আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি বোরখাতেও আছেন, বিকিনিতেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি জলাশয়েও আছেন, মলাশয়েও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি উটমূত্রেও আছেন, কামসূত্রেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি আরশেও আছেন, ঢেঁড়শেও আছেন # আল্যা সর্বব্যাপী – তিনি হাশরেও আছেন, বাসরেও আছেন

মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০১৬

পণ্যবতী পুণ্যবতীরা

লিখেছেন নাস্তিক ফিনিক্স

'ধর্মকারী'-তে কিছুদিন আগে একটা কার্টুন প্রকাশিত হয়েছে, নাম 'হন্য হয়ে পণ্য কেনার বন্য প্রথা রমজানে', যেখানে দেখা যাচ্ছে, এক মমিনা প্রচুর কেনাকাটা করেছে। 

এই কার্টুনটা আমার জীবনের প্রাত্যহিক একটা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে উৎসাহিত করলো।

একটা বিশেষ কারণে আমি প্রায় প্রতিদিনই কলকাতার ধর্মতলা, নিউ মার্কেট ও হগ মার্কেটের সামনে দিয়ে যাওয়া-আসা করি এবং বিকেলে আড্ডাও মারি। এই পুরো অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে মুসলমান পরিবারের বাস এবং আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হল, এইসব বাড়ির মমিনারা আপাদমস্তক বস্তা-মোড়া হয়ে দিবা-রাত্র ধর্মতলা চত্বরে কেনাকাটা করে চলেছেন। 

সেটা সত্যিই দেখার মত জিনিস।

রাস্তায় বসা সাজগোজের দোকানেই দেখুন বা সামনের 'City Mart'-এ, বস্তা-পরিহিতারা যেরকম বাহারি সাজগোজের জিনিসপত্র থেকে শুরু করে বাহারি পোশাক সারা বছর ধরে কিনছে, তাতে 'মডেল'-রাও ভিরমি খাবে।

একমাত্র দুর্গা পুজোর একমাস বাদ দিলে সারা বছর এই ধর্মতলা অঞ্চলের সমস্ত সাজগোজের দোকান বস্তা-পরিহিতাদের কারণেই করে-কর্মে খাচ্ছে। রমজান মাস তো বাদই দিলাম। 

মাঝে মাঝে ভাবি, এরা এইসব কখন পরে? আদৌ পরে? নাকি আলমারি সাজায়?


আজকালকার দিনে বাংলা সিরিয়ালে দেখা যায়, বাড়ির মধ্যে সবাই সারাক্ষণ সেজেগুজে দামি দামি সব পোশাক পরে আছে। মমিনারা কি তাদেরই নকল করছে?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন