আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বোরখাতেও আছেন, বিকিনিতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি জলাশয়েও আছেন, মলাশয়েও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি উটমূত্রেও আছেন, কামসূত্রেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি আরশেও আছেন, ঢেঁড়শেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি হাশরেও আছেন, বাসরেও আছেন

শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০১৪

মডারেট খচ্চরেরা

লিখেছেন বুদ্ধ মোহাম্মদ যীশু কৃষ্ণ

আমি নাস্তিক হবার আগের কথা। তখন আমি প্রবল ধার্মিক একজন মানুষ। এক ওয়াক্ত নামাজ ক্বাযা হলে নিজেকে অনেক বড় পাপী ব্যক্তি মনে করতাম। ঘরের বাইরে গেলে কখনো পাঞ্জাবি-টুপি ছাড়া বের হতাম না। প্রত্যেকটা কাজ ইসলাম সম্মতভাবে করবার চেষ্টা করতাম। নিজেও নামাজ পড়তাম, অন্যকেও নামাজ পড়তে উৎসাহিত করতাম।

পরিচিত কারো সাথে দেখা হলেই সালাম দিতাম এবং তাকে নামাজ পড়বার পরামর্শ দিতাম। বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বসলেই তাদেরকে ধর্ম পালনের জন্য অনুরোধ (বিরক্ত) করতাম। কয়েকজন বন্ধুকে কথার মাধ্যমে হিপনোটাইজ করে তাবলিগেও নিয়েছিলাম। অবশ্য প্রথম দিনেই তাবলিগ থেকে পালিয়ে অনেক বন্ধুই আমার সঙ্গ ত্যাগ করেছিলো, এবং কিছু বন্ধু কয়েকদিন ধর্মকর্মে মন দিয়েছিলো।

কিছুদিন পর অবশ্য তারাও আবার পুর্বের অবস্থায় ফিরে গিয়েছিলো। আর আমার এই ধর্মান্ধতার জন্য আমার বন্ধুরা আমাকে এড়িয়ে চলা শুরু করলো। অন্যান্য সময় কিছু বন্ধু সাথে থাকলেও আজান দেয়ার সাথে সাথে বিভিন্ন কাজের অজুহাত দেখিয়ে তারাও প্রস্থান করতো, অথবা অজুহাত দেখাতো - "দোস্ত, আজ গোসল করি নাই, আমার পোশাক অপরিষ্কার, দোস্ত আগামী জুম্মা থেইকা রেগুলার নামাজ পড়বো" ইত্যাদি।

কিন্তু আমার বন্ধুদের জন্য আজো সেই রেগুলার নামাজ পড়ার জুম্মাবার আসেনি, তাদের মধ্যে কিছু বন্ধু আবার সপ্তাহের জুম্মার নামাজই পড়ে না, দু'-একজন আবার কাফের হবার ভয়ে দুই তিন সপ্তাহ পর নিজের মুসলমানত্ব রিনিউ করতে একবার মসজিদে যায়। দুই রাকাত নামাজ পড়েই নিজেকে নিষ্পাপ ও ৭২ হুরের মালিক মনে করে। কিন্তু একজনকেও আজ পর্যন্ত রেগুলার পাক্কা নামাজি মুমিন হতে দেখিনি।

কিন্তু আমি নাস্তিক হওয়ার পরে আমার সাথে কথা বলে কাফের হওয়ার ভয়তে আজও সেই বন্ধুদের আমাকে এড়িয়ে চলতে দেখি।

বন্ধুরা, তোরা না পারছিলি ছাগল হইতে, না পারলি মানুষ হইতে, সারা জীবন মডারেট খচ্চরই থাইকা গেলি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন