আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বোরখাতেও আছেন, বিকিনিতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি জলাশয়েও আছেন, মলাশয়েও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি উটমূত্রেও আছেন, কামসূত্রেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি আরশেও আছেন, ঢেঁড়শেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি হাশরেও আছেন, বাসরেও আছেন

বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০

সুশিক্ষা ও ধর্মহীনতা সমানুপাতিক


ধর্মে ব্যাপক বিশ্বাস, কিন্তু ধর্ম বিষয়ে জ্ঞান একেবারেই যা-তা পর্যায়ের, ধর্মবিশ্বাসীদের মধ্যে এ তো আমরা হরহামেশাই দেখছি। মুসলমানদের কথাই ধরা যাক (যেহেতু আমরা মূলত তাদের দ্বারাই পরিবেষ্টিত)। কোরান-হাদিস না পড়েই ওসবে অটল বিশ্বাস, গলার রগ ফুলিয়ে তর্ক করতে আসে কতোজন! নবীজির জীবন ও কীর্তি সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা নেই, তবু তাকে অনুকরণীয় ও মহাপুরুষ ভেবে বসে থাকা মানুষের সংখ্যা অগণ্য। এর পরেও ধর্ম বা নবী নিয়ে বিতর্কে আমাদেরকে, অর্থাৎ নির্ধার্মিকদেরকে, এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় প্রায়ই: "ধর্ম সম্পর্কে আপনে বেশি জানেন নাকি, মিয়া?"

আমাদের উত্তর হচ্ছে, "হ্যাঁ, জানি।" আমেরিকায় চালানো সাম্প্রতিক একটি জরিপেও দেখা গেছে, ধর্মবিশ্বাসীদের তুলনায় নাস্তিক ও অজ্ঞেয়বাদীরা ধর্ম বিষয়ে অনেক বেশি জ্ঞান রাখে।
এ প্রসঙ্গে লস এঞ্জেলেস টাইমস নিবন্ধের শুরুতেই লিখছে: "ঈশ্বর বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে কোনও নাস্তিকের সঙ্গে কথা বলুন।"

এখানে আরও বলা হচ্ছে: Atheists and agnostics also tend to be relatively well educated, and the survey found, not surprisingly, that the most knowledgeable people were also the best educated. However, it said that atheists and agnostics also outperformed believers who had a similar level of education.

অর্থাৎ শিক্ষা মানেই সুশিক্ষা নয় এবং সুশিক্ষা ও ধর্মহীনতার মধ্যে সম্পর্ক স্পষ্টতই বিদ্যমান। সত্যজিৎ রায়ের অমোঘ বাণী স্মর্তব্য: "এরা যতো বেশি পড়ে, ততো বেশি জানে, ততো কম মানে।"

নিউ ইয়র্ক টাইমস শুরু করেছে এভাবে: "যে-কোনও বিচারেই আমেরিকানরা গভীরভাবে ধর্মবিশ্বাসী, তবে তারা ধর্ম বিষয়েও গভীরভাবে অজ্ঞ।" বিশ্বাসী থাকতে চাইলে অজ্ঞ থাকাটা আবশ্যক যে! বস্তুত অজ্ঞতাই বিশ্বাসের রক্ষক। আর তাই জরিপের ফলাফলে এতোটুকুও বিস্মিত নন American Atheists-এর সভাপতি Dave Silverman। তিনি বলছেন: ধর্ম বিষয়ে নাস্তিকেরা বিশ্বাসীদের চাইতে বেশি জানে, এ কথা আমি বহুবার শুনেছি। নাস্তিক্যবাদ সেই জ্ঞানেরই ফসল। 

তিনিই ফক্স নিউজে লিখলেন: Many religious people do not read their holy books for fear of finding things they don’t like, which will force them to consider whether those easy answers are valid, and whether death is in fact permanent. In other words, religious people already have doubts, and avoid reading their Bibles to avoid addressing those doubts.

Preachers, on the other hand, know that knowledge of the Bible can often lead to atheism, so they prefer the flock listen to the preacher talk about the Bible (which the preacher can edit as he sees fit), rather than read it themselves. This is how they make a (tax free) living. 

সিএনএন-এর রেলিজিয়ন ব্লগে শিরোনাম দেয়া হয়েছে: "ধর্ম বিষয়ে বিশেষ কিছু জানেন না? আপনি একা নন।" এখানেই দশ প্রশ্নের একটি টেস্টও আছে। প্রশ্নগুলো মূলত খ্রিষ্টধর্ম বিষয়ক। আমি দশটার মধ্যে আটটার সঠিক উত্তর দিতে পেরেছি  । আমাকে বলেছে: Very Nice! You know your stuff 

এই বিষয়ে সিএনএন-এর রিপোর্ট:



মনে হচ্ছে, জরিপটি ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। আরও দু'টি টিভি-রিপোর্ট:


আলোর ক্ষীণ রেখা?

উত্তর আমেরিকার কিছু মুসলমান চমৎকার একটি উদ্যোগ নিয়েছেন।

তাঁরা বাকস্বাধীনতার সপক্ষে দাঁড়িয়েছেন। সাহিত্যিক, কার্টুনিস্ট বা অন্য কাউকে হুমকি দেয়ার ইসলামী চর্চায় তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, কোনও কার্টুন, কোরান দহন বা ইসলামের জন্য অপমানজনক বাণীর চেয়ে এই হুমকি তাঁদের চোখে বেশি বড়ো অপরাধ (আর ইসলামের চোখে?)।

প্রশংসনীয় উদ্যোগ, সন্দেহ নেই। আহ্বানপত্রটিতে কোরান থেকে উল্লেখ করা হয়েছে কয়েকটি শান্তিকামী আয়াত। যদিও প্রতিটি আয়াতের ঠিক বিপরীতার্থক অর্থাৎ জঙ্গিবাদী আয়াতও সেই কোরানেই আছে, তবু সেগুলো তাঁরা উপেক্ষা করছেন বলেই আপাতভাবে মনে হলো।

এই আহ্বান সাড়া জাগানো কোনও ফল দেবে, সে-আশা করতে পারছি না নিরাময়াতীত আশাবাদী হয়েও। তবে আমার ধারণা ভুল প্রমাণিত হলেই সবচেয়ে খুশি হবো। 

নিঃসংকোচে বলি, এই গুটিকয়েক মুসলমান ধন্যবাদ পাবার যোগ্য একটি মহৎ উদ্যোগ নিয়েছেন।

জর্জ কারলিন: ফেরেশতা


অবাক হয়ে ভাবি, কী অবিশ্বাস্য অবলীলায় তিনি লক্ষ্যভেদী ব্যঙ্গ করেন!

ইসলামী ইতরামি: মুসলিমমানস


একেবারে টিপিক্যাল মুসলিম চরিত্র আবারও প্রকাশ পেলো। পাথর নিক্ষেপ করে হত্যার বর্বর ইসলামী রীতির চর্চায় তাদের অনুভূতি আহত হয় না। তেমন খবর কানে গেলে চোখে পড়লে বা শুনলে তারা তসবিহ গুনতে শুরু করে অথবা পরম করুণাময়ের এবাদতে মনোনিবেশ করে।

কিন্তু পাথর ছুঁড়ে হত্যার রীতি নিয়ে কেউ কৌতুক বললে তাদের ইসলামী চেতনা তথা ধর্মানুভূতি আহত হয়ে, ক্ষিপ্ত হয়। নিউজিল্যান্ডের পূর্ত মন্ত্রী নিচের কৌতুকটি বলে মুসলিমদের ধর্মীয় চেতনায় তীব্র আঘাত হেনেছেন বলে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগপত্র পাঠিয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা দাবি করেছে:
- What is the difference between Muslims and Kiwis? 
- Muslims get to commit adultery and get stoned, Kiwis get stoned and commit adultery.

কৌতুকটিতে কোনও অতিরঞ্জন নেই, আছে নিরেট সত্য। গায়ে তো লাগবেই! 

হে সর্বশক্তিমান-পরমকরুণাময়-পরওয়ারদিগার, পাথরের আঘাতে হত্যার সমর্থক মুসলিমদের তুমি সত্যের আঘাত সহ্য করার তওফিক দান করো।

পোপ কেন শিশুকামী


আমেরিকার খ্যাতনামা স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান Louis C.K.। এ যাবত ধর্মকারীতে তাঁর মাত্র একটি ভিডিও দেয়া হয়েছে বটে, তবে সেটি ভিডিও "তো নয়, সে তো আগুনেরই গোলা"। স্রেফ মাস্টারপিস। কেউ মিস করে থাকলে অনতিবিলম্বে দেখে নেয়াটা ফরজে আইন হিসেবে ঘোষণা করা হলো 
তাঁর একটি সাক্ষাৎকার দেখুন, যেখানে তিনি ভ্যাটিকানের পোপকে শিশুকামী আখ্যা দিলেন। যুক্তিসহকারে।

নেটে এক জায়গায় পেলাম প্রাসঙ্গিক একটি বাক্য: Pope Benedict is an anagram of Epic Bent Pedo.

জিহাদি জোশের বশে


২৮ সেপ্টেম্বর সমকালে প্রকাশিত একটি খবর পড়ুন।

আমাদের আত্মীয়েরা – ০৬


বিবিসি-র তৈরি আরও একটি অসাধারণ ডকুমেন্টারি। শেষে দেখুন শিম্পাঞ্জির তোলা প্রথম ভিডিওচিত্র।

প্রায় একঘণ্টার ছবিটির ছয়টি পর্ব। প্রথম পর্ব এমবেড করলাম, লিংক দিচ্ছি দ্বিতীয় পর্বেরম বাকিগুলো সেটির লেজুড় ধরে দেখে নিন।



মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১০

কোরানের বাণী / কেন এতো ফানি – ০৭

লিখেছেন ব্লগার রাইয়ান

আসুন ভাই, জামাতের সহিত সবাই আরও একবার কোরানের নূরাণী আলোয় নিজেদের আলোকিত করি। স্যার আইজাক নিউটনের মত জ্ঞানের সমুদ্রতীরে আমরাও দুই-চাইরখান প্রস্তর-নুড়ি কুড়াই এবং সেগুলো দিয়ে ভিন্নধর্মীদের মস্তিষ্ক বিদীর্ণ করি। অনেক ফায়দা হবে। এখনও এই দুনিয়ায় অনেক কিছু আবিষ্কারের বাকি রহিয়াছে। জলদি জলদি কোরান পাঠ শেষ করিয়া আমরাও স্মরণীয়-বরণীয় আবিষ্কারকদের লিষ্টে নিজেদের নাম যুক্ত করি। আজকের কোরান পাঠের শেষের আয়াতটিতে আল্লাহ সাংকেতিক ভাষায় ব্যাংকিং নিয়েও আলোচনা করিয়াছেন। যদিও অনলাইন কিনা লেখা নাই, তবুও আপনাদিগকে এটি অনলাইন ব্যাংকিং হিসেবে ধরিয়ালইতে হইবে। তবে আসুন ভাই, ফাও প্যাচাল বাদ দিয়ে আর একবার নিজেদের আমল শক্ত করি এবং কোরান পাঠ শুরু করি। নিচের আয়াতগুলো মনোযোগ সহকারে পড়ি।


১) সূরা: আল-ইমরান, আয়াত: ১৪: এখানে আল্লাহ মানবজীবনে কী কী ভোগ্যবস্তু আছে, সে বিষয়ে আলোকপাত করিয়াছেন। এখানে আল্লাহ স্বর্ণ-রৌপ্য, গরু-ছাগল-ঘোড়া ও ক্ষেত-খামারের সাথে নারীকেও একই কাতারে ফেলিয়া সমগ্র নারীজাতিকে যার-পর-নাই সম্মানিত করিয়াছেন। এতেই কি প্রমাণিত হয় না যে, নিশ্চয় আল্লাহ অতীব মহান বিবেচনাকারী? আপনার অন্তরের নূরাণী আলোর তীব্রতা আরেকটু বাড়াইলেই দেখিতে পাইবেন, 'আকর্ষণীয় বস্তু-সামগ্রী' ও 'ভোগ্যবস্তু'র তালিকায় সর্বাগ্রে আসিয়াছে নারীর নাম। মার-হাবা, মার-হাবা।

২) সূরা: আল-ইমরান, আয়াত ৭৩: এখানে আল্লাহ ঈমানদারদের ধর্মানুভূতি নামক বিষফোঁড়াকে সাম্প্রদায়িকতা নামক সুঁচালো শলাকা দিয়ে উস্কে দিয়ে তাদের ঈমান পোক্ত করার প্রয়াস পাইয়াছেন। শুধুমাত্র অন্য ধর্মের অনুসারী হইবার কারণে ভিন্নধর্মীরা বিশ্বাসভাজন হইবার যোগ্যতা হারাইয়াছেন। চিন্তা করিয়া দেখেন জনাব, কাহাকে কতটুকু বিশ্বাস করিতে হইবে, তাহা পর্যন্ত ইসলাম তথা কোরান আপনাকে বলিয়া দিতেছে। এরপরও কি অস্বীকার করা যায় যে, কোরানই একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান?

৩) সূরা: আল-ইমরান, আয়াত ৭৪: এখানে আল্লাহ তাঁর তথাকথিত ক্ষমতার যথেচ্ছ ব্যবহার করিবার কথা নির্দ্বিধায় বলিয়াছেন। কথা তো পুরোপুরিই সত্য। তিনি পেয়ারা নবীকে সাড়ে সাংঘাতিক ভালোবাসেন বলিয়াই তো নবীর কুদৃষ্টি যে নারীর উপর পড়িয়াছে, তাহাকেই নবীর বিছানায় আনিয়া দিবার জন্য আয়াত নাজিল করিয়াছেন। ইহাতেই তো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ মহাঅনুগ্রহশীল।

৪) সূরা আল-ইমরান, আয়াত ৮৫: এই আয়াতটিতেও সূরা: আল-ইমরান, আয়াত ৭৩-এর বাণীই প্রতিধ্বনিত হইয়াছে। অতএব ইহা লইয়া বেশী কিছু বলিবার নাই।

৫) সূরা আল-ইমরান, আয়াত ১৩০: অত্র আয়াতে আল্লাহ ব্যাংকিং ব্যবস্থার উপর লাইম লাইট ধরিয়াছেন। এইখানে ঈমানদারদেরকে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খাইতে নিষেধ করা হইয়াছে। তবে সরল হারে সুদ খাওয়া যাইবে কি না, তাহা উল্লেখ করা হয় নাই। ইহা তিনি ঈমানদারদের বিবেচনার উপর ছাড়িয়া দিয়াছেন, যাহাতে তাহারা নিজের সুবিধামত ইহার সদ্ব্যবহার করিতে পারে।

এতক্ষণ ধরিয়া অপরিসীম জ্ঞানার্জনের পর হঠাৎ মনে হইল, আমার কক্ষে এত আলো থাকিবার পরও এতক্ষণ ধরিয়া আল্লাহর নূরাণী আলো জ্বালাইয়া রাখিয়া অপচয় করিলাম না তো?

নির্বোধ ও দুর্জনেরা


অবশ্যদ্রষ্টব্য ভিডিও।

তেত্রিশ বছর কেটেছে, কোনও নারী আসেনি জীবনে...


যিশুর কথা বলছি। মজাদার কমিকস।

ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণ আকারে দেখুন

ঈশ্বর সর্বক্ষমতাবান... ব্যাম! ব্যাম! ব্যাম!...


ভাইসব, এই একখান ভিডিও দেইখ্যা আমার দুনিয়াদারি, দর্শন, ধারণা, মতামত সব উল্টায়া গেছেগা! নাস্তিক থাকা হইলো না আমার... আমি খ্রিষ্টান হমু। হমুই। পারলে ঠ্যাকান। 

প্রতিবাদের সৃজনশীল ধারা

ভ্যাটিকানের পোপ যখন ব্রিটেন ভ্রমণে এসেছিলেন, তখন পোপ-বিরোধী এক বিরাট প্রতিবাদ মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিবাদের বেশ কিছু ছবি-ভিডিও ধর্মকারীতে ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছিল। আজ দেয়া হচ্ছে সেই সভা-মিছিলে ব্যবহৃত অজস্র ছবির ভেতর থেকে বাছাই করা কৌতুককর ও মজাদার তেইশটি ছবি
























চার্লস ডারউইনের Origin of Species


চার্লস ডারউইনের লেখা ধর্মের-ভিত-ধ্বসে-দেয়া বই Origin of Species নিয়ে ১৯৯৩ সালে নির্মিত পঞ্চাশ মিনিটের অতীব চমৎকার ডকুমেন্টারি।
সহজবোধ্য, আকর্ষণীয়।

সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১০

ঈশ্বরের ইনবক্স


খুব বুদ্ধিদীপ্ত। পাশের ফোল্ডারগুলোর নামও হাসি-জাগানিয়া।

পূর্ণ আকারে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন।

প্রিয় পুরনো পোস্টগুলো – ১৪


ধর্মকারীতে পোস্টের সংখ্যা এগারোশো ছাড়িয়ে গেছে। এই সাইটের খোঁজ যেসব পাঠক সম্প্রতি পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে পাবেন, তাঁদের পক্ষে আগে প্রকাশিত মজাদার পোস্টগুলো খুঁজে নেয়া ব্যাপক শ্রম- ও সময়সাধ্য ব্যাপার হবে ভেবেই হারানো-দিনের-পোস্ট ধরনের এই সিরিজের অবতারণা। পুরনো পাপীরাও এই সুযোগে স্মৃতিচারণ করে নিতে পারেন 

প্রতি পর্বে আমার বিশেষ প্রিয় পাঁচটি পোস্টের লিংক দেবো সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ। শুরু করেছি ধর্মকারীর আদিকাল থেকে।

১. হালাল লেগো সেট (অসাধারণ আইডিয়া!) 
২. ঈশ্বর হচ্ছে বিশাল এক... (অপ্রতিরোধ্য হাসির ভিডিও) 
৩. সকল ধর্ম নিপাত যাক! (বড়ো কষ্টজাগানিয়া ডকুমেন্টারি) 

আগের পর্বগুলো দেখতে নিচের "কাসুন্দি" ট্যাগে ক্লিক করুন।

ইসলামের ধ্বস অনিবার্য?


ইসলামের ধ্বস নামতে বাধ্য বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন মিসরীয় বংশোদ্ভুত জার্মান মুসলমান, পলিটিক্যাল সায়েন্টিস্ট ও ইতিহাসবিদ হামেদ আবেল-সামাদ।

Many Muslim reformers make the mistake that they do not really want to break the chain holding the Islamic system together. They try to paint the chain in their favourite colour, and call this a ‘Reform’. I believe that the untouchable nature of the Quran stands in our way, and we need to leave this behind. Without polemicising against it or destroying it, we must simply separate ourselves from this notion that this is the word of god, providing relevant instructions for daily life in the 21st century. Post-quranic discourse means that we need to look for other explanations and solutions for our lives today.

ভিডিও ট্র্যান্সক্রিপ্ট এখানে

ইসলামী ইতরামি: নারীরা থাক তিমিরেই


ধর্মগুলোর লক্ষ্যই হচ্ছে মানুষদের অজ্ঞানতার অন্ধকারে রাখা। তাহলে তাদেরকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, ব্যবহার করা যায় যে-কোনও উদ্দেশ্যসাধনে। ইসলাম বিশেষভাবে শিক্ষাবিমুখ। পৃথিবীতে মুসলমানদের শিক্ষার (সুশিক্ষা বা যথাযথ শিক্ষার কথা নয় না-ই বলি) হার দেখলেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। ইসলামে নারীদের শিক্ষাব্যবস্থা তো আরও পশ্চাদপদ। মুসলিম রাষ্ট্রগুলোয় এই প্রবণতা প্রকট।

আফগানিস্তান আর পাকিস্তানে তালিবানেরা এই কাজটি করে চলেছে পরম আন্তরিকতার সঙ্গে। বোমা মেরে বালিকা বিদ্যালয় উড়িয়ে দেয়াটা তারা নিত্যনৈমিত্তিক বানিয়ে ফেলেছে। এ পর্যন্ত পাকিস্তানে তারা স্কুল ভেঙেছে এক হাজারেরও বেশি। সাম্প্রতিকতম সংবাদ


উল্লেখ করা যেতে পারে, সাম্প্রতিক বন্যায় পাকিস্তানে ধ্বংস হয়েছে নয়শো স্কুল। 

ঐশী কিতাবগুলোর বিব্রতকর বাণী ও কু-কৈফিয়তসমূহ


তথাকথিত ঐশী কিতাবগুলোয় বিশ্বাসীদের জন্য বিব্রতকর বাণী খুঁজে বের করতে বিন্দুমাত্র বেগ পেতে হয় না। এবং সেসবের উদ্ধৃতি তাদেরকে নাজুক অবস্থায় ফেলে দিলেও তারা উৎকট কষ্টকল্পিত কৈফিয়ত বের করে হাস্যস্পদ হয়ে পড়ে। এবং পরিস্থিতি সামাল দেয়া ও ধাক্কা-খাওয়া ঈমান সমুন্নত রাখাতে তাদের নিরলস উদ্যমটি করুণা জাগায় বৈকি! 

বাইবেলের বিব্রতকর কিছু বাণী ও সেগুলোর অচল কৈফিয়ত নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন ভিডিওনির্মাতা। বেজায় উপভোগ্য।

ধর্ম মানে অপজ্ঞান


প্রতারক পোপ


উপর্যুপরি অভিযোগ ও সাক্ষ্যপ্রমাণ থাকা সত্ত্বেও শিশুকামী ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোনও পদক্ষেপ সে তো নেয়ইনি, বরং তাদের প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে বছরের পর বছর। আর তাই রিচার্ড ডকিন্স যখন তাকে "মানবতার শক্র" বলে ডাকেন, তা স্পষ্টতই যৌক্তিক মনে হয়।

পোপ অপেরা আরও কতোদিন যে চলবে!

সিএনএন-এর ২৩ সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট:


এবং ২৪ তারিখের:

রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১০

নাস্তিকদের একমাত্র কম্যান্ডমেন্ট


সৌদি নারীরা গাড়ি চালানোর অধিকার পেলো


বিশ্বাস হয় না? ভিডিও দেখুন। যদিও ফরাসী ভাষায়, তবে ছবিই কথা বলবে।

গ্যালিলিও ভুল বলেছিলেন!


ধর্মগুলো পৃথিবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায় অন্ধকারযুগে। অন্ধকারেই তাদের ব্যবসা ভালো জমে। বিজ্ঞান বরাবরই তাদের জারিজুরি ফাঁস করে দেয় বলে তার ওপর তাদের ভারি রাগ। একবার যেমন গ্যালিলিও নামের এক বেতমিজ এমনই এক দাবি করে বসলো যে, ঈশ্বর মিথ্যাবাদী বা ইডিয়ট হিসেবে প্রতিপন্ন হলো। বাইবেল-কোরানের বক্তব্যের বিপরীতমুখী এক ঘোষণা দিয়ে বসলো ব্যাটায়! বললো, ধর্মগ্রন্থে যা-ই লেখা থাক না কেন, পৃথিবী এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কেন্দ্র নয় এবং সূর্যের খেয়ে-দেয়ে কোনও কাজ নেই পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার। বরং পৃথিবীই ঘোরে সূর্যের চারপাশে।  


শেষমেষ গোমড়া মুখে অমোঘ বৈজ্ঞানিক সত্য মেনে নিতে হয়েছে ধর্মগুলোকে, তবে পরাজয়ের ক্ষত শুকিয়ে যায়নি বলেই বোধ হয়। এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে "গ্যালিলিও ভুল বলেছিলেন: চার্চ ছিলো সঠিক" নামে একটি কনফারেন্সের আয়োজন করেছে অন্ধকার যুগের জন্য নস্টালজিয়া-আক্রান্ত ডক্টরেট ডিগ্রিধারী (ডিগ্রি থাকলেই কাউকে শিক্ষিত বলা যায় না, সুশিক্ষিত তো নয়ই!) একদল ধার্মিক গবেট। 

আবাইলা পাবলিকে দুনিয়া ভরা 

আল-কায়েদায় যোগ দিন


গান শুনে, ভিডিও দেখে স্রেফ হাহাপগে 

কুকুরের জন্য অপমানজনক


ভ্যাটিকান: অজানা পৃথিবী


পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ। আয়তনে মাত্র চল্লিশটি ফুটবল মাঠের সমান। তবে ক্ষমতায়... না, থাক সে কথা। 

এই প্রথম ভ্যাটিকানের গভীর অভ্যন্তর চিত্রায়নের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। পোপের ব্রিটেন ভ্রমণের প্রাক্কালে বিবিসি-তে প্রচারিত হয় এক ঘণ্টার এই ডকুমেন্টারি। 

শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১০

সচিত্র হা-হা-হাদিস – ১৯


নবীজি বলেছেন, মোনাজাতের সময় কেউ ঘুমিয়ে পড়লে শয়তান তার কর্ণকুহরে হিসি করে দেয় 

সভ্য হবার উপযোগী নয় ইসলাম


ইসলামী রীতি: আমরা যে কোনও দেশে যেখানে খুশি সেখানে মসজিদ বানাবো, বানাতে না দিলে দুনিয়া তোলপাড় করবো,  কিন্তু আমাদের দেশে ভিন্নধর্মীরা উপাসনালয় বানাতে পারবে না!

ইতরামির একটা সীমা থাকা উচিত! মডারেট মুসলিমরা নবীজির কার্টুন দেখলে গলাবাজি করবে, তবে ইসলামী অনাচারের ক্ষেত্রে চোখ ওল্টাবে! ভণ্ডের দল!

বাইবেলে যা অনুমোদিত ও নিষিদ্ধ


আবারও পাথর ছুঁড়ে হত্যা


সাম্প্রতিক একটি ভিডিও।

পাথর ছুঁড়ে হত্যার রীতির সঙ্গে ইসলামের কোনও যোগাযোগ নেই বলে দাবি করতে উদ্যতদের জানিয়ে রাখা উচিত: নবীজি নিজেই এই পদ্ধতির চর্চা করেছেন এবং তা প্রয়োগের সুপারিশও করেছেন। এখান থেকে বেশ কিছু হাদিস পড়ে নিশ্চিত হবার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। নতুবা সেই হাদিসগুলোর পিডিএফ সংকলন (মাত্র ২০০ কিলোবাইট) এখান থেকে ডাউনলোড করে নেয়া যেতে পারে। 

বুলশিট


নাস্তিক্যবাদের বিজ্ঞাপন - ০৩


বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১০

কোরানের বাণী / কেন এতো ফানি – ০৬

লিখেছেন ব্লগার রাইয়ান

আস্তিক মোচল্মানদের অনেককেই বলতে শুনেছি, কোরানের মত অসাধারণ রচনাশৈলীসম্পন্ন কাব্যগ্রন্থ পৃথিবীর ইতিহাসে আর নেই, আর কোনোদিন আসবেও না। দু'একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ইলিয়াড বা অডিসির নাম শুনেছেন? মেঘদূত বা গীতাঞ্জলী পড়েছেন? অত্যাশ্চর্য হলেও সত্য, তাঁদের অনেকেই ইলিয়াড বা অডিসির নাম পর্যন্ত শোনেন নি। দু'একজন বলেছেন, তাঁরা মেঘদূতের নাম শুনেছেন, কিন্তু লেখকের নাম জানেন না। আর গীতাঞ্জলীতে রবীন্দ্রনাথ ব্রিটিশ সরকারের গুণকীর্তন করেছেন বলে নোবেল পেয়েছেন। একজনকে বললাম, গীতাঞ্জলীতে তো ৪টি ভূতের গল্প (!!!!!!) আছে। সে জ্ঞানী-জ্ঞানী ভাব করে বলল, একটি পড়েছে, কিন্তু ভাল লাগেনি বলে বাকিগুলো পড়েনি। বুঝেন তাদের কাব্যজ্ঞানের গভীরতা।

অথচ এই নরাধম কোরান পড়তে গিয়ে, অর্থাৎ বুঝে পড়তে গিয়ে, কী পরিমাণ যে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়েছি, তা বলাই বাহুল্য! এক টানে দুই পৃষ্ঠা পড়লে মেজাজ ঠাণ্ডা করতে দুই ঘন্টা সময় লাগে। ভাগ্যিস কোরান পি.ডি.এফ. ফরম্যাটে পড়ছিলাম। নইলে মেজাজ খারাপের কারণে সেটাকে ছিঁড়ে কয় টুকরো করতাম, তা আল্লাহও জানে না। কথা না বাড়িয়ে জ্ঞানের পথে অগ্রসর হই। নিচের আয়াতগুলা দেখেন।


১) সূরা বাকারা, আয়াত ১৯৪: আল্লাহ তাঁর শান্তিপ্রিয় বান্দাদের হুকুম করছেন, কেউ যদি তাদের উপর জবরদস্তি করে থাকে, তাহলে তার উপরেও একইরকম জবরদস্তি করতে। বাহ! কী চমৎকার! অতি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষমা করার প্রবণতা থাকে, কিন্তু দয়ার সাগর, মহত্বের মহাসাগর আল্লাহর মধ্যে এই মানবিক গুণটির অনুপস্থিতি লক্ষ্য করার মত। তিনি তো বলতে পারতেন, তাকে ক্ষমা করে দাও, কারণ ক্ষমা মহত্বের লক্ষণ। কিন্তু তিনি তা বললেন না।

২) সূরা বাকারা, আয়াত ২১৬: এইখানে আল্লাহর সাম্রাজ্যবাদী কূটনৈতিক চরিত্র খুবই স্থূলভাবে ফুটে উঠেছে। আল্লাহ এক আয়াতে বলেছে "দাঙ্গা-ফ্যাসাদ করা হত্যার চেয়ে বড় অপরাধ (সূরা বাকারা, আয়াত ১৯১)"। আবার এই আয়াতে যুদ্ধ-বিগ্রহকে সরাসরি উৎসাহিত করেছে। মানে নিজের সুবিধামত যে কোনো আয়াতকে কজে লাগানো যাবে। সংখ্যালঘু হিসেবে মুসলমানরা মাইর খাইলে, সেখানে দাঙ্গা-ফ্যাসাদ করাটা অপরাধ। আর সংখ্যাগুরু হিসেবে অন্য সম্প্রদায়ের সম্পদ লুটের সময় যুদ্ধ করা ফরয এবং জায়েজ।

৩) সূরা বাকারা-আয়াত ২২৩: এইবারে আসলো আসল জিনিস। মুহাম্মদের চরিত্রকুসুম এইখান থেকে বিকশিত হইতে শুরু করেছে। এখানে স্ত্রীদেরকে যেভাবে খুশী ব্যবহার করার অধিকারপ্রাপ্তির সুসংবাদ ঈমানদারদেরকে জানানো হচ্ছে। সবাই একসাথে গলা ফাটিয়ে বলেন, চিৎকার করে বলেন "সুবহানাল্লাহ"!!

৪) সূরা বাকারা-আয়াত ২২৮: এখানে আল্লাহ তালাকপ্রাপ্তা নারীকে সম্মান প্রদর্শন করে তিন হায়েয (রজ:স্রাব) পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে বলেছেন। কিন্তু তালাক দানকারী পুরুষ নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে না। সে তার অন্য স্ত্রী বা দাসীদের প্রতি তার দায়িত্ব (!) পালন করবে মাত্র। আবার তালাক দানকারী পুরুষ প্রয়োজন বোধে তার কামনা মিটাবার জন্য ঐ মহিলাকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার সংরক্ষণ করে, কিন্তু ঐ নারী সেই পুরুষকে ফিরিয়ে দেবার অধিকার সংরক্ষণ করে না, কারণ নারীদের উপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।
এই আয়াত পাঠানোর সময় আল্লাহরে পাইলে একবার জিগাইতাম, "দাদা, টেনে এসেছেন, না গিয়ে টানবেন?"

বেহেশতে হুরের সংখ্যা


বেহেশতবাসী প্রত্যেক মুসলিম পুরুষের ভাগে ৭২টি করে হুর পাওনা, কোরানেই তা বলা আছে। তা না হয় বুঝলাম, কিন্তু বেহেশতে হুরের সর্বমোট সংখ্যা কতো? এর উত্তর পাওয়া গেল হামাসের আইন সংক্রান্ত মুখপাত্র Ahmad Bahr-এর কাছে। হামাস-চালিত Al-Aqsa টিভিতে গত ৫ সেপ্টেম্বর তিনি জানালেন: In the Garden of Eden, there is a palace – hear me well, brothers – with 500 gates. At every gate, there are 5,000 black-eyed virgins. Brothers, 500 multiplied by 5,000 is 2.5 million.

অর্থাৎ হুরের সংখ্যা মাত্র ২৫ লাখ! এই সংখ্যাকে ৭২ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যাচ্ছে ৩৪৭২২.২২...। এর মানে, মাত্র চৌত্রিশ হাজার সাতশো বাইশজনকে ৭২টি করে হুর দেয়া যাবে। পৃথিবীতে ১.৬ বিলিয়ন মুসলমান। ধরা যাক, এদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা অর্ধেক অর্থাৎ ০.৮ বিলিয়ন। হিসেব কষে বোঝা যাচ্ছে, এই বিপুল সংখ্যক মুসলিম পুরুষদের মধ্যে বেহেশতে যাবে সর্বোচ্চ ৩৪৭২২ জন। এমনকি কোরানে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে পুরুষপ্রতি একটি করে হুর দিলেও মাত্র ২৫ লক্ষের স্থান হবে বেহেশতে। বাকিদের কী হবে?

এ তো গেল শুধু বর্তমানের মুসলমানদের কথা। গত ১৪০০ বছরে আরও কতো মুসলমান ছিলো! অনাগত ভবিষ্যতে আরও আসবে। এদের সবাইকে হিসেবে আনলে ব্যাপারটা কী দাঁড়াবে? হুরপ্রত্যাশীরা একটু ভেবে দেখবেন কি? (এই পয়েন্টটি বাতলে দেয়ার জন্যে শয়তানের চেলা-র কাছে কৃতজ্ঞতা)

নাকি হুরেরা বারবনিতাদের মতো পালাক্রমে বহু পুরুষের শয্যাসঙ্গী হবে? কেউ কি পরিষ্কার করে বলতে পারবেন?

পর্নোস্রষ্টা ঈশ্বর


দুষ্টচক্র যুক্তি


ইংরেজিতে সার্কুলার লজিক (বা সার্কুলার রিজনিং) বলে একটি টার্ম আছে। অপযুক্তি হিসেবে তা ব্যবহার্য। বাংলায় কী নামে ডাকা হয়ে থাকে, জানা নেই আমার। "দুষ্টচক্র যুক্তি" বলা যায় হয়তো। তো ব্যাপারটি বুঝিয়ে বলার জন্যে ধর্মকারীতে আগে প্রকাশিত একটি ছবি আবারও ব্যবহার করছি।


বোঝা গেল, তাই না? আরও কয়েকটি ছবি দেখা যাক:



লক্ষ্য করে দেখবেন, বিতর্কের সময় ধর্মবিশ্বাসীরা এই দুষ্টচক্র ব্যবহার করে থাকে যত্রতত্র। নিচের ভিডিওতে এই ব্যাপারটিকে চরমভাবে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। নাস্তিক-তর্কবিদরা প্রভূত আনন্দ পাবেন, এতে কোনও সন্দেহ নেই।

বোরখা বিষয়ে বিতর্ক


ফ্রান্সে বোরখা নিষিদ্ধ হলো। অস্ট্রেলিয়ান টিভিতে এ বিষয়ে আলোচনা। মুসলিম পক্ষের (কয়েকজনের চেহারা রীতিমতো জঙ্গি-টাইপ) ইডিয়টিক কথা, সরল প্রশ্নের পিছলা উত্তর দেয়া শুনে, স্বভাবসুলভ অসভ্য-অভদ্র-অশালীন আচরণ দেখে পিত্তপ্রদাহ প্রবলই হলো শুধু 

প্রায় এক ঘণ্টার অনুষ্ঠানের পুরোটা প্লেলিস্টে জুড়ে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১০

কোরআন ক্যারিশমা ০২


এর আগের পর্ব এখানে

# আমরা সকলেই জানি, স্যামুয়েল মোর্স নামক আমেরিকান বিজ্ঞানী মোর্স কোড আবিষ্কার করিয়াছেন। কিন্তু তিনি কখনোই যেটা স্বীকার করেন নাই, সেটা হচ্ছে এই আবিষ্কার তিনি কীভাবে করিয়াছেন। হ্যাঁ, অবশেষে আসিফ ইহা অনুধাবন করিতে পারিলো যে, মোর্স সাহেব কুরআন পাঠ করিয়াই মোর্স কোড তথা টেলিগ্রাফ আবিষ্কার করিয়াছেন।

কুরআন বলছে:

 

" Then Adam received from his Lord [some] words, and He accepted his repentance. Indeed, it is He who is the Accepting of repentance, the Merciful. (২:৩৭)

এই আয়াতের Then Adam received from his Lord [some] words -  এই অংশের বঙ্গানুবাদ করিতে হইবে এইভাবে "আদম লাভ করিলো তাহার প্রভুর থেকে সাংকেতিক বার্তা"।

আসমান হইতে যেই বার্তা পৃথিবীতে আগমন করে, একজন বিজ্ঞানমনস্ক মানুষমাত্রই বুঝিতে সমর্থ হইবেন যে, সেই বার্তা সাধারণ কোনো বার্তা নহে, তাহা ছিল সাংকেতিক বা কোডেড বার্তা। তাই এইখানে "প্রভুর বাণী" কে প্রভুর সাংকেতিক বা কোডেড বার্তা হিসেবে ধরাটাই যে কোনো বিবেকবান এবং বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের উচিত হইবে।

এখন প্রশ্ন হইলো, এই সাংকেতিক বা কোডেড বার্তা বলিতে কী বুঝানো হইয়াছে? ইহা কি আধুনিক কালের মোর্স কোড বা বেতারে বার্তা প্রেরণের মত নহে? বলেন সুবহানাল্লাহ!



# আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫), জার্মান বংশোদ্ভুত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি আপেক্ষিকতাবাদ সহ বেশকিছু তত্ত্বের আবিষ্কারক। আপেক্ষিকতাবাদ সম্পর্কে পবিত্র আল কুরআনে বলা আছে:


He arranges [each] matter from the heaven to the earth; then it will ascend to Him in a Day, the extent of which is a thousand years of those which you count.

(আল্যাতালার এক বছর = মানুষের ১০০০ বছর) এবং আরেক জায়গায় তিনি বলেছেন ৭০: ৪ (আল্লাহর একবছর = মানুষের ৫০০০০)। পবিত্র কুরআনে পাতায় পাতায় আপেক্ষিক তত্ত্বের কথা বলা হয়েছে, খালি একটু খুঁজে বের করার মানসিকতাটা জরুরী। মুহাউম্মাদ (ছাঃ) মিরাজে গমন করেন যেখানে বহু পথ পরিভ্রমণের পরেও পৃথিবীতে মাত্র কিছু সময় অতিক্রম হয়।



# জন ডালটন (১৭৫৫-১৮৪৪), প্রখ্যাত ইংরেজ রসায়নবিদ। তিনি পরমাণুর তত্ত্ব প্রস্তাব করেছিলেন (ডালটনের পরমাণুবাদ)। পবিত্র আল কুরআনের আয়াত ১০: ৬১, ৩৪: ৩, ৩৪: ২২, ৯৯: ৭-৮ এ পরমাণুর সম্বন্ধে স্পষ্ট বলা হয়েছে “একটি পরমাণুর ওজন সমপরিমানের ভাল কাজ”। 

সুরাহ ইউনুস আয়াত ৬১:
And not absent from your Lord is any [part] of an atom's weight within the earth or within the heaven or [anything] smaller than that or greater but that it is in a clear register.

এখন বলেন দেখি, ১৪০০ বছর পুর্বে পরমাণুর ভর সম্পর্কে নবী করিম মোস্তফা কীভাবে নিশ্চিত হইলেন?

শোনা যায়, গোপনে এই রসায়নবিদ বিজ্ঞানী জন ডালটন কুরআন পাঠ করতেন এবং শেষ জীবনে তিনি ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন। বলেন সুবহানাল্লাহ।




# চার্লস ডারউইন বিবর্তনবাদের জন্য দুনিয়া বিখ্যাত। কিন্তু এই বিবর্তনবাদের চিন্তা তার মাথায় প্রথম আসিলো কোথা হইতে? হ্যাঁ, আল-কুরআন পড়িয়াই তিনি প্রথম বিবর্তনবাদের প্রাথমিক সুত্র বুঝিতে সক্ষম হন।

পাক কুরআনে আল্যাপাক বলেনঃ

Allah converted some Jews to monkeys and pigs…2:65, 5:60, 7:166



এই আয়াত হইতেই তো তিনি বুঝিতে পারিলেন যে এক প্রাণী হইতে অন্য প্রাণীর উদ্ভব সম্ভব। উহা ছাড়াও ব্যক্তিগত জীবনে তাহার দীর্ঘ দাড়ি ছিল, দশ সন্তানের জনক ডারউইনের যৌনজীবন পর্যালোচনা করিলেও নবী মোস্তফার জীবনের ছায়া দেখিতে পাওয়া যায়। ইহা হইতে কি এটাই প্রমাণ হয় না যে, তিনি মুসলিম ছিলেন? বলেন, হক মাওলা, তালগাছ আমার।


# জেমস ওয়াটসন (১৯২৮-) এবং ফ্রান্সিস ক্রিক (১৯১৬-২০০৪), মার্কিন বিজ্ঞানী। তাঁরা ডিএনএ কাঠামোর প্রথম নির্ভূল মডেল নির্মান করেছিলেন। পবিত্র আল কুরআনে ডিএনএ তত্ত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট বলা হয় ১৩: ৪ (আল্লাহ গাছপালা এবং শাকসব্জিতে তার তথ্যযুক্তচিহ্ন রেখে দিয়েছেন); ১৬: ৬৬ (গবাদি পশুতে তথ্যযুক্ত চিহ্ন আছে); ২৩: ২১ (গবাদি পশুতে তথ্যযুক্ত চিহ্ন আছে)।

And within the land are neighboring plots and gardens of grapevines and crops and palm trees, [growing] several from a root or otherwise, watered with one water; but We make some of them exceed others in [quality of] fruit. Indeed in that are signs for a people who reason.(১৩:৪)



# গ্রেগর যোহান মেন্ডেল (১৮২২-১৮৮৪), বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়ান জীববিজ্ঞানী এবং জেনেটিক্স এর প্রতিষ্ঠাতা। পবিত্র আল কুরআনে আল্যাতালা পাখির ক্লোনিং উল্লেখ করেনঃ 


when Abraham said, "My Lord, show me how You give life to the dead." [ Allah ] said, "Have you not believed?" He said, "Yes, but [I ask] only that my heart may be satisfied." [ Allah ] said, "Take four birds and commit them to yourself. Then [after slaughtering them] put on each hill a portion of them; then call them - they will come [flying] to you in haste. And know that Allah is Exalted in Might and Wise."

(আব্রাহাম চার পাখি হত্যা করেছিল, কিন্তু তারা পুনরায় জীবন্ত হয়েছিল); এখন প্রশ্ন হইলো কীভাবে তাহারা পুনরায় জীবিত হইলো? ইহা কি আধুনিক কালের ক্লোনিং নহে? 

বলেন, আল্লাহো আকবর!


# আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল (১৮৪৭-১৯২২), মার্কিন আবিষ্কারক। তিনি টেলিফোন উদ্ভাবন করেছিলেন। 

আসুন দেখি এই বিষয়ে কুরআন কি বলে:


সেই ২০০০ বছর আগে কি সেই প্রযুক্তি, যার দ্বারা আল্যাতালা সাত আসমানের উপর হইতে নবী ঈসার সাথে বাক্যবিনিময় করিতেন? ইহা আর কিছুই নয়, ইহাই আধুনিক সময়ের টেলিফোন। গ্রাহাম বেল যদিও কুরআন পাঠ করিয়াই টেলিফোন আবিষ্কারের মুল ব্যাপারটা অনুধাবন করিতে পারেন, কিন্তু তিনি কখনোই ব্যাপারটা প্রকাশ করেন নাই। প্রকাশ করিলে মার্কিন সরকার তার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করিতো। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গোপনে ইসলাম কবুল করিয়াছিলেন বলিয়া শোনা যায়।



# রেনে দে'কার্ত (১৫৯৬-১৬৫০), ফরাসী দার্শনিক এবং গণিতবিদ। সে কার্টেসিয়ান কো-অর্ডিনেট পদ্ধতির আবিষ্কারক। 

আল্যাতালা পাক কুরআনে বলেন:

মুসলিমের কিবলা সম্মুখীন হওয়া উচিত;(২:২৪৯-৫০) 

প্রতি জাতির একটি কিবলা রয়েছে।(২:১৪২)


The foolish among the people will say, "What has turned them away from their qiblah, which they used to face?" Say, "To Allah belongs the east and the west. He guides whom He wills to a straight path."

আল্লাহ তালাহ মুসলিমদের কেবলার কো-অর্ডিনেট পরিবর্তন করে জেরুজালেম থেকে মক্কাকে কিবলা হিসেবে মনোনীত করেন। 

রেনে দে'কার্তে যে এথেকেই কো-অর্ডিনেটের ধারনা পান, এটা দিবালোকের মতই সত্য। বলেন এচলাম জিন্দাবাদ!


# রাইট ভাতৃদ্বয়, আমেরিকান, উড়োজাহাজ আবিষ্কারক। পবিত্র আল কুরআনে ঊড়ার প্রাথমিক ধারণা দেন আল্যাতালা: 


Do they not see the birds controlled in the atmosphere of the sky? None holds them up except Allah. Indeed in that are signs for a people who believe.( ১৬:৭৯)

এখানে বলা হয়েছে একমাত্র আল্যাই পাখিকে আকাশে ধরিয়া রাখেন। এ থেকেই তিনি মানুষকে ইঙ্গিত দেন যে উড়োজাহাজ বানাইলেই তিনিই উড়োজাহাজকে আসমানে ধরিয়া রাখিবেন। বলেন আল্যা সর্বশক্তিমান!


# কয়েকদিন আগে কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কার লইয়া নাস্তিক কাফেরগন কি চিল্লাপাল্লাই না করিলেন। ক্রেইগ ভেন্টার নামক এই বিজ্ঞানীকে লইয়া কাফিরগন কি তাণ্ডবই না চালাইলেন! কিন্তু তারা কি জানেন যে পাক কুরআনে আল্যাতালা সেই চোদ্দশত বছর পূর্বেই এই ইঙ্গিত দিয়া রাখিয়াছেন?


You cause the night to enter the day, and You cause the day to enter the night; and You bring the living out of the dead, and You bring the dead out of the living. And You give provision to whom You will without account." (৩:২৭)

"তিনিই তো জীবিতকে মৃত করেন এবং মৃতকে করেন জীবিত", এখানে আল্যাতালা সেই কৃত্রিম প্রাণকেই ইঙ্গিত করিয়াছেন, যাহাকে বিজ্ঞানীগণ কুরআন পাঠ করিয়াই বুঝিতে সক্ষম হইয়াছেন। বলেন আল্যাই সর্বজ্ঞানী!


এই রকম আরও বহু সংখ্যক মোজেজা অনুধাবনের পরেই আসিফের মত কট্টর নাস্তিক দ্বীন এচলামের সুশীতল ছায়ায় ফিরিয়া আসিয়াছেন। এতো শুধু উদাহরণ মাত্র, আরও কত শত বিজ্ঞান যে পাক কুরআনে ছড়াইয়া ছিটাইয়া আছে, তাহা একমাত্র আল্যাতালাই জানেন এবং বোঝেন। মানুষের এখনও এত জ্ঞান হয় নাই তাহা অনুধাবন করিবার। তাই সকল আস্তিক-নাস্তিকগণের প্রতি অনুরোধ, অযথা যুক্তিতর্ক না করিয়া, প্রমাণ প্রমাণ করিয়া না চেঁচাইয়া আসুন আমরা বিশ্বাস স্থাপন করি, একবার বিশ্বাস স্থাপন করিলেই সকল কিছুই স্পষ্ট হইয়া উঠিবে, নিজ মস্তিষ্ক দৌড়াদৌড়ি কইয়া নিজ নিজ বিশ্বাসের সপক্ষে যুক্তি প্রমাণ হাজির করিতে থাকিবে। 


সকলকে জিহাদী ছালাম। হক মাওলা!