে ক্ষেপে উঠে, তাকে খুব একটা দোষ দেয়া যায় কি? যৌন-নির্যাতনকারী হিসেবে গণ্য করাও মুশকিল, কারণ সে আল্লাহর রসুলের (দঃ) নির্দেশ পালন করেছে মাত্র। স্বয়ং রসুলের (দঃ) হেরেমে এরূপ একজন কুমারী ছিল। তিনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছিলেন যে, কম বয়েসী কুমারীর সাথে সহবাসে মজাই আলাদা। বালিকা শিশুদের সাথে সহবাসে আল্লাহপাকেরও নিশ্চয়ই সম্মতি রয়েছে। কোরানে আছে- আল্লাহ তার বিশ্বাসী বান্দাদের মনোরঞ্জনের জন্যে অক্ষতযোনী কুমারীদের অক্ষয় ভাণ্ডার প্রস্তুত করে রেখেছেন। প্রমাণ স্বরূপ কোরানপাকের গোটাকয়েক আয়াত এখানে উদ্ধৃতি দেয়া গেল। মেয়েদের কুমারীত্বের প্রতি আল্লাহপাকের কতটুকু মোহ, এ থেকে মোটামুটি তার একটি চিত্র পাওয়া যাবে।

সুরা দুখান (৪৪), ৫১-৫৪: “নিশ্চয়ই খোদাভীরুরা নিরাপদ স্থানে থাকবে, উদ্যানরাজি ও নির্ঝরিণীসমুহে। তারা ব্যবহার করবে পাতলা ও কিংখাবখচিত রেশমী বস্ত্র, পরস্পর মুখোমুখী হয়ে বসবে। এরূপই হবে এবং তাদের জন্যে রয়েছে আয়তলোচনা স্ত্রীগণ”।

সুরা আর-রহমান (৫৫), ৫৪-৫৮: “তারা সেথায় রেশমের আবরণবিশিষ্ট বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে। উভয় জান্নাতের ফল ঝুলবে তাদের সামনে। অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অবদানকে অস্বীকার করবে? তথায় থাকবে আয়তলোচনা রমণীগণ, কোনো মানব ও জ্বিন পূর্বে তাদেরকে ব্যবহার করে নাই।….প্রবাল ও পদ্মরাগ সদৃশ রমনীগণ”।
৭০-৭৪: “সেখানে থাকবে সচ্চরিত্রা সুন্দরী রমণীগণ। অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অবদানকে অস্বীকার করবে? তাবুতে উপবেশকারী হুরগণ।….কোন মানব ও জ্বিন পুর্বে তাদেরকে স্পর্শ করেনি”।

সুরা ওয়াক্কিয়া (৫৬), ৩৫-৩৮: “আমি জান্নাতের রমণীদিগকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদেরকে করেছি চিরকুমারী। কামিনী, সমবয়স্কা। ডানদিকের লোকদের জন্যে”। 

সুরা আন্-নাবা (৭৮), ৩১-৩৪: “পরহেজগারদের জন্যে রয়েছে সাফল্য, উদ্যান, আঙ্গুরবীথি। সমবয়স্কা, ইন্দ্রিয়তৃপ্তিকারী তরুণী এবং পুর্ণ পানপাত্র”।

(কোরানুল করিমঃ মাওলানা মহিউদ্দিন খাঁন কর্তৃক অনুদিত)

ওপরের আয়াতগুলি পড়লে বোঝা যায়, কেন অল্পবয়স্কা কুমারী বিয়ে করা উত্তম। কারণ আল্লাহপাক অল্পবয়েসী কুমারী মেয়ে পছন্দ করেন, তাই তিনি তার প্রিয় বান্দাদের মনোরঞ্জনের জন্যে বেহেশতে তার অঢেল সরাবরাহ নিশ্চিত করেছেন।

এজন্যেই বোধ হয় পারস্যের দার্শনিক কবি উমর খৈয়াম গেয়েছিলেন:
“স্বর্গপুরের হর্মে নাকি
দেদার হুরি বসত করে,
সেথায় দেখ অঢেল সুরার
উর্মিমুখর ঝর্ণা ঝরে”।

আল্লাহর পাক কালামেও ঠিক অনুরূপ বিবরণই রয়েছে।

(চলবে)

নিত্য নবীরে স্মরি – ৫৫

পাঠিয়েছেন Bengal Atheists 


বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১২

বিবর্তনবাদ: একটি ছাগুয়িত রচনা

লিখেছেন ধর্মপ্রাণ প্লেবয় 

নাস্তিকরা বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে লাফালাফি করে আর মনে করে, এটা প্রমাণ করতে পারলেই কোরান মিথ্যা প্রমাণ করা যাবে। কিন্তু এই বিবর্তনতত্ত্বের ব্যাপারে কোরান বহু আগেই ইঙ্গিত দিয়ে গেছে। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ কোরানে জ্ঞানীদের জন্য নিদর্শন রেখেছেন। 

বিবর্তনবাদ বলে, জীবন্ত সবকিছুই পানি থেকে সৃষ্টি হয়েছে। অথচ আল্লাহ সূরা আম্বিয়ার ৩০ নং ও সূরা নূরের ৪৫ নং আয়াতে স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, তিনি জীবন্ত সবকিছুকেই পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন। বিজ্ঞান মতে সকল জীবন্ত সৃষ্টির দেহের বেশিরভাগ অংশই পানি। বিবর্তনবাদ মতে, পানিতে বসবাসকারী জীব থেকে প্রথমে সরীসৃপ ও এরপর ক্রমান্বয়ে চার পায়ে হাঁটা প্রাণী ও দুই পায়ে হাটা প্রাণীর সৃষ্টি হয়। অথচ আল্লাহ সূরা নূরের ৪৫ নং আয়াতে তা বলে রেখেছেন। আল্লাহ সূরা আল-হিজরের ২৮ নং আয়াতে বলেছেন, তিনি মানুষকে মাটি থেকে তৈরী করেছেন। তিনি আরও সাতটি সূরায় মাটি থেকে সৃষ্টি করার কথা বলেছেন। আসলেও মানুষের শরীরে যত রাসায়নিক উপাদান আছে, সবই মাটিতে পাওয়া যায়। 

আল্লাহ সূরা আরাফে বলেছেন, "আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, এরপর আকার-অবয়ব, তৈরী করেছি।...."'We initiated your creation (khalaqa), and then we shaped you...' (7:11) (খালাকা মানে সৃষ্টি করা যেমন হয় , তেমনি বিকশিত হওয়া অর্থাৎ evolve-ও হয়।) দেখুন, এই আয়াতে একটি time gap আছে। সৃষ্টি শুরুর পরে ধাপে ধাপে আকার-অবয়ব দেয়া হয়েছে। এমন না যে রেডিমেড মানুষ তৈরী হলো। এই আয়াত নিয়ে যদি একটু গভীরভাবে চিন্তা করি, তাহলে দেখি, মানুষের যখন আকার-অবয়ব দেয়া হচ্ছিল, তখন তারা জীবিত ছিল। এটা এই ইঙ্গিত করে যে, প্রথম জীবন (first life) কাদামাটি (খনিজ পদার্থ) থেকে শুরু হওয়ার পরে এই যে আকার-অবয়ব দেয়া, এটাই বিবর্তন।

মানুষকে যে একেবারে রেডিমেড তৈরি করা হয়নি, একটা time gap যে ছিল, তা কোরানের নিম্নের আয়াতে আরো পরিষ্কার। ১৫:২৮,২৯ "আর আপনার পালনকর্তা যখন ফেরেশতাদেরকে বললেন: আমি পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুষ্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্ট একটি মানব জাতির পত্তন করব। অতঃপর যখন তাকে ঠিকঠাক করে নেব এবং তাতে আমার রূহ থেকে ফুঁক দেব, তখন তোমরা তার সামনে সেজদায় পড়ে যেয়ো।" 

মানুষের সৃষ্টি ও সময় নিয়ে আরো একটি আয়াত: ৭৬:১-২"মানুষের উপর এমন কিছু সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে, এভাবে যে, তাকে পরীক্ষা করব অতঃপর তাকে করে দিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন।" উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না" দিয়ে সেই সময়টাকেই বোঝানো হয়েছে , যখন মানুষ অন্য রূপে ছিল।

(পাঠিয়েছেন: টোস্টার)

মানুষ সৃষ্টি যে ধাপে ধাপে করা হয়েছে তার বর্ণনা:

৭১:১৪ অথচ তিনি তোমাদেরকে বিভিন্ন রকমে সৃষ্টি করেছেন। 

৭১:১৭ আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে উদগত করেছেন।

১৮:৩৭ তার সঙ্গী তাকে কথা প্রসঙ্গে বলল: তুমি তাঁকে অস্বীকার করছ, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর বীর্য থেকে, অতঃপর পূর্ণাঙ্গ করেছেন তোমাকে মানবাকৃতিতে? 

৭৬:২৮ আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন। 

৬৪:৩ তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদেরকে আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর সুন্দর করেছেন তোমাদের আকৃতি।

এছাড়াও আরো স্পষ্ট প্রমাণ আছে। আল্লাহ সুরা আদ-দাহর এর ২৮ নং আয়াতে বলেছেন, “যখন আমরা চাইব তখন তাদের অনুরূপদের আমরা বদলে দেব আমূল পরিবর্তনে।" আল্লাহ সূরা আল-আনামে বলেছেন, "তিনি যদি ইচ্ছা করেন তবে তিনি তোমাদের সরিয়ে দিতে পারেন এবং তোমাদের পরে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করতে পারেন যাদের তিনি চান, যেমন তিনি তোমাদের উত্থিত করেছিলেন অন্য এক গোষ্ঠীর বংশ থেকে।” 

বিবর্তনবাদ কি আলাদা কিছু বলে? বিবর্তনবাদ মতে, প্রথমে অস্ট্রালোপিথেকাস ও তারপর পর্যায়ক্রমে আরো কয়েকটি গোষ্ঠী হয়ে নিয়ান্ডারথাল ও সবশেষে হোমোস্যাপিয়েন্স এর উদ্ভব হয়েছে। আদম আর হাওয়া যে হুবহু বর্তমান মানুষের মত ছিল তা কি কোরানে কোথাও বলা আছে?

আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে আরবের ন্যায় একটা মরুপ্রধান দেশে একজন মানুষের পক্ষে এই তত্ত্ব দেয়াটা ছিল সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব। শুধুমাত্র কোরান ঐশ্বরিক বাণী বলেই তখনকার সময়েই এই তত্ত্ব দেয়া সম্ভব হয়েছে।

গর্দভের প্রকারভেদ


ঠিক এই ধরনের যুক্তি টিভিতে অনুষ্ঠিত বিতর্কের সময় ঈশ্বরের অস্তিত্বের সপক্ষে বিশ্বাসীর দেয়া "যুক্তি"-কে এমন ব্যঙ্গাত্মক ও বিধ্বংসী উপায়ে ধোলাই করেছিলেন স্যাম হ্যারিস, দেখে হেসে ফেলেছিলেন ধর্মীয় টিভি-চ্যানেলের উপস্থাপকও, এবং তাঁর প্রতিপক্ষ ম্লান হেসে মুখ নামিয়ে নিয়েছিলেন। 

কেউ দেখে না থাকলে (বা দেখে থাকলেও) দেখে নেয়াটা একেবারেই ফরজে আইন।

নারীসম্ভ্রম রক্ষায় প্রাণপাতে প্রস্তুত চৌদি পুরুষ


অলিম্পিকে সৌদি মহিলাদের অংশগ্রহণের বিরোধী এক ক্রীড়া ধারাবর্ণনাকারী বললো:
কোনও সৌদি নারী যদি পশ্চিমা কোনও দেশে যায়, প্যান্ট পরে, পরপুরুষদের সঙ্গে মেশে, খেলাধুলা অনুশীলন করে এবং তার নগ্নতা প্রকাশ করে (কী বুঝলেন? মহিলা ক্রীড়াবিদ মাত্রই নগ্ন!)... আমাদেরকে নিয়ে সবাই হাসাহাসি করবে। তাই এমন কিছু দেখার আগে আল্লাহপাক আমার জান কবচ করে নিক।
এক মিনিটের ভিডিও। সাবটাইটেল ও ট্র্যান্সক্রিপ্টসহ। 


Saudi Sports Commentator Fahd Al-Raoughui: I'd Rather Have Allah Slaughter Me Than See Saudi Women at the Olympic Games

Following are excerpts from an interview with by Saudi sports commentator Fahd Al-Raougui, on Line Sport TV, which was posted on Youtube on April 3, 2012.

Interviewer: Do you support the participation of women in the Olympic Games?

Fahd Al-Raoughui: Are you talking about Saudi women?

Interviewer: Of course.

Fahd Al-Raoughui: No. Woe betide whoever supports this.

Interviewer: And what if they abide by the religious restrictions?

Fahd Al-Raoughui: What religious restrictions?! These women will mix with strangers... A woman’s beauty lies in her chastity, and in how she raises her children in the private kingdom of her home.

[...]

Fahd Al-Raoughui: Women may practice sports in accordance with the religious restrictions. However, if a woman goes to the West, wears pants, mixes with strangers, practices sports, and exposes her nakedness... we may turn ourselves into laughing stocks, but I personally would much rather have Allah slaughter me before I see that day.

বিজ্ঞান ও বিশ্বাসের বিভেদ

বিজ্ঞান ও বিশ্বাসের বিভেদ:

সেই কথাটাকেই একটু ভিন্নভাবে বলেছেন ঝানু ইউটিউবার এবং খ্যাতনামা সৃষ্টিতত্ত্বপোন্দক AronRa.

মিতকথন

লিখেছেন দ্রোহী 

যে ধর্মে বোরকাকে নারীর সম্ভ্রম রক্ষার হাতিয়ার হিসাবে দেখা হয়, সে ধর্মের অনুসারীরা যে যৌনসবর্স্ব সেটা কি বলে দিতে হয়? ইসলাম নিয়ে সত্যিকার অর্থে জানেন এমন কেউ একটু বলবেন ইসলামে কেন নারীদেহ ঢেকে -ঢুকে রাখার ওপরে এত জোর দিতে বলা হয়েছে? বা আদৌ কি জোর দিতে বলা হয়েছে?

নারীদের দেহ ঢেকে-ঢুকে না রাখলে সমস্যাটা কী? ঈমান শক্ত হয়ে যায়? সেক্ষেত্রে নিজের ঈমানে ইট না ঝুলিয়ে নারীকে কেন বস্তায় ভরতে হবে?

লিখেছেন মিসির আলী

আমাকে একবার একজন বলল যে, নবীজি বিয়ে করছেন সব সামাজের কল্যাণের জন্য। উনার প্রায় সব স্ত্রীই বিধবা আর অসহায় ছিল, সুতরাং সেটা কামুক চরিত্রের পরিচায়ক না।

আমি বললাম, ভাল বলছেন জাকির নায়েক একই কথা বলে। আমি মানি নিঃসন্দেহে এইগুলা মহৎ কাজ। তো ভাই, আপনার বাবা অথবা চাচাদের কেউ যদি এমন মহান কাজ করে, আপনার কেমন লাগবে? আপনি নিশ্চয়ই পাড়ায় মিষ্টি বাটবেন তাই না? ধরেন, আপনার বাবা বয়স ৫০ অতিক্রমের পর বাজার থেকে ৩ জন বিধবা ভিখারীকে বিয়ে করলেন, আপনার তো তাকে বাহবা দেয়া উচিত। আর আপনার বোনের স্বামী যদি এই কাজ করে, আপনার কি সেটা ভাল লাগবে?

তিনি চুপ করে গেলেন।

আমি তখন বললাম, কেউ চায় না, তার বোনের স্বামী, তার মায়ের স্বামী, কন্যার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করুক আর সেজন্যই আপনাদের নবী ফাতেমা জীবিত থাকাকালীন আলীকে দ্বিতীয় বিয়ে না করার অনুরোধ করেছিলেন। কেননা তিনি জানতেন, এর যাতনা কতটুকু; মেয়েরা এর ফলে কতোভাবে স্বামী কর্তৃক নির্যাতিত হয়! আর তিনি চাইতেন না ফাতেমা এইরকম পশুর মত জীবন যাপন করুক।

আফছুছ যে, তিনি নিজের বেলায় ঠিকই বুঝলেন উম্মতের বেলায় বুঝলেন না।

লিখেছেন মহা পুরুষ 

মুণি-ঋষিরা যখন কঠোর তপস্যায় নিমগ্ন থাকতেন, দেবরাজ ইন্দ্র তখন তাদের ধ্যান ভঙ্গ করাতে অপ্সরাদের পাঠাতো। বিবস্ত্রা সুন্দরী অপ্সরাদের নাচে-গানে মুগ্ধ হয়ে মুণি-ঋষিরা তাদের সাথে শারীরিক ভাবে মিলিত হতেন এবং অন্যত্র তপস্যা করতে চলে যেতেন। এই মুণি-ঋষিদের অনেক আধ্যাত্মিক ক্ষমতা ছিল, তাদের অভিশাপের ভয়ে দেবতারা পর্যন্ত কাঁপতো। বিশ্বামিত্র এমনই একজন আধ্যাত্মিক ক্ষমতাধর মুণি যিনি কিনা বিবস্ত্রা সুন্দরী অপ্সরা মেনকাকে দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেন নি। উল্লেখ্য যে, অতি শক্তিশালী আধ্যাত্মিক ক্ষমতা এখানে যৌন উত্তেজনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ। বিশ্বামিত্রের বীর্যে জন্ম হলো শকুন্তলার, যাকে ঘন জঙ্গলে ফেলে মেনকা স্বর্গে চলে গেলেন। মানবতার চর্চার কী সুন্দর উদাহরণ! আর ইন্দ্রই বা কী মোটিভে বিবস্ত্রা অপ্সরাদের ধ্যান ভঙ্গ করাতে পাঠাতো এই বিষয়টা পরিষ্কার নয়।

নামকরণের সার্থকতা


মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১২

ছহীহ হীনমন্যতা

লিখেছেন আসিফ মহিউদ্দীন

আমরা যখন আইনস্টাইনের কথা বলি, তখন সব সময়ই বলি, আইনস্টাইন একজন জার্মান বিজ্ঞানী, বা পরবর্তী সময়ে আমেরিকান। বা ধরুন, নিউটন-ডারউইন একজন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী, নীটশে-মার্ক্স জার্মান দার্শনিক, রবীন্দ্রনাথ বাঙালি সাহিত্যিক, শেক্সপিয়র ইংরেজ সাহিত্যিক।

আমি কখনও কাউকে দাবি করতে শুনিনি, আইনস্টাইন একজন ইহুদী বিজ্ঞানী, নিউটন-ডারউইন খ্রিষ্টান বিজ্ঞানী, শেক্সপিয়র খ্রিষ্টান সাহিত্যিক ছিলেন। কিন্তু একটা বিশেষ ধরনের হিপোক্রেসী মুসলিম জনগোষ্ঠীর ভেতরে প্রায়শই দেখা যায়, যেটা হচ্ছে, তারা কোনো বিজ্ঞানী, দার্শনিক, সাহিত্যিকের নাম বলার সময় আরব দার্শনিক বা পারস্যের বিজ্ঞানী না বলে তাদেরকে 'মুসলিম' দার্শনিক বা বিজ্ঞানী বানিয়ে ফেলে! তাদের ধর্মপরিচয়টা কীভাবে যেন শুধু মুসলিমদের ক্ষেত্রেই গুরুত্বপুর্ণ হয়ে ওঠে!

মুসলিম জাতি বস্তুতপক্ষেই একটি হীনমন্য সম্প্রদায়। সত্যিকার অর্থে জ্ঞান-বিজ্ঞানে বিপুল জনসংখ্যার এই সম্প্রদায়টির ভূমিকা অত্যন্ত অল্প। দিনরাত হুর-গেলমান আর বেহেশত নামক অশ্লীল বেশ্যাপল্লী আর শুঁড়িখানার স্বপ্নে বিভোর, যৌনসুড়সুড়িমার্কা কামনা-বাসনায় দিনে পাঁচবার মাথা মাটিতে ঠোকা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বর্তমান অবস্থা তারা নিজেরাও জানে। এই হীনমন্যতাই তাদের তাড়িত করে নীল আর্মস্ট্রং থেকে শুরু করে নানান তারকাকে টানাহ্যাঁচড়া করে মুসলিম বানাবার, কালের কন্ঠের মত পত্রিকায় হাস্যকর সব নিউজ ছাপাবার, যেখানে দেখা যায়, বিভিন্ন বিজ্ঞানী ইসলাম গ্রহণ করে নূরের পথে আসছেন! নাসায় কোরান নিয়ে গবেষণা হচ্ছে, কোরানে বিজ্ঞান খুঁজে পেয়ে বিজ্ঞানীরা তা নিজেদের নামে চালিয়ে দিচ্ছে এবং মাথামোটা উটপাখি মুমিনগন সেগুলো পড়ে মাশাল্লাহ ছোভানাল্লাহও বলে। এই এরাই একটা শব্দ বারবার ব্যবহার করে, সেটা হচ্ছে মুসলিম বিজ্ঞানী, মুসলিম দার্শনিক, মুসলিম সাহিত্যিক!!! যেখানে অন্য কোনো ধর্মগোষ্ঠী কখনই দর্শন-বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য তাদের নামের আগায় তাদের ধর্মের নাম জুড়ে দেয় না। কেমন হতো, যদি বলা হতো হিন্দু কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর??? সেটা না বলে বলা হচ্ছে বিশ্বকবি, যেখানে খুব সচেতনভাবেই মধ্যযুগের মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দার্শনিক বিজ্ঞানীর নাম বললেই তার আগে মুমিনগন মুসলিম শব্দটা জুড়ে দেবেই!

পৃথিবীর ইহুদী বিজ্ঞানী (ইহুদী বিজ্ঞানী কথাটা যদিও আপত্তিকর, তুলনীয় বলেই ব্যবহার করালাম, যদিও সেই সকল বিজ্ঞানীদের বেশিরভাগই নাস্তিক বা অজ্ঞেয়বাদী ছিলেন) এই পর্যন্ত নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন সর্বমোট সেটা ৩০০-এর কাছাকাছি হবে সম্ভবত। সেই ইহুদী জনসংখ্যার একশগুণ বেশি মুসলিম পৃথিবীতে রয়েছে, সেখানে মুসলিমদের নোবেল পাবার হার দেখলে একেবারেই হাসি পায়। তিনটা না জানি চারটা, ঠিক খেয়াল নাই। হাস্যকর ব্যাপার!!!

হীনমন্যতাবোধ মানুষকে অতীতমুখী করে। তাদের কোন এক পূর্বপুরুষ কোন এক কালে ঘি খেয়েছিল, হাতে সেই গন্ধ শুঁকে তারা এক ধরনের সুখ পেতে চেষ্টা করে। মুসলিম সম্প্রদায়ও সেই কাজটাই করে। বাংলাদেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী বাংলাদেশ বা ভারতবর্ষের দার্শনিক, বিজ্ঞানীরা কী করেছেন, তার চাইতে বেশি মাতোয়ারা হন আরবের 'মুসলিম' কোন বিজ্ঞানী মধ্যযুগে কী কী করেছেন তা নিয়ে। যেখানে এই ভারতবর্ষে শূন্য আবিষ্কারের মত বিশাল ব্যাপার ঘটেছিল, গৌতম বুদ্ধ সেই আমলে আধুনিক বস্তুবাদ, সংশয়বাদের মূল কথাগুলো বলে গিয়েছিলেন, সেগুলো সম্পর্কে তাদের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। কেনই বা থাকবে? তারা স্বদেশে প্রবাসী জীবনযাপন করে, দেশের সবুজ ছায়ায় বসে আরব-ইরানের স্বপ্নে বিভোর হয়। এই দেশ তাদের কাছে মুখ্য নয়, তারা এই দেশকে আপন ভাবে না। তারা আগে মুসলমান, পরে বাঙালি!!! তারা মনের সুখে গান গেয়ে ওঠে, "মনে বড় আশা ছেল যামু মদিনায় য়াঁয়াঁয়াঁয়াঁয়াঁ"

জ্ঞান-বিজ্ঞান-দর্শন-সাহিত্য প্রভৃতি কোনো বিশেষ জাতিগোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন নয়। একই সাথে, ধর্ম বা ধর্মগ্রন্থ কখনোই জ্ঞানবিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক ছিল না। মধ্যপ্রাচ্যে একটা সময় চমৎকার জ্ঞানবিজ্ঞানের বিকাশ ঘটেছিল। তাঁরা গ্রীক এবং ভারতীয় দর্শনসহ নানান দর্শন গ্রহণ করে, তা চর্চার মাধ্যমে উৎকর্ষের দিকে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময়ের খলিফাদের চোখে ধীরে ধীরে তাঁরা পরিণত হন কাফের-নাস্তিক-মুরতাদে। তারা সেই সকল জ্ঞানীদের ক্রমশ হত্যা করে আরেক অন্ধকার যুগের সূচনা করে, যেটা এখন পর্যন্ত চলছে। যদিও বর্তমান সময়ে সেই সকল কাফের-নাস্তিক-মুরতাদ জ্ঞানীদের ছাড়া ইসলামিস্টদের গর্ব করার মত আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। সেই সময়ের প্রচলিত ধ্যান-ধারণার বিরুদ্ধাচরণ করা কাফেররা হয়ে উঠেছেন আধুনিক ইসলামিস্টের ইসলামের স্বর্ণযুগের এবং খিলাফতের স্বপ্নদোষ।

সেই সময়েই দার্শনিক আল কিন্দিকে ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগে শাস্তি দেয়া হয়। সক্রেটিসের মত ইবনে বাজাকেও হত্যা করা হয়েছে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে, স্বাধীন মতবাদ এবং মুক্তচিন্তার অপরাধে, প্রচলিত মতবাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অপরাধে। তিনি বলেছিলেন, "খাঁটি দর্শনের সঙ্গে ইসলামের সামঞ্জস্য হতে পারে না"; ইবনে রুশদকে কাফের এবং নাস্তিক খেতাব দেয়া হয়, নির্যাতন করা হয় নির্মমভাবে। ইবনে সিনা থেকে শুরু করে আল আল-রাজী সকলের বিরুদ্ধেই নানা ধরনের অভিযোগ ওঠে। আল রাজি সে সময়ে রচনা করেন কয়েকটি বই, যেগুলো হচ্ছে:
১. The Prophets' Fraudulent Tricks - ‘নবীর ভণ্ড চাতুরি’
২. The Stratagems of Those Who Claim to Be Prophets - ‘নবীর দাবিওয়ালাদের ছলচাতুরি
৩. On the Refutation of Revealed Religions ‘প্রত্যাদিস্ট ধর্মসমূহ খণ্ডন প্রসঙ্গে’

দার্শনিক, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিকদের সে সময় এই মুসলিম ধর্মান্ধরাই হত্যা করেছিল, নির্যাতন করেছিল। প্রায় প্রতিটি জ্ঞানী লোক নির্যাতিত হয়েছেন মুসলিম ধর্মান্ধদের দ্বারা। ওমর খৈয়াম, আল্লামা ইকবাল, কাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধেও ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু এখন এসে তারাই আবার সেই কাফেরদের কৃতিত্বের ভাগ বসাতে ছুটে আসে। কী হাস্যকর এদের হিপোক্রেসী।

শুধু মুসলিমদের ভেতরে নয়, পরবর্তীতে সময়ে ইউরোপে অন্ধকার যুগের সূচনা হয়। চার্চ ক্রমশ জ্ঞানবিজ্ঞান নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে। কোনোকিছুকে বিজ্ঞান হিসেবে প্রচারের জন্য চার্চ এবং বাইবেলে কী লেখা আছে, তার সাথে মিলিয়ে নেয়া শুরু হয়, যার ফলশ্রুতিতে ব্রুনো, গ্যালিলিও, কোপারনিকাসদের নির্যাতিত হতে হয়।

এই হিপোক্রেসীর অবসান যতদিন না হবে, ততদিন মুসলিমদের অতীতের স্বর্ণযুগের স্বপ্নেই বিভোর থাকতে হবে, নতুবা বেহেশতের হুর-গেলমানদের কথা ভেবেই উত্তেজিত হতে হবে। সময় হয়েছে সত্যের মুখোমুখি হবার, উটপাখির মত মাটিতে মুখ গুঁজে যদি তারা ভাবে, কেউ তাদের দেখছে না, তাতে সমস্যার সমাধান হয় না। বিজ্ঞানের ঠ্যাকা নাই কোরানে-বাইবেলে-গীতায় কি লেখা আছে তা দেখার। বিজ্ঞান নিজের পথেই চলবে, যুক্তি নিজের পথেই চলবে। কোরান-বাইবেলেরই নানা সময়ে অনুবাদ পালটে, আয়াত পালটে, শব্দার্থ পালটে বিজ্ঞানের সাথে সঙ্গতি রক্ষা করতে হবে, নিজেদের লজ্জা ঢাকতে হবে। নতুবা আধুনিক বিশ্ব তাদের নিয়ে হাসাহাসিই করে যাবে।

ঐশী কিতাব যেন ঝলসানো রুটি

অনেক আগে ধর্মকারীতে এই পোস্টারটি প্রকাশ করেছিলাম।


ডেভলজ রিইঙ্কারনেশন পাঠালেন নিচের কার্টুনটি।


অপরাধী অবিশ্বাসীরা

কল্পলোকবাসী কল্পিত এক অদৃশ্য ও সম্পূর্ণভাবে অপ্রমাণিত অস্তিত্বের সত্ত্বা এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা, মালিক, নিয়ন্তা ও ইত্যাকার ভিত্তিহীন ভুংভাং দাবির প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন বর্তমান যুগেও পৃথিবীর অধিকাংশ এলাকায় সামাজিকভাবে আত্মহত্যার সমান। অনাদিকাল ধরে এবং এখনও অবিশ্বাসীরা সমাজের চক্ষশূল, নিকটজনদের কাছেও অপাংক্তেয়, ঘৃণীত, নানানভাবে উৎপীড়িত ও অধিকারহীন। ক্ষেত্রবিশেষে অবিশ্বাস নিজের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণও বটে। 

অথচ ভেবে দেখুন, আমাদের, অবিশ্বাসীদের, 'অপরাধ' - ভুয়া দাবি আমাদের হাসির উদ্রেক করে, আমরা প্রশ্ন করতে চাই, তথ্য-প্রমাণ-উপাত্ত চাই, নিঃশর্ত আনুগত্যে আমাদের আস্থা নেই, প্রশ্নাতীত বিশ্বাস সব সময়ই যুক্তিরহিত বলে আমরা মনে করি, অলৌকিক কিছু নেই বলে আমরা বাস্তবতাকেই মানি শুধু, কু-রূপকথা কণ্টকিত কিতাবগুলোর প্রায়শ কুৎসিত বাণী অনুসরণ করা বুদ্ধি-বিবেচনার পরিচায়ক নয় বলে জানি...

এ বিষয়ে সাড়ে চার মিনিটের একটা ভিডিও দেখা যাক। বানিয়েছেন যেহেতু TheThinkingAtheist, তাই তার উৎকৃষ্ট মান সম্পর্কে নিশ্চিত থাকতে পারেন।


প্রার্থনাক্ষিপ্ত আগ্নেয়গিরি

প্রার্থনার প্রত্যক্ষ ফল:
(ছবি পাঠিয়েছেন দ্রোহী

অতএব কী করণীয়?

হা-হা-হাদিস – ৩৬

হে ঈমান্দার বান্দাসকল, তোমাদের জন্য অজস্র রসময় কথা গুপ্ত রহিয়াছে হাদিস শরিফে।
- সহীহ আল-ধর্মকারী
নবীজি বলসে, ফেরেশতারা যখন মেঘের ভিত্রে খাড়ায়া 'অচিরেই পৃথিবীতে কী ঘটতে যাইতেসে' টপিক নিয়া গপসপ করে, তখন ইবলিশেরা (বহুবচনে ক্যান, বুজতারি নাই) চামে একটা শব্দ শুইনা ফালায়, তারপর ওই শব্দটার সাথে একশোটা মিছা কথা মিশাইয়া কোনও গণকের কানে ঢাইলা দেয়।

Narrated 'Aisha:
The Prophet said, "While the angels talk amidst the clouds about things that are going to happen on earth, the devils hear a word of what they say and pour it in the ears of a soothsayer as one pours something in a bottle, and they add one hundred lies to that (one word)."
বুখারী শরিফ: Volume 4, Book 54, Number 508

ঈমান ও অন্ধকার সমানুপাতিক


সোমবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১২

লিংকিন পার্ক - ৪৫

১.
ইহুদি-, খ্রিষ্ট- ও ইসলাম ধর্মের প্রতীকগুলোর চমৎকার বিশ্লেষণ। লক্ষ্য করুন, উল্লেখিত শব্দগুলোর ওপরে মাউস নিয়ে গেলে সেসব নড়েচড়ে ওঠে, আকার পরিবর্তন করে।

২. 
আল্যা-নবীর দেশে নবীর অনুসারীরা এইসব কী করে! 

৩. 
ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের শিশুকামিতা (নিশ্চয়ই মোল্লারা এ ব্যাপারে সমধিক দক্ষ, স্রেফ প্রকাশ কম) এবং অপরাধীদের সর্বোতভাবে রক্ষা করার চার্চীয় চেষ্টা এবং প্রয়োজনে অন্য কোনও চার্চে পাঠিয়ে দেয়ার কথা সকলেরই জানা। তেমন একটি সংবাদ। এবং আরও একটি (আড়াই মিনিটের ভিডিও) দেখুন। অনেকে দাবি করে, ধর্মযাজকদের সেক্স-স্ক্যান্ডাল কমতির দিকে। তাই নাকি? শুধু আমেরিকাতেই ২০১১ সালে এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র সাতশোবার! এবং এটি সরকারী তথ্য। নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, অজানা ও অপ্রকাশিত রয়ে গেছে এর চেয়ে ঢের গুণ বেশি ঘটনার কথা। অনেকেই হয়তো জানেন না, ধর্মযাজকদের দ্বারা ধর্ষিতদের অনেকে বেছে নেয় আত্মহননের পথ। 

৪. 
ধর্মযাজক কেন ড্রাগ-চোরাচালানী? অবশ্য টেক্সাস ক্রিশ্চিয়ান ইউনিভার্সিটির ধর্মপ্রাণ ছাত্ররা অবৈধ ড্রাগের বড়োই ভক্ত। দুই মিনিটের ভিডিও দেখুন।

৫. 
শিশুদের খ্রিষ্টান চার্চের প্যাস্টর ও তার স্ত্রী তাদের তিন সন্তানকে প্রহার করে ও অনাহারে রেখেছে দিনের পর দিন। সন্তানদেরকে 'শয়তানের কবল' থেকে মুক্তি দিতে তারা এই বাইবেলীয় পদ্ধতির আশ্রয় নিয়েছিল। ফলাফল? তিন সন্তানেরই মৃত্যু। 

৬.
ব্রাজিলে একটি ধর্মীয় সম্প্রদায় আছে, যারা "পৃথিবীর শুদ্ধিকরণ ও জনসংখ্যা হ্রাস" নীতি প্রচার করে। তো এই সম্প্রদায়ের তিনজন, খুব সম্ভব, জনসংখ্যা হ্রাস করে পৃথিবী শুদ্ধিকরণের লক্ষ্যে মানুষ হত্যা করে তাদের মাংস খেতো, এমনকি প্যাস্ট্রিতে স্টাফিং হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করতো প্রতিবেশীদের কাছে। দেড় মিনিটের ভিডিও-রিপোর্ট দেখুন।

৭.
প্রার্থনা করে তুচ্ছ যৌনকেশ উৎপাটনও সম্ভব নয় - এই উপলব্ধি কবে যে হবে মানুষের! অথচ অনেক বিশ্বাসী প্রকৃত ও কার্যকরী পথ অবলম্বন করার চেয়ে প্রার্থনাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে। 'চিকিৎসা অপেক্ষা প্রার্থনা উত্তম' নীতিতে বিশ্বাসী পিতামাতার ষোলো বছরের সন্তান মারা গেছে চিকিৎসার অভাবে। নির্বোধের দল!

৮.
প্রাণ সৃষ্টি ও বিবর্তন নিয়ে নতুন তথ্য জোগাল ‘কৃত্রিম’ ডিএনএ। এবং ধর্মবাজদের কাজ বেড়ে গেল। এখন কোরান ঘেঁটে বের করতে হবে কোন আয়াতে এই কথা আগেই বলা ছিলো, অবশ্যম্ভাবীভাবে আবিষ্কার করতে হবে নানান শব্দের নতুন অর্থ...

৯. 
এক আইরিশ ধর্মযাজক এক অনুষ্ঠানে পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন শুরু করলে পর্দায় ভেসে ওঠে গে পর্নের ছবি  

১০.

১১. 
জ্যোতিষী ও আর ধর্মবাজদের ভেতরে তফাত সেই বড়ো একটা। দু'দলই মানুষের বিশ্বাস নিয়ে খেলা করে। অনুসারীরাও তাদের 'পরামর্শ' মেনে নেয় নিঃশর্তভাবে। এক জ্যোতিষীর পরামর্শে নয় বছরের এক শিশুকে জীবন্ত কবর দিয়েছিল তার পিতামাতা। ঘটনাক্রমে শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায়। 

পাকিস্তান - ইছলামী শান্তিস্তান


মরণোত্তর জীবন: আস্তিকীয় স্বপ্নদোষ

'মরণোত্তর জীবন' - এই অবাস্তব ও ভুয়া আইডিয়াটাই কিন্তু ধর্মব্যবসার প্রধান মূলধন ও আস্তিকদের সামনে ঝোলানো লালসা-জাগানিয়া লালা-ঝরানো মূলো। 

কিংবদন্তীর ব্রিটিশ কমিক গ্রুপ মন্টি পাইথন আয়োজিত টক শোর বিষয় ছিলো: মৃত্যুর পরেও জীবন আছে কি? দেড় মিনিটের ভিডিওটি দেখে পুরোই হাহাপগে! 

ভিডিওর শেষে উপস্থাপকের বলা একটি বাক্য ""Is there enough of it about?" ব্যাখ্যা করেছেন ভিডিও-আপলোডার নিজেই: translation for the people who are not British = "is there enough totty?" or "is there enough women to have sex with?" 


নির্ধার্মিক মনীষীরা – ৬১


* কার্ল সেগানের জন্মসাল ১৯৩৪; ভুলবশত ১৮৩৪ লেখার জন্য দুঃখিত। ভুলটি নজরে আনার জন্য Mohammadwasapig-কে ধন্যবাদ।

ধর্মগ্রন্থগুলোর নিরুপায় ভাব-বিবর্তন

লিখেছেন ডেভলজ রিইঙ্কারনেশন

বিজ্ঞানীরা যখন ধর্মগ্রন্থের সাথে দ্বিমত পোষণ করে এমন কিছু আবিষ্কার করে, তখন আস্তিকরা প্রথম কয়েক যুগ খুব চেষ্টা করে তার বিপক্ষে যাওয়ার। শুধু বলে, আরও প্রমাণ দাও। পরে শেষ রক্ষা যখন করতে পারে না, তখন কাটছাঁট করে চেষ্টা করে নিজেদের ধর্মগ্রন্থগুলোকে বিজ্ঞানের উপযোগী করে তুলতে। খ্রিষ্টানরা এটা করে তাদের বাইবেলে যোগ-বিয়োগ করে, আর মুসলিমরা করে কুরআনের শব্দগুলোর ভুলভাল প্রতিশব্দ ব্যবহার করে। এইজন্য আপনি যদি কোরআনের 'বৈজ্ঞানিক' আয়াতগুলোর অনুবাদ খেয়াল করেন, তাহলে দেখবেন যে, মুহসিন আলি, পিক্টহল যারা অনেক আগে অনুবাদ করেছিলেন, তাঁদের অনুবাদ এক রকম, আর নতুন যাঁরা, যেমন সহিহ ইন্টারন্যাশনাল, ডঃ ঘালি এদের অনুবাদ আরেক রকম। 


এমন ধূর্ত পদক্ষেপের পরে খ্রিষ্টানরা তৃপ্তির হাসি হেসে বলে, "আরে বাইবেলের সবকিছু আক্ষরিক অর্থে নিতে নেই। ওগুলো আমাদের সহজভাবে বোঝানোর জন্য বলা হয়েছিল।" আর মুসলিমরা বলে, "দেখেছ, কুরআনে ১৪০০ বছর আগে থেকেই এই কথা বলে আছে।" 

১৯২০ সালের দিকে আফগানিস্তানের শাসক ছিলেন বাদশাহ আমানুল্লাহ খান। কামাল পাশার মতন তিনিও চেয়েছিলেন নিজের দেশে ও জাতির উন্নতি করতে। তিনি যদি সেই সময় সফল হতেন, তবে আজ আফগানিস্তান হয়তো বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশগুলির একটি হত। কিন্তু সেই সময়ের মৌলবাদীরা, ডাকাত বাচ্চায়ে সকাও-এর নেতৃতে আমানুল্লাহর কাছ থেকে সিংহাসন ছিনিয়ে নেয়। 

আপনারা যদি সৈয়দ মুজতবা আলীর 'দেশে বিদেশে' বইটা পড়ে থাকেন, তাহলে অনুমান করতে পারবেন, তখনকার অবস্থা কী ছিল। তিনি সেই সময় আফগানিস্তানে ছিলেন। মোল্লাদের দল আমানুল্লাহর বানানো আধুনিক স্কুল কব্জা করে বই খাতা ম্যাপ, রেফারেন্স, টেবিল চেয়ার পুড়িয়ে পোলাও কোর্মা রেঁধে খেয়েছিল। তারা বলতো, আমানুল্লাহ কাফির। কারণ বিদেশ থেকে তার আনা কুফরী কিতাবে লেখা আছে যে, দুনিয়া গোল। এটা থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, সেইযুগের মুসলমানরা দুনিয়া যে সমতল তা বিশ্বাস করতো। আর এখন তারা কুরআনের ভেতর উটপাখির ডিম খুঁজে পেয়েছে! নাসারাদের নাসা যদি বাইরে থেকে পৃথিবীর ছবি না দিতো, তবে মুমিনরা এখনও বলে বেড়াত যে, দুনিয়া সমতল। 

পরিশেষে বলতে চাই, বিবর্তনবাদ মানার কারণে আস্তিকরা যদি আপনাকে বাঁদরের ছেলে মেয়ে বলে ডাকে, তবে ব্যথিত হওয়ার কিছু নেই। আগামী ৫০ বছর পর তাদের নাতি নাতনীরা জাকির নায়েকের ছেলের কথা শুনে আপনার নাতি-নাতনীকে বলবে, "আরে বিবর্তনবাদ তো কুরআনে ১৫০০ বছর আগে থেকেই লেখা ছিল। ডারউইন তো কুরআন থেকে সেই আইডিয়া চুরি করেছে।"

এমন যদি হয়?

পাঠিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা


রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১২

নিঃসীম নূরানী অন্ধকারে - ০৮

লিখেছেন কবীর উদ্দীন

৩৬. 
নবী মুহাম্মদ মৃত্যুর সময় তার নয়জন বিবি রেখে গেছেন। এবং মৃত্যুর আগে তার বিধবা বিবিদের পুনঃবিবাহ হারাম করে দিয়ে গেছেন। সত্যিই তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব।

৩৭.
কিতাবের নাম বানোয়াট শরীফ। ধর্মের নাম অশান্তি। 

৩৮. 
আল্লাপাক মোমিন বান্দাদেরকে বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে মানা করেছেন, এমনকি ওদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায়ও যেতে মানা করেছেন। সেই সদা বর্জনীয়, নিষিদ্ধ বিধর্মীদের আবিষ্কৃত প্লেনে চ'ড়ে হজ্জ করতে গেলে গুনাহ হবে না? 

৩৯. 
কুরানে আছে, কেয়ামতের দিন আটজন ফেরেশতা আল্লার আরশ কাঁধে করে আল্লাকে হাশরের ময়দানে নিয়ে আসবে। প্রশ্ন হল, আল্লা কি পঙ্গু? তাকে কাঁধে নিতে হবে কেন?

৪০.
যে নিরাকার, তার কি কান আছে? কান না থাকলে সে কী করে শুনতে পায়? আল্লা যদি নিরাকার হন, তাহলে তিন কীভাবে তার উদ্দেশ্যে উচ্চারিত স্তুতিবাক্যগুলো শুনতে পান? আর কান থাকলে তো তাকে নিরাকার বলা যায় না।

ছাগু যখন দাবাড়ু

পোস্টারটি খুঁজে পেয়েছেন ডেভলজ রিইঙ্কারনেশন


সেটির 'মুসলমানি' করেছেন দিগম্বর পয়গম্বর


ভিডিও লিংকিন পার্ক - ০১

১. 
দৈর্ঘ্য: আট মিনিট চল্লিশ সেকেন্ড

২. 
নামেই পরিচয়: Jesus, Don't Let Me Die Before I've Had Sex. সেক্স করতে খুবই মঞ্চায়, কিন্তু ঐশী কিতাব বিবাহবহির্ভুত যৌনসম্পর্ক নিষিদ্ধ করেছে। নিষিদ্ধ আত্মরতিও। তাহলে কী উপায়?
দৈর্ঘ্য: পোনে চার মিনিট

৩. 
গানের নাম Children of Evolution. গেয়েছেন Darwin & The Naked Apes. 
দৈর্ঘ্য: সাড়ে তিন মিনিট

৪. 
বর্তমানে ইসলামের অন্যতম ধারক-বাহক দেশ ফাকিস্তানে ছহীহ ইছলামী নৃত্য সংকলন। 
দৈর্ঘ্য: পাঁচ মিনিট 

৫.
বিবিসি-র তৈরি Origins Of Us নামের তিন পর্বের ডকুমেন্টারিতে দেখানো হচ্ছে, ঈশ্বর কীভাবে আদমকে সৃষ্টি করলেন, তারপর তার পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করলেন হাওয়াকে। এবং এভাবেই শুরু হলো মানবজাতির পথচলা। মাত্র ছয়-সাত হাজার বছর আগের কথা সেটা। ... একটু মজাক করলাম
দৈর্ঘ্য: তিন ঘণ্টা

৬.
আস্তিক পিতামাতার উদ্দেশে নাস্তিক কন্যার লেখা কবিতা। বেশ চমৎকার লাগলো।
দৈর্ঘ্য: প্রায় সাড়ে তিন মিনিট।

৭.
ধর্মগুলোকে কেন ব্যঙ্গ-বিদ্রূপে জর্জরিত করা দরকার? কেন বিশ্বাস ব্যাপারটিকে হাস্যকর প্রতীয়মান করা প্রয়োজন? ঠিক যেন ধর্মকারীর মনের কথাই বলছেন বায়োনিকড্যান্স।
দৈর্ঘ্য: দুই মিনিট

বৃথা শুধু ছোটাছুটি


কার্টুন দেখে আপাত দৃষ্টিতে মনে হতেই পারে, সবগুলোই তো খ্রিষ্টান চার্চ, তাহলে মজাটা কোথায়? আসলে কার্টুনটি, খুব সম্ভব, আমেরিকার পটভূমিতে অঙ্কিত, যে-দেশে খ্রিষ্টান ধর্মের শাখা-প্রশাখা-উপশাখা-পাতিশাখার সংখ্যা অগণ্য। আর এ তো জানা কথা, যে-কোনও ব্যবসার অনিবার্য পার্শ্ব-উপকরণ হিসেবে থাকে পরস্পরের সঙ্গে রেষারেষি, প্রতিযোগিতা, শত্রুতা। ধর্মব্যবসায় সেটার ব্যত্যয় হবে কেন! 

এ প্রসঙ্গে মনে পড়লো দেড় মিনিটের অসাধারণ মজাদার একটি ভিডিও ও পরে সেই ভিডিও থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বানানো একটি কৌতুকের কথা।

আরও মনে পড়লো:
GODISNOWHERE - এটাকে ভেঙে পড়া যায় দু'ভাবে: GOD IS NOW HERE অথবা GOD IS NOWHERE.
(সংগৃহীত)

রাম-করিমের গল্প

লিখেছেন নাস্তিক আলী 

করিম আর রাম দুই বন্ধু। করিম মুসলিম আর রাম হিন্দু। তারা ফেসবুকে বিভিন্ন নাস্তিক গ্রুপ, পেজ, পোস্ট দেখে ভাবল, তারাও নাস্তিক হবে। বেশ খুশি হয়ে তারা বলে বেড়াতে লাগল, তারা নাস্তিক। কিছুদিন পর দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে:

রাম: দোস্ত, আমার পোস্টটা কেমন লাগল মুহাম্মাদকে নিয়ে? বেটা কী পরিমান ভণ্ড ছিল! তাই না?

করিম: হুম...

রাম: কী রে, চুপ মেরে গেলি কেন?

করিম: দুর্গাকে নিয়ে যে-কার্টুন টা করেছি, দেখেছিস?

রাম: হুম... তবে মা দুর্গাকে নিয়া এত খারাপ কিছু না করলে ভাল হতো। সে তো মুহাম্মাদের মতো খারাপ ছিল না!

করিম: একটা কাল্পনিক চরিত্র নিয়ে মজা করলে দোষ কী? কিন্তু তুই কাজটা ভাল করিস নি। তুই নবীজিকে গালি দিলি তোর পোস্টে! আরে তিনি যদি এতোই খারাপ হবেন, তবে এতো লোক তাঁকে মানতো কেন? তুই যা-ই বলিস না কেন, ইসলাম ধর্ম তোদের হিন্দুদের মতো ভুয়া না। 

রাম: এই জন্যই তো ইসলাম শান্তির ধর্ম! বোমা দিয়ে মানুষ মারা! ৪ টা বিয়ে, ৫০ বছরের বুড়া ৬ বছরের মেয়েকে বিয়ে করে। তোদের ধর্ম তো সবচে' হিংস্র ধর্ম। ছি ছি ছি!

করিম: ওই মালুর বাচ্চা, ইসলাম নিয়া আর একটা কথা বলবি তো জবাই করে ফেলব। তোরা তো শিবের লিঙ্গ পুজা করিস। ধর্মের নামে বিধবা মেয়েদের চিতাতে দিতি। বর্ণবান তোদের ধর্মে! তোদের দেবী কুত্তার সাথে *** করে। কৃষ্ণ মামীর সাথে প্রেম করতো!

রাম: মুহাম্মাদ ছেলের বউয়ের সাথে *** করতো।

এর পর দুই বন্ধুর মধ্যে মারামারি শুরু হয়ে গেল। তাদের নাস্তিকতা সেখানেই শেষ!

সারমর্ম: ভণ্ড হতে সাবধান! সে আস্তিক অথবা নাস্তিক যেই হোক না কেন!